سنة ثلاث عشرة من الهجرة
وقعة البويب التي اقتص فيها المسلمون من الفرس
পৃষ্ঠা - ৫৪২৫
সায়ফ ইবন উমর বলেন, এ ঘটনা ঘটেছিল ১৩ হিজরী সনের শাৰান মাসে ইয়ারমুক
যুদ্ধের : :দিন পর ৷ মুসলমানগণ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গিয়েছিলেন ৷ তারপর দলবদ্ধ হয়েছিলেন ৷
তাদের কেউ কেউ মদীনায় ফিরে এসেছিলেন ৷ হযরত উমর (রা) কাউকে তিরস্কার করেন
নি মন্দ বলেন নি ৷ বরং তিনি বলেছেন, আমি আপনাদের অন্তর্ভুক্ত ৷
এরপর আল্লাহ্ তাআলা ওই অগ্রিপুজারীদেরকে নিজেদের মধ্যে অতর্দঙ্কন্দু ব্যস্ত রাখেন ৷
মাদায়েনবাসিগণ রাঃমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং তাকে পদচ্যুত করে ৷ পরে তাকে পুনরায়
দায়িত্ব দেয় এবং তার সাথে ফীবুজানকেও ক্ষমতা প্রদান করে ৷ শেষে অ্যাৰু,দৃটুভড়াগে বিভক্ত
হয়ে যায় ৷ পারসিকগণ মাদায়েনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে ৷ পথে হযরত মুছান্না (রা)-এর
নেতৃত্বাধীন একদল মুসলিম সৈনিকের মুখোমুখি হয় তারা ৷ দুই পারসিক সেনাপতি নিজেদের
সেনাবাহিনী নিয়ে মুসলিম সেনাপতি মুছান্না (রা)এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয় ৷ তিনি ওদের
দু’জনকে এবং ওদের সাথে থাকা বহু পারসিককে বন্দী করেন এবং হত্যা করেন ৷ এরপর
সেনাপতি মুছান্না ইরাকে অবস্থানরত মুসলিম সেনাপতিদের সাহায্য চেয়ে লোক পাঠালেন ৷ ওরা
তার নিকট সাহায্য পাঠাল ৷ মদীনা থেকে খলীফা উমর (বা) তার নিকট প্রচুর সাহায্য পাঠান ৷
ওই সাহায্য দলে ছিলেন জারীর ইবন আবদুল্লাহ বাজালী ও তার পুর্ণ গোত্র ৷ শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য
মুসলিম নেতৃবৃন্দও সেই দলে ছিল ৷ ফলে এবারকার সৈন্য ৎথ্যা অনেক বৃদ্ধি পায় ৷
বুওয়ায়র-এর বুদ্ধ : পারসিকদের উপর মুসলমানদের প্রতিশোধমু গ্রহণ
মুসলমানদের রণপ্রন্তুতির কথা পারসিক সেনাপতিগণ অবগত হলো ৷ মুসলিম সেনাপতি
মুছান্না (রা)-এর অধীন বিশাল সৈন্য বাহনীর কথাও তারা জানতে পারে ৷ এদেরকে প্রতিরোধ
করার জন্যে তারা মিহরানের সেনাপতিত্বে একটি বিশাল সেনাদল প্রেরণ করে ৷ উভয়পক্ষ
বুওয়ায়ব নামক স্থানে মুখোমুখি হয় ৷ বুওয়ায়ব হলো কুফার নিকটবর্তী একটি স্থান ৷ উভয়
পক্ষের মাঝে ছিল ফোরাত নদী ৷ পারসিকগণ বলল, “হয় তােমরান্নদী পার হয়ে আমাদের
নিকট আস নইলে আমরা নদী অতিক্রম করে তোমাদের নিকট যাব ৷ ’ মুসলমানগণ বললেন,
তােমরাই নদী পার হয়ে আস ৷ ’ তারা নদী পার হয়ে এল ৷ তারপর উভয় পক্ষ যুদ্ধের জন্যে
প্রস্তুত হয়ে থাকল ৷ এটি রমযান মাসের ঘটনা ৷ সেনাপতি মুছান্ন৷ মুসলিম সৈনিকদেৱকে রােযা
না রাখার কথা বললেন ৷ সকলে রােযা ছেড়ে দিল ৷ যাতে যুদ্ধে শক্তি পায়, সৈন্যগণ প্রস্তুত ৷
সেনাপতি মুছান্না প্রত্যেক গোত্রের সেনাপতিদের পতাকা ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করতে লাগলেন
এবং তাদেরকে জিহাদে উৎসাহ দিয়ে ধৈর্য ও নীরবতা অবলম্বনের উপদেশ দিচ্ছিলেন ৷ ওই যুদ্ধে
নিজ গােত্রসহ জারীর ইবন আবদুল্লাহ্ বাজালী এবং বহু শীর্ষস্থানীয় মুসলিম নেতৃবৃন্দ ছিলেন ৷
ওদের উদ্দেশ্যে মুছান্না বললেন, আমি তিনবার আল্লাহ আকবর বলব ৷ তাতে সকলে প্রস্তুত হয়ে
যাবে ৷ আমি চতুর্থ বার আল্লাহ আকবর বলার সাথে সাথে শত্রুপক্ষের উপর আক্রমর্ণকরবে ৷
জবাবে সকলে তার নির্দেশ নানা ও র্তারপ্রতি অড়ানুগতেক্তর ঘোষণা দিল ৷ কিত্তু তাহৃা ১ম
তাকৰীরের সাথে সাথে পারসিকগণ হামলা চালায় মুসলমানদের উপর ৷ তারা ঘিরে ফেলে
মুসলিম সৈন্যদেরকে ৷ উভয়পক্ষে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয় ৷ সেনাপতি মুছান্ন৷ একটি সারিতে কিছুটা ত্রুটি
লক্ষ্য করেন ৷ তিনি সেখানে একজন লোক পাঠালেন ৷ সে ওই সারির লোকদেরকে বলছিল,
فَرَكِبَ الْفُرْسُ إِلَى الْمَدَائِنِ، وَلَحِقَهُمُ الْمُثَنَّى بْنُ حَارِثَةَ فِي نَفَرٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ، فَعَارَضَهُ أَمِيرَانِ مِنْ أُمَرَائِهِمْ فِي جَيْشِهِمْ، فَأَسَرُهُمَا وَأَسَرَ مَعَهُمَا بَشَرًا كَثِيرًا، فَضَرَبَ أَعْنَاقَهُمْ، ثُمَّ أَرْسَلَ الْمُثَنَّى إِلَى مَنْ بِالْعِرَاقِ مِنْ أُمَرَاءِ الْمُسْلِمِينَ يَسْتَمِدُّهُمْ، فَبَعَثُوا إِلَيْهِ بِالْأَمْدَادِ، وَبَعَثَ إِلَيْهِ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ بِمَدَدٍ كَثِيرٍ، فِيهِمْ جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيُّ فِي قَوْمِهِ بَجِيلَةَ بِكَمَالِهَا، وَغَيْرُهُ مِنْ سَادَاتِ الْمُسْلِمِينَ، حَتَّى كَثُرَ جَيْشُهُ.
[وَقْعَةُ الْبُوَيْبِ الَّتِي اقْتَصَّ فِيهَا الْمُسْلِمُونَ مِنَ الْفُرْسِ]
فَلَمَّا سَمِعَ أُمَرَاءُ الْفُرْسِ بِكَثْرَةِ جُيُوشِ الْمُثَنَّى، بَعَثُوا إِلَيْهِ جَيْشًا آخَرَ مَعَ رَجُلٍ يُقَالُ لَهُ: مِهْرَانُ. فَتَوَافَوْا هُمْ وَإِيَّاهُمْ بِمَكَانٍ يُقَالُ لَهُ: الْبُوَيْبُ. قَرِيبٌ مِنْ مَكَانِ الْكُوفَةِ الْيَوْمَ، وَبَيْنَهُمَا الْفُرَاتُ، فَقَالُوا: إِمَّا أَنْ تَعْبُرُوا إِلَيْنَا أَوْ نُعْبَرَ إِلَيْكُمْ. فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ: بَلِ اعْبُرُوا إِلَيْنَا. فَعَبَرَتِ الْفُرْسُ إِلَيْهِمْ فَتَوَاقَفُوا، وَذَلِكَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ، فَعَزَمَ الْمُثَنَّى عَلَى الْمُسْلِمِينَ فِي الْفِطْرِ، فَأَفْطَرُوا عَنْ آخِرِهِمْ لِيَكُونَ أَقْوَى لَهُمْ، وَعَبَّى الْجَيْشَ، وَجَعَلَ يَمُرُّ عَلَى كُلِّ رَايَةٍ مِنْ رَايَاتِ الْأُمَرَاءِ عَلَى الْقَبَائِلِ وَيَعِظُهُمْ وَيَحُثُّهُمْ عَلَى الْجِهَادِ وَالصَّبْرِ وَالصَّمْتِ وَالثَّبَاتِ، وَفِي الْقَوْمِ جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيُّ فِي بَجِيلَةَ، وَجَمَاعَةٌ مِنْ سَادَاتِ الْمُسْلِمِينَ، وَقَالَ الْمُثَنَّى لَهُمْ: إِنِّي مُكَبِّرٌ ثَلَاثَ تَكْبِيرَاتٍ فَتَهَيَّئُوا، فَإِذَا كَبَّرْتُ الرَّابِعَةَ فَاحْمِلُوا. فَقَابَلُوا قَوْلَهُ بِالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ وَالْقَبُولِ. فَلَمَّا كَبَّرَ أَوَّلَ تَكْبِيرَةٍ عَاجَلَتْهُمُ الْفُرْسُ فَحَمَلُوا حَتَّى
পৃষ্ঠা - ৫৪২৬
সেনাপতি তােমাদেরকে সালাম জানিয়েছেন আর বলেছেন যে, আজ আরবদেরকে অপমানিত
করো না বরং সুশৃগ্রল থাক ৷ নিয়মমত যুদ্ধ চালাও ৷’
ওই গোত্র ছিল বানু আজাল গোত্র ৷ মুসলমানদের পক্ষ থেকে আনুগত্য ও হৃদ্যতা দেখে
মুছান্না খুশি হলেন এবং এ সৎব বাদ দিয়ে লোক পাঠালেন যে, হে মুসলিমগণ! যুদ্ধ ও জিহাদ তো
আপনাদের নিয়মিত কার্যক্রম ৷ আপনারা আল্লাহ্কে সাহায্য করুন আল্লাহ আপনাদেরকে
সাহায্য করবেন ৷ সেনাপতি মুছাস্লা ও অন্যান্য মুসলিম সাহায্য ও বিজয়ের জন্যে আল্লাহর
নিকট প্রার্থনা করছিলেন ৷ দীর্ঘক্ষণ যুদ্ধ চলার পর মুছান্না তার কতক সাহসী অনুসারীকে
একত্রিত করে পেছনের দিক পাহারায় নিয়োজিত করলেন ৷ তিনি নিজে পত্রু-ন্সেনাধ্যক্ষ
মিহরানের উপর আক্রমণ করলেন ৷ মিহরানকে তার স্থান থেকে সরিয়ে দিলেন ৷ মিছুরান তার
সৈনিকদের ডান পার্শ্বস্থু দলে ঢুকে গেল ৷ বানুতাগলিব গোত্রের জনৈক খ্রিস্টান বালক মিহরানের
উপর আক্রমণ করে এবং তাকে হত্যা করে ঘোড়ার চড়ে বসে ৷ সায়ফ ইবন উমর এরুপ বর্ণনা
করেছেন ৷ শ্
মুহাম্মদ ইবন ইসহাক বলেছেন যে, মিহরানের উপর প্রথম আক্রমণ করেছিল মুনযির ইবন
হাসৃসান ইবন দিরার দাবঘী ৷ তিনি তাকে মারাত্মকভাবে আহত করে ৷ এরপর জারীর ইবন
আবদুল্লাহ ৰাজালী তার মাথা কেটে সেন ৷ তার বর্ম ও অস্ত্রশস্ত্র তারা দু’জনে ভাগ করে নেন ৷
জারীর নিলেন অস্ত্রশস্ত্র আর মুনযির নিলেন কােমরবন্দ ও ভীরের ঝুলি ৷ সেনাপতির হত্যাকাণ্ড
দেখে অগ্নিপুজক পারসিকগণ পালাতে শুরু করে৷ মুসলমানপণ ওদের ঘাড়ে আঘাত করে
ওদেরকে ধরাশায়ী করতে থাকেন ৷ মুছান্না ইবন হারিছা এগিয়ে গিয়ে সেতুর উপর অবস্থান
গ্রহণ করেন ৷ যাতে পারসিকপণ সেতু অতিক্রম করে পালাংত না পারে ৷ আর তাতে
মুসলমানপণ ওদেরকে হত্যা করার সুযোগ পায় ৷ সেদিনের অবশিষ্ট সময়, ওই রাত এবং পরের
দিলেও রাত অবধি মুসলমানগণ ওদেরকে খুজে খুজে হত্যা করতে থাকেন ৷ কথিত আছে যে,
ওই যুদ্ধে প্রায় এক লাখ পারসিক সৈন্য অংস্ত্রর আঘাতে ও পানিতে ডুবে মারা যায় ৷
মুসলমানদের পক্ষেও অনেক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ওই যুদ্ধে শহীদ হন ৷ এই ঘটনায় পারসিকদের
পর্ব ও অহৎ কার ধুলোয় মিশে যায় ৷ তারা চরমভাবে লাঞ্ছিত হয় ৷ মুসলিম সৈনিকপণ কােরাত
ও দজলা নদীর মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ পারস্য এলাকাতে লুটতরাজ চালায় ৷ তারা প্রচুর ধন-সষ্পদ
হস্তগত করে ৷ বুওয়ার যুদ্ধের পর আরো বহু ঘটনা ঘটেছে যা বিস্তারিত উল্লেখ করলে অনেক
দীর্ঘ হয়ে যাবে ৷ ইরাকের এই যুদ্ধ সিরিয়ার ইয়ারমুকের যুদ্ধের মত হলো ৷
এই যুদ্ধ সম্পর্কে আওয়ার শানী আবদী নিম্নের কবিতা আবৃত্তি করে মুসলিম বীরৎ ও
পারসিকদের হত্যাকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধ্রেনং :
, , ৷ শ্
ণ্ , , ,
غَالَقُوهُمْ، وَاقْتَتَلُوا قِتَالًا شَدِيدًا، وَرَكَدَتِ الْحَرْبُ، وَرَأَى الْمُثَنَّى فِي بَعْضِ صُفُوفِهِ خَلَلًا، فَبَعَثَ إِلَيْهِمْ رَجُلًا يَقُولُ: الْأَمِيرُ يَقْرَأُ عَلَيْكُمُ السَّلَامَ وَيَقُولُ لَكُمْ: لَا تَفْضَحُوا الْمُسْلِمِينَ الْيَوْمَ. فَاعْتَدَلُوا، فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ مِنْهُمْ - وَهُمْ بَنُو عِجْلٍ - أَعْجَبَهُ وَضَحِكَ، وَبَعَثَ إِلَيْهِمْ يَقُولُ: يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ، عَادَاتِكُمْ، انْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُمْ. وَجَعَلَ الْمُثَنَّى وَالْمُسْلِمُونَ يَدْعُونَ اللَّهَ بِالظَّفَرِ وَالنَّصْرِ، فَلَمَّا طَالَتْ مُدَّةُ الْحَرْبِ جَمَعَ الْمُثَنَّى جَمَاعَةً مِنْ أَصْحَابِهِ الْأَبْطَالِ يَحْمُونَ ظَهْرَهُ، وَحَمَلَ عَلَى مِهْرَانَ فَأَزَالَهُ عَنْ مَوْضِعِهِ حَتَّى دَخَلَ الْمَيْمَنَةَ، وَحَمَلَ غُلَامٌ مِنْ بَنِي تَغْلِبَ نَصْرَانِيٌّ فَقَتَلَ مِهْرَانَ وَرَكِبَ فَرَسَهُ. كَذَا ذَكَرَهُ سَيْفُ بْنُ عُمَرَ.
وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ: بَلْ حَمَلَ عَلَيْهِ الْمُنْذِرُ بْنُ حَسَّانَ بْنِ ضِرَارٍ الضَّبِّيُّ فَطَعَنَهُ، وَاحْتَزَّ رَأْسَهُ جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيُّ، وَاخْتَصَمَا فِي سَلْبِهِ، فَأَخَذَ جَرِيرٌ السِّلَاحَ، وَأَخَذَ الْمُنْذِرُ مِنْطَقَتَهُ، وَهَرَبَتِ الْمَجُوسُ وَرَكِبَ الْمُسْلِمُونَ أَكْتَافَهُمْ يَقْصِلُونَهُمْ قَصْلًا، وَسَبَقَ الْمُثَنَّى بْنُ حَارِثَةَ إِلَى الْجِسْرِ فَوَقَفَ عَلَيْهِ لِيَمْنَعَ الْفُرْسَ مِنَ الْجَوَازِ عَلَيْهِ لِيَتَمَكَّنَ مِنْهُمُ الْمُسْلِمُونَ، فَرَكِبُوا أَكْتَافَهُمْ بَقِيَّةَ ذَلِكَ الْيَوْمِ وَتِلْكَ اللَّيْلَةَ، وَمِنَ الْغَدِ إِلَى اللَّيْلِ، فَيُقَالُ: إِنَّهُ قُتِلَ مِنْهُمْ يَوْمَئِذٍ وَغَرِقَ قَرِيبٌ مِنْ مِائَةِ أَلْفٍ. وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ. وَغَنِمَ الْمُسْلِمُونَ مَالًا جَزِيلًا وَطَعَامًا كَثِيرًا، وَبَعَثُوا بِالْبِشَارَةِ وَالْأَخْمَاسِ إِلَى عُمَرَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ. وَقَدْ قُتِلَ مِنْ سَادَاتِ الْمُسْلِمِينَ فِي