আল বিদায়া ওয়া আন্নিহায়া

سنة ثلاث عشرة من الهجرة

اجتماع الفرس على يزدجرد

পৃষ্ঠা - ৫৪২৮


অধ্যায় : এরপর খলীবণ উমর ইবন খাত্তাব (রা) ইরাকের সেনাপতি হিসেবে সাদ ইবন
আৰী ওয়াক্কাস যুহরী (রা)-কে প্রেরণ করলেন ৷ তিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজৰের
একজন ৷ তার সাথে ছিল ছয় হাজার সৈনিক ৷ খলীফা উমর (রা) জারীর ইবন আবদুল্লাহ্ এবং
যুছান্ন৷ ইবন হারিছার নিক্ট লিখলেন তারা দৃ’জনে যেন সাদ (রা)-এর নেতৃত্ব মেনে নেন ৷
তারা যেন তার নির্দেশ শোনেন ৷ তার প্ৰতি অনুগত হন ৷ সাদ (রা) ইরাক পৌছলেন ৷ তারা-
দুজনে তার সহযোগী হলেন ৷ ইতিপুর্বে মুছান্না ও আবীর (রা) নিজেদের মধ্যে মতবিরােধে
লিপ্ত ছিলেন ৷ মুছান্না জারীরকে বলেছিলেন যে, খশীফা তো আপনাকে প্রেরণ করেছেন আমার
সাহায্যের জ্যা ৷ সুতরাং এখানকার মুল আমীর ও সেনাপতি আমি ণ্ ৷ আর জারীর বলহািলন ন্ যে ,
খলীফা আমাকে আপনার উপর আমীর ও সেনাপতি রুপে প্রেরণ করেছো ৷ সেনাপতি হিসেবে
হযরত সাদ (রা)এর ইরাক আগমনের ফলে তাদের দুজনের বিবাদ মীমাংসা হয়ে যায় ৷ ইবন
ইসহাক বলেন, এই বছর মুছান্না (বা) ইনুতিকাল করেন ৷ বিশুদ্ধ অভিমত হলো উমর (রা) সাদ
(না)-কে ইরাক প্রেরণ করেছিলেন ১৪ ইিজরী সনের প্রথম দিকে ৷

মতবিরোধের পর পারসিকদের সম্রাট হিসেবে ইয়ায্দগিরদকে মতনানয়ন১

শীরীন এক সময় পারসিক সম্রটিদের যত বংশধর ছিল সকলকে শ্বেত প্রাসাদে একত্র
করেছিল ৷ তারপর নির্দেশ দিয়েছিল এদের মধ্যে পুরুষ যারা আছে তাদের সকলকে হত্যা করে
ফেল ৷ শ্বেত প্রাসাদে উপস্থিত রাজকীয় লোকদের মধ্যে ইয়ায্দগিরদ-এর মাও ছিল ৷ তার সাথে
ছিল পুত্র ইয়ায্দগিরদ ৷ সে তখন অল্প বয়ষ্ক, যা তার ছেলেকে তার মামার কাছে পাঠিয়ে দেয়ার
প্রতিশ্রুতি দেয় ৷ মামারা এসে ইয়াযদগিরদকে তাদের দেশে নিয়ে যায় ৷ বুওয়াবে যা ঘটায়
তাতো ঘটেছে ৷ বহু পারসিক মুসলমানদের হাতে নিহত হয় ৷ মুসলমানগণ ওদের উপর চড়াও
হয় ৷ ওদের বিরুদ্ধে বিজয় হয় এবং ওদের শহর-নগর ও গ্রাম দখল করে নেয় ৷ এরপর
পারসিকণণ শুনতে পেল যে, উমর (রা)-এর পক্ষ থেকে নতুন সেনাপতি হিসেবে সাদ (রা)
ইরাকে আসছেন ৷ এই প্রেক্ষাপটে পারসিকগণ এক পরামর্শ সভায় মিলিত হয় ৷ ওদের দুই
প্রধান সেনাপতি রল্ডম ও ফীরুজানকেও তারা ওই সভায় উপস্থিত রাখে ৷ পরিস্থিতি পর্যালোচনা
প্রসঙ্গে তারা নিজেদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করে এবং ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করে ৷ এরপর
তারা উপদেশমুলক কথাবার্তা বলে এবং সেনাপতিদ্বয়কে এই বলে শাসিয়ে দেয় যে, যথোচিত
ও যথাযােগ্য কৌশলে যুদ্ধ চালাতে না পারলে আমরা তোমাদের দুজনকেই খুন করে যেসব
এবং তােমাদেরকে খুন করে আমরা মনের ক্ষোভ নিরসন করব ৷ এরপর তারা সিদ্ধান্ত নিল যে ,
তারা সম্রাট বংশের সকল মহিলার খোজ নিবে এবং ওদের কারো নিকট পুত্র সন্তান থাকলে
তাকে রাজা মনোনীত করবে ৷ তারা খুজতে শুরু করে ৷ সম্রাট বংশীয় কোন মহিলাকে পেলে
তারা জিজ্ঞেস করে তার পুত্র সন্তান আছে কিনা, সন্তান থাকলে হত্যার ভয়ে মায়েরা বলতে
পারে যে, তাদের কোন পুত্র সন্তান নেই ৷ তারা খুজতেই থাকে ৷ এক পর্যায়ে তারা ইয়ায্দগিরদ
এর মায়ের সন্ধান পড়ায় ৷ তারাপুত্র সহ তাকে নিয়ে আসে এবং ইয়াযদগিরদকে রাজা মনোনীত
করে ৷ তখন তার বয়স ২১ বছুর ৷ তার পিতা ছিল শাহরিয়ার ইবন কিসরা ৷ তারা রাণী



১ এধ্ানে মুল গ্রন্থের ফটোকপির ছাপার আপ-পিছ রয়েছে ৷ তবে এতে তথ্যের ব্যাপারে ণ্হ্রষের হয়নি ৷


[اجْتِمَاعُ الْفُرْسِ عَلَى يَزْدَجِرْدَ] ذِكْرُ اجْتِمَاعِ الْفُرْسِ عَلَى يَزْدَجِرْدَ بَعْدَ اخْتِلَافِهِمْ وَاضْطِرَابِهِمْ ثُمَّ اجْتَمَعَتْ كَلِمَتُهُمْ. كَانَ شِيِرِينُ قَدْ جَمَعَ آلَ كِسْرَى فِي الْقَصْرِ الْأَبْيَضِ، وَأَمَرَ بِقَتْلِ ذُكْرَانِهِمْ كُلِّهِمْ، وَكَانَتْ أُمُّ يَزْدَجِرْدَ فِيهِمْ وَمَعَهَا ابْنُهَا وَهُوَ صَغِيرٌ، فَوَاعَدَتْ أَخْوَالَهُ، فَجَاءُوا فَأَخَذُوهُ مِنْهَا وَذَهَبُوا إِلَى بِلَادِهِمْ، فَلَمَّا وَقَعَ مَا وَقَعَ يَوْمَ الْبُوَيْبِ وَقُتِلَ مَنْ قُتِلَ مِنْهُمْ كَمَا ذَكَرْنَا، وَرَكِبَ الْمُسْلِمُونَ أَكْتَافَهُمْ وَانْتَصَرُوا عَلَيْهِمْ وَعَلَى أَخْذِ بُلْدَانِهِمْ وَمَحَالِّهِمْ وَأَقَالِيمِهِمْ، ثُمَّ سَمِعُوا بِقُدُومِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ مِنْ جِهَةِ عُمَرَ، اجْتَمَعُوا فِيمَا بَيْنَهُمْ وَأَحْضَرُوا الْأَمِيرَيْنِ الْكَبِيرَيْنِ فِيهِمْ، وَهُمَا رُسْتُمُ وَالْفَيْرُزَانُ، فَتَذَامَرُوا فِيمَا بَيْنَهُمْ وَتَوَاصَوْا، وَقَالُوا لَهُمَا: لَئِنْ لَمْ تَقُومَا بِالْحَرْبِ كَمَا يَنْبَغِي لَنَقْتُلَنَّكُمَا وَنَشْتَفِي بِكُمَا. ثُمَّ رَأَوْا فِيمَا بَيْنَهُمْ أَنْ يَبْعَثُوا خَلْفَ نِسَاءِ كِسْرَى مِنْ كُلِّ فَجٍّ وَمِنْ كُلِّ بُقْعَةٍ، فَمَنْ كَانَ لَهَا وَلَدٌ مِنْ آلِ كِسْرَى مَلَّكُوهُ عَلَيْهِمْ، فَجَعَلُوا إِذَا أَتَوْا بِالْمَرْأَةِ عَاقَبُوهَا: هَلْ لَهَا وَلَدٌ، وَهِيَ تُنْكِرُ ذَلِكَ خَوْفًا عَلَى وَلَدِهَا إِنْ كَانَ لَهَا وَلَدٌ، فَلَمْ يَزَالُوا حَتَّى دُلُّوا عَلَى أُمِّ يَزْدَجِرْدَ، فَأَحْضَرُوهَا وَأَحْضَرُوا وَلَدَهَا فَمَلَّكُوهُ عَلَيْهِمْ، وَهُوَ ابْنُ إِحْدَى وَعِشْرِينَ سَنَةً، وَهُوَ مِنْ وَلَدِ شَهْرِيَارَ بْنِ كِسْرَى، وَعَزَلُوا بُورَانَ، وَاسْتَوْسَقَتِ الْمَمَالِكُ لَهُ، وَاجْتَمَعُوا عَلَيْهِ وَفَرِحُوا بِهِ، وَقَامُوا بَيْنَ يَدَيْهِ بِالنَّصْرِ أَتَمَّ قِيَامٍ، وَاسْتَفْحَلَ أَمْرُهُ فِيهِمْ، وَقَوِيَتْ شَوْكَتُهُمْ بِهِ، وَبَعَثُوا إِلَى الْأَقَالِيمِ وَالرَّسَاتِيقِ، فَخَلَعُوا الطَّاعَةَ لِلصَّحَابَةِ وَنَقَضُوا عُهُودَهُمْ