سنة ثلاث عشرة من الهجرة
وقعة جسر أبي عبيد
পৃষ্ঠা - ৫৪২২
যুদ্ধ হয় ৷ পারসিকগণ পরাজিত হয় এবং নারসী পালিয়ে যায় ৷ ওদািক বারুসমা’ নামক স্থানে
জালীনুসের সাথে আবু উবায়দা (রা)-এর যুদ্ধ হয় ৷ যুদ্ধে জালীনুস পরাজিত হয়ে মাদাইনে
পালিয়ে যায় ৷ নারসীও মাদাইনে গিয়ে পৌছে ৷ হযরত আবু উবড়ায়দা (রা) হযরত মুছান্না
(রা)-কে এবং অন্যান্য সেনাদলকে নাহ্র জুর ও অন্যান্য সীমান্তের দিকে প্রেরণ করেন ৷ তারা
অবস্থাভেদে শক্তি প্রয়োগ ও সন্ধির মাধ্যমে ওই সব স্থান জয় করেন এবং স্থানীয় অধিবাসীদের
উপর জিয্য়া কর নির্ধারণ করেন ৷ তারা বহু মালামাল যুদ্ধ বিজয়ী মান হিসেবে লাভ করে ৷
সকল প্রশংসা আল্লাহ্ তা আলার ৷ জবোনের সাহায্যে এসেছিল জালীনুস ৷ মুসলমানগণ
তাকে চরমভ্যবে পরাস্ত করেন ৷ এবং তার সৈন্য-সামত্ত ও মালপত্র গনীমতের মালরুপে
মুসলমানগণ হস্তগত করেন ৷ জালীনুস লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট ফিরে
যায় ৷
আবু উৰায়দা এর সেতুর যুদ্ধ, মুসলিম প্রধান সেনাপতি
ও বহু মুসলিম সৈনিকের শাহাদাত
মুসলমানদের হাতে খােচনীয়ভ্যবে পরাজিত হয়ে পারসিক সেনাধ্যক্ষ জালীনুস পালিয়ে
প্রাণ বাচিয়েছিল ৷ সে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট ফিরে যাওয়ার পর ওরা প্রচওভাবে ক্ষুব্ধ হয় ৷
পারসিকগণ সমবেত হয় মহাবীর রুস্তমের নিকট ৷ সে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিশাল এক
সেনাদল প্রেরণ করে ৷ এদের সেনাপতি ছিল রাহমান হাদাবিয়্যাহ্ ৷ সে তার হাতে তুলে দিল
অড়াফরীদৃনের পতাকা ৷ এটির নাম দুরফাশ কবিয়ানও বটে ৷ পারসিকগণ ওই পতাকা দ্বারা
বরকত ও শুভষাত্রা কামনা করত ৷ ওরা নিজেদের সাথে কিসরার পতাকাও বহন করে নিয়ে
যায় ৷ এই পতাকা ছিল চিতা বাঘের চামড়ার তৈরি ৷ পতাকাটির প্রস্থ ছিল আট হাত ৷ ওরা
মুসলমানদের নিকট এসে পৌছে ৷ উভয় পক্ষের মাঝে একটি নদী ছিল ৷ সেখানে ছিল একটি
সেতু ৷ পারসিকগণ প্রস্তাব দিল যে, হয়ত তোমরা সেতু পার হয়ে আমাদের নিকট আস, নতুবা
আমরা সেতু পার হয়ে তোমাদের নিকট যাব ৷ মুসলমানগণ র্তাদের সেনাপতি আবু উবায়দকে
বলল, ওদেরকে বলুন আমাদের নিকট আসতে ৷ সেনাপতি বললেন, আমরা মৃত্যুর ব্যাপারে যত
নির্তীক ওরা ততটা নিউকি নয় ৷ এই বলে তিনি সেতু পেরিয়ে নিজ সৈন্যসহ ওদের নিকট
পৌছে গেলেন ৷ সং ৎকীর্ণ এক জায়গায় সকলে সমবেত হলো ৷ উভয় পক্ষে সেখানে ভীষণ যুদ্ধ
হয় ৷ ইতিপুর্বে এমন যুদ্ধ দেখা যায়নি ৷
মুসলমান সৈন্যের সং ৎখ্যা ছিল প্রায় দশ হাজার, পারসিকগণ সাথে করে বড় বড় বহু হাতী
নিয়ে এসেছিল ৷ ওইগুলেড়ার পিঠে ছিল প্রচণ্ড শব্দ সৃষ্টিকারী ঘণ্টা, হাতীগুলাে দাড়িয়েছিল যাতে
মুসলমানদের ঘোড়াগুলাে হাতী দেখে আর প্রচণ্ড শব্দ শুনে ভয় পায় ৷ তারা মুসলমানদের উপর
হামলা চালায় ৷ বস্তুত বিশাল বিশাল হাতী দেখে এবং প্রচণ্ড ঘণ্টাধ্বনি শুনে মুসলমানদের
ঘোড়াগুলাে ভয়ে পালিয়ে যেতে থাকে ৷ শক্তিপ্রয়োগে মাত্র অল্প সং ৎখ্যক ঘোড়াকে ধরে রাখা
হয় ৷ অন্যদিকে মুসলমানগণ যখন ওদের উপর আক্রমণে অগ্রসর হতে চায় তখন হাতীর ভয়ে
তাদের ঘোড়াগুলো সামনে এগুতে চায় না ৷ তাছাড়া প্রচণ্ড তীর নিক্ষেপে পারসিকগণ সেগুলো
রক্তাক্ত করে ফেলে ৷ ফলে বহু মৃসলমানকে তারা হত্যা করে ফেলে ৷ পক্ষাম্ভরে মুসলমানগণও
প্রায় ছয় হাজার শত্রু হত্যা করেন ৷ আবু উবায়দ (রা) মুসলমানদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন
৮
فَالْتَقَوْا بِمَكَانٍ بَيْنَ كَسْكَرَ وَالسَّقَاطِيَةِ، وَعَلَى مَيْمَنَةِ نَرْسِي وَمَيْسَرَتِهِ ابْنَا خَالِهِ بِنَدَوَيْهِ وَتِيرَوَيْهِ أَوْلَادُ بِسْطَامَ، وَكَانَ رُسْتُمُ قَدْ جَهَّزَ الْجُيُوشَ مَعَ الْجَالِنُوسِ، فَلَمَّا بَلَغَ أَبُو عُبَيْدٍ ذَلِكَ أَعْجَلَ نَرْسِي بِالْقِتَالِ قَبْلَ وُصُولِهِمْ، فَاقْتَتَلُوا قِتَالًا شَدِيدًا، فَانْهَزَمَتِ الْفُرْسُ وَهَرَبَ نَرْسِي وَالْجَالِنُوسُ إِلَى الْمَدَائِنِ بَعْدَ وَقْعَةٍ جَرَتْ مِنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَعَ الْجَالِنُوسِ بِمَكَانٍ يُقَالُ لَهُ: بَارُوسْمَا. فَبَعَثَ أَبُو عُبَيْدٍ الْمُثَنَّى بْنَ حَارِثَةَ وَسَرَايَا أُخَرَ إِلَى مَا تَاخَمَ تِلْكَ النَّاحِيَةَ كَنَهْرِ جَوْبَرَ وَنَحْوِهَا، فَفَتَحَهَا صُلْحًا وَقَهْرًا، وَضَرَبُوا الْجِزْيَةَ وَالْخَرَاجَ، وَغَنِمُوا الْأَمْوَالَ الْجَزِيلَةَ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ، وَكَسَرُوا الْجَالِنُوسَ الَّذِي جَاءَ لِنُصْرَةِ جَابَانَ، وَغَنِمُوا جَيْشَهُ وَأَمْوَالَهُ، وَكَرَّ هَارِبًا إِلَى قَوْمِهِ حَقِيرًا ذَلِيلًا.
[وَقْعَةُ جِسْرِ أَبِي عُبَيْدٍ]
ٍ الَّتِي قُتِلَ فِيهَا أَمِيرُ الْمُسْلِمِينَ وَخَلْقٌ كَثِيرٌ مِنْهُمْ، فَإِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
لَمَّا رَجَعَ الْجَالِنُوسُ هَارِبًا مِمَّا لَقِيَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ تَذَامَرَتِ الْفُرْسُ بَيْنَهُمْ وَاجْتَمَعُوا إِلَى رُسْتُمَ، فَأَرْسَلَ جَيْشًا كَثِيفًا عَلَيْهِمْ ذُو الْحَاجِبِ بَهْمَنُ جَاذَوَيْهِ، وَأَعْطَاهُ
পৃষ্ঠা - ৫৪২৩
প্রথমে হাতীগুলােকে হত্যা করা হয় ৷ ফলে মুসলমানপণ হাতীগুলােকে ঘিরে ফেলেন এবং
সবগুলােকে হত্যা করে ফেলেন ৷ পারসিকগণ একটি সুবিশালদেহী সাদা হাতীকে সামনে ঠেলে
দেয় ৷ সেটি হত্যা করার জন্যে সেনাপতি আবু উবায়দ সামনে অগ্রসর হন ৷ তিনি তরবারির
আঘাত হানেন হাতীঢির উপর ৷ হাতীর শুড় কেটে যায় ৷ হাতী মাতাল ও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং
ভয়ংকর একটি চিৎকার দিয়ে সেনাপতি আবু উবায়দ (রা)-এর উপর বাপিয়ে পড়ে ৷ দৃপায়ে
তাকে দলিত-মথিত করে ফেলে ৷ তিনি মারা যান ৷ হাতীটি তার দেহের উপর দাড়িয়ে থাকে ৷
আবুউবায়দর্তার অবর্তা৷নে মাকে সেনাপতির দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি এসে হাতীর উপর
আক্রমণ করলেন ৷ হাতীটি র্তাকেও মেরে ফেলে ৷ এরপর তার পরবর্তী দায়িত্ব প্রাপ্ত সেনাপতি
এসে হামলা করলেন ৷ হাতীটি তাকেও মেরে ফেল ল ৷ এরপর তার পরবর্তী সেনাপতি, এরপর
তার পরবর্তী সেনাপতি ৷ এভাবে আবুউবায়দের মনোনীত সাতজন সেনাপতি নিহত হন ৷ এরা
সকলে ছিলেন ছার্কীফ গোত্রের লোক ৷ এরপর সেনাপতি আবু উবায়দের অসিয়ত অনুযায়ী
সেনাপতির দায়িত্ব পান মুছান্ন৷ ইবন হারিছা ৷ সেনাপতি আবু উবায়দ (রা)-এর শ্রী দাওমা ঠিক
এরুপ স্বপ্ন দেখেছিলেন যা হুবহু বাস্তবায়িত হলো ৷ এসব ঘটনায় মুসলমানপণ সাহস হড়ারড়া হয়ে
গেলেন ৷ বাকি থাকল শুধু পারসিকদের বিজয় ৷ মুসলমানপণ দুর্বল ও কিৎকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে
পড়েন ৷ সকলে পেছনে পালাতে শুরু করে ৷ পারসিকগণ ওদেরকে তাড়া করতে থাকে; ওরা বহু
মুসলমানকে হত্যা করে , মুসলমানপণ বিক্ষিপ্ত ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ৷ তারা সেতু পর্যন্ত
আসে ৷ কেউ কেউ সেতু পার হয়ে আসে ৷ এরই মধ্যে ভেঙ্গে যায় ওই সেতু ৷ ফলে ওপাড়ে
যারা ছিল পারসিকগণ তাদেরকে আটক করে ফেলে ৷ সেখানেও তারা বহু মুসলমানকে হত্যা
করে ৷ প্রায় চার হাজার মুসলমান ফোরাত নদীতে ডুবে মারা যান ৷ ইন্ন৷ লিল্লাহি ওয়া ইন্না
ইলাইহি রাজিউন ৷ সেনাপতি মুহুান্ন৷ ইবন হারিছা সেতুর উপর এসে দীড়ালেন ৷ সেই সেতু
যেটি অতিক্রম করে তারা ওপারে গিয়েছিলেন ৷ পরাজিত হয়ে কেউ কেউ ফোরাত নদীতে ঝাপ
দিয়েছিল এবং ডুবে গিয়েছিল ৷
সেতুর উপর র্দাড়িয়ে সেনাপতি মুছান্নড়া ডেকে ডেকে বললেন, হে লোকসকল ৷ শান্ত হোন,
স্থির হোন, আমি সেতুর মুখে দাড়িয়ে আছি ৷ আপনাদের সকলে পড়ার না হওয়া পর্যন্ত আমি
সেতু পার হব না ৷ সকল মুসলমান সেতু পার হলো ৷ এরপর মুছান্না (রা) সেতু পড়ার হয়ে ওদের
নিকট পেলেন ৷ তিনি এবং সাহসী সৈনিকপণ পাহারা দিতে লাগলেন ৷ উপস্থিত অধিকাংশ
মুসলমান ছিলেন আহত, রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত ৷ কতক মুসলমান বনে-জঙ্গলে চলে যায় ৷ শেষ
পর্যন্ত তাদের পস্তব্য জানা যায়নি ৷ ওদের কতক ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মদীনা শরীফ ফিরে আসে ৷
এই দুঃখজনক পরাজয়ের সংবাদ মদীনায় খলীফার নিকট নিয়ে আসেন আবদুল্লাহ্ ইবন যাযদ
ইবন আসিম মুযানী ৷ তিনি এসে দেখেন খলীফা উমর ইবন খাত্তাব (রা) মিম্বরে আছেন ৷
খলীফা বললেন, হে আবদুল্লাহ্ ইবন যায়দ, কী সংবাদ ৷ আবদুল্লাহ বললেন, নিশ্চিত সংবাদ
এনেছি আপনার নিকট ৷ এরপর মিন্বরে খলীফার নিকট গেলেন ৷ এবং কানে কানে প্রকৃত ঘটনা
জানালেন ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, যুদ্ধ-পরাজয়ের সংবাদ সর্বপ্রথম য়লীফার নিকট নিয়ে
আসেন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াষীদ ইবন হুসায়ন হুতামী ৷ আরাছু ভাল জানেন ৷
رَايَةَ أَفْرِيدُونَ، وَتُسَمَّى دِرَفْشَ كَابْيَانَ، وَكَانَتِ الْفُرْسُ تَتَيَمَّنُ بِهَا، وَحَمَلُوا مَعَهُمْ رَايَةَ كِسْرَى، وَكَانَتْ مِنْ جُلُودِ النُّمُورِ، عَرْضُهَا ثَمَانِيَةُ أَذْرُعٍ، فَوَصَلُوا إِلَى الْمُسْلِمِينَ وَبَيْنَهُمُ النَّهْرُ، وَعَلَيْهِ جِسْرٌ، فَأَرْسَلُوا: إِمَّا أَنْ تَعْبُرُوا إِلَيْنَا وَإِمَّا أَنْ نُعْبُرَ إِلَيْكُمْ. فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ لِأَمِيرِهِمْ أَبِي عُبَيْدٍ: مُرْهُمْ فَلْيَعْبُرُوا هُمْ إِلَيْنَا. فَقَالَ: مَا هُمْ بِأَجْرَأَ عَلَى الْمَوْتِ مِنَّا. ثُمَّ اقْتَحَمَ إِلَيْهِمْ، فَاجْتَمَعُوا فِي مَكَانٍ ضَيِّقٍ فَالْتَقَوْا هُنَالِكَ، فَاقْتَتَلُوا قِتَالًا شَدِيدًا لَمْ يُعْهَدْ مِثْلُهُ، وَالْمُسْلِمُونَ فِي نَحْوٍ مِنْ عَشَرَةِ آلَافٍ، وَقَدْ جَاءَتِ الْفُرْسُ مَعَهُمْ بِأَفْيِلَةٍ كَثِيرَةٍ، عَلَيْهَا الْجَلَاجِلُ وَالنَّخْلُ قَائِمَةً لِتَذْعَرَ خُيُولَ الْمُسْلِمِينَ، فَجَعَلُوا كُلَّمَا حَمَلُوا عَلَى الْمُسْلِمِينَ فَرَّتْ خُيُولُهُمْ مِنَ الْفِيَلَةِ، وَمِمَّا تَسْمَعُ مِنَ الْجَلَاجِلِ الَّتِي عَلَيْهَا، وَلَا يَثْبُتُ مِنْهَا إِلَّا الْقَلِيلُ عَلَى قَسْرٍ، وَإِذَا حَمَلَ الْمُسْلِمُونَ عَلَيْهِمْ لَا تُقْدِمُ خُيُولُهُمْ عَلَى الْفِيَلَةِ، وَرَشَقَتْهُمُ الْفُرْسُ بِالنَّبْلِ، فَنَالُوا مِنْهُمْ خَلْقًا كَثِيرًا، وَقَتَلَ الْمُسْلِمُونَ مِنْهُمْ مَعَ ذَلِكَ سِتَّةَ آلَافٍ، وَأَمَرَ أَبُو عُبَيْدٍ الْمُسْلِمِينَ أَنْ يَقْتُلُوا الْفِيَلَةَ أَوَّلًا، فَاحْتَوَشُوهَا فَقَتَلُوهَا عَنْ آخِرِهَا، وَقَدْ قَدَّمَتِ الْفُرْسُ بَيْنَ أَيْدِيهِمْ فِيلًا عَظِيمًا أَبْيَضَ، فَتَقَدَّمَ إِلَيْهِ أَبُو عُبَيْدٍ فَضَرْبَهُ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَ زَلُّومَهُ، فَحَمِيَ الْفِيلُ وَصَاحَ صَيْحَةً هَائِلَةً وَحَمَلَ عَلَيْهِ، فَتَخَبَّطَهُ بِرِجْلِهِ فَقَتَلَهُ وَوَقَفَ فَوْقَهُ، فَحَمَلَ عَلَى الْفِيلِ خَلِيفَةُ أَبِي عُبَيْدٍ الَّذِي كَانَ أَوْصَى أَنْ يَكُونَ أَمِيرًا بَعْدَهُ فَقُتِلَ، ثُمَّ آخَرُ، ثُمَّ آخَرُ، حَتَّى قُتِلَ سَبْعَةٌ مِنْ ثَقِيفٍ كَانَ قَدْ نَصَّ أَبُو عُبَيْدٍ عَلَيْهِمْ وَاحِدًا بَعْدَ وَاحِدٍ، ثُمَّ صَارَتْ إِلَى الْمُثَنَّى بْنِ حَارِثَةَ بِمُقْتَضَى الْوَصِيَّةِ أَيْضًا، وَقَدْ كَانَتْ دَوْمَةُ امْرَأَةُ أَبِي عُبَيْدٍ رَأَتْ مَنَامًا يَدُلُّ عَلَى مَا وَقَعَ سَوَاءً بِسَوَاءٍ، فَلَمَّا رَأَى الْمُسْلِمُونَ ذَلِكَ
পৃষ্ঠা - ৫৪২৪
وَهَنُوا عِنْدَ ذَلِكَ، وَلَمْ يَكُنْ بَقِيَ إِلَّا الظَّفَرُ بِالْفُرْسِ، وَضَعُفَ أَمْرُهُمْ، وَذَهَبَتْ رِيحُهُمْ، وَوَلَّوْا مُدْبِرِينَ، وَسَاقَتِ الْفُرْسُ خَلْفَهُمْ يَقْتُلُونَ بَشَرًا كَثِيرًا، وَانْكَشَفَ النَّاسُ، فَكَانَ أَمْرًا بَلِيغًا، وَجَاءُوا إِلَى الْجِسْرِ، فَمَرَّ بَعْضُ النَّاسِ، ثُمَّ انْكَسَرَ الْجِسْرُ، فَتَحَكَّمَ فِيمَنْ وَرَاءَهُ الْفُرْسُ، فَقَتَلُوا مِنَ الْمُسْلِمِينَ، وَغَرِقَ فِي الْفُرَاتِ نَحْوٌ مِنْ أَرْبَعَةِ آلَافٍ. فَإِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، وَسَارَ الْمُثَنَّى بْنُ حَارِثَةَ، فَوَقَفَ عِنْدَ الْجِسْرِ الَّذِي جَاءُوا مِنْهُ، وَكَانَ النَّاسُ لَمَّا انْهَزَمُوا جَعَلَ بَعْضُهُمْ يُلْقِي بِنَفْسِهِ فِي الْفُرَاتِ فَيَغْرَقُ، فَنَادَى الْمُثَنَّى: أَيُّهَا النَّاسُ، عَلَى هِينَتِكُمْ، فَإِنِّي وَاقِفٌ عَلَى فَمِ الْجِسْرِ لَا أَجُوزُهُ حَتَّى لَا يَبْقَى مِنْكُمْ أَحَدٌ هَا هُنَا. فَلَمَّا عَدَّى النَّاسُ إِلَى النَّاحِيَةِ الْأُخْرَى سَارَ الْمُثَنَّى فَنَزَلَ بِهِمْ أَوَّلَ مَنْزِلٍ، وَقَامَ يَحْرُسُهُمْ هُوَ وَشُجْعَانُ الْمُسْلِمِينَ، وَقَدْ جُرِحَ أَكْثَرُهُمْ وَأُثْخِنُوا، وَمِنَ النَّاسِ مَنْ ذَهَبَ فِي الْبَرِّيَّةِ لَا يُدْرَى أَيْنَ ذَهَبَ، وَمِنْهُمْ مَنْ رَجَعَ إِلَى الْمَدِينَةِ النَّبَوِيَّةِ مَذْعُورًا، وَذَهَبَ بِالْخَبَرِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَاصِمٍ الْمَازِنِيُّ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَوَجَدَهُ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَقَالَ لَهُ عُمَرُ: مَا وَرَاءَكَ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ؟ فَقَالَ: أَتَاكَ الْخَبَرُ الْيَقِينُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ. ثُمَّ صَعِدَ إِلَيْهِ الْمِنْبَرُ فَأَخْبَرَهُ الْخَبَرَ سِرًّا، وَيُقَالُ: كَانَ أَوَّلَ مَنْ قَدِمَ بِخَبَرِ النَّاسِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ الْحُصَيْنِ الْخَطْمِيُّ. فَاللَّهُ أَعْلَمُ - قَالَ سَيْفُ بْنُ عُمَرَ: وَكَانَتْ هَذِهِ الْوَقْعَةُ فِي شَعْبَانَ مِنْ سَنَةِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ بَعْدَ الْيَرْمُوكِ بِأَرْبَعِينَ يَوْمًا. فَاللَّهُ أَعْلَمُ - وَتَرَاجَعَ الْمُسْلِمُونَ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ، وَكَانَ مِنْهُمْ مَنْ فَرَّ إِلَى الْمَدِينَةِ، فَلَمْ يُؤَنِّبْ عُمَرُ النَّاسَ، بَلْ قَالَ: أَنَا فِئَتُكُمْ. وَأَشْغَلَ اللَّهُ الْمَجُوسَ بِأَمْرِ مَلِكِهِمْ ; وَذَلِكَ أَنَّ أَهْلَ الْمَدَائِنِ عَدَوْا عَلَى رُسْتُمَ فَخَلَعُوهُ، ثُمَّ وَلَّوْهُ، وَأَضَافُوا إِلَيْهِ الْفَيْرُزَانَ، وَاخْتَلَفُوا عَلَى فِرْقَتَيْنِ،