আল বিদায়া ওয়া আন্নিহায়া

سنة ثلاث عشرة من الهجرة

ما وقع بأرض العراق

পৃষ্ঠা - ৫৪১৮


সেদিন ওদের প্রায় ৮০ হাজার লোক নিহত হয় ৷ যারা পালিয়ে গিয়েছিল শুধু তারাই প্রাগে
বেচেছে ৷ মুসলমানগণ গনীমত হিসেবে ওদের বহু মালামাল ও ধন-সম্পদ অধিকার করেন ৷
এরপর খলীফা উমর (রা)-এর নির্দো৷ মুতাবিক হযরত আবু উবায়দা (বা) ও খালিদ (রা)
নিজেদের সেনাবাহিনী নিয়েই হিমৃস অভিমুখে যাত্রা করেন ৷ সেনাপতি আবু উবায়দা (রা)
জর্ডানে শুরাহবীল ইবন হাসানাকে শাসনের দায়িত্ব দিয়ে যান ৷ শুরাহবীল এবং আমর ইবন
অসে যাত্রা করেন বীসান’ এর দিকে ৷ র্তারা বীসান অবরাে ধ করেন ৷ সেখানকার অধিবাসীগণ
যুদ্ধের জন্যে বের হয় ৷ সংঘটিত হয় প্রচণ্ড যুদ্ধ ৷ এরপর তারা সন্ধি স্থাপন করে ৷ যেমন
করেছিল দামেশক অধিবাসীগণ ৷ ওরাহ্বীল ইবন হাসানা তাদের ভুমি ও স্থাবর সর্ম্পত্তিত্তে
জিযিয়া কর আরোপ করেন ৷ আবু আওয়ার সুলামী তড়াবারিয়্যা অধিবাসীদের ব্যাপারে অনুরুপ
ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ৷

ইরাকে সংঘটিত যুদ্ধ

আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে, হযরত খালিদ (রা) ইরাক থেকে সিরিয়ার উদ্দেশ্যে
যাত্রা করার পর মুছান্নড়া (রা) ইরাকে রয়ে গেলেন ৷ হযরত খালিদ (বা) যাত্রা করেছিলেন এক
বিশাল সেনাদল নিয়ে ৷ কারো তে, সৈন্যসংখ্যা ছিল নয় হাজার ৷ কেউ বলেছেন তার সাথে ,
যাত্রা করা সৈন্য ছিল তিন রুশ্-াব্ৰ ৷ কারো মতে সাতশ ৷ কেউ বলেছেন আরো কম ৷ তবে সবাই
একমত যে, ইরাকে অবস্থানকারী বড় বড় যোদ্ধা ও নেতৃস্থানীয় সৈনিকগণ তার সাথে যাত্রা
করেছিলেন ৷ অবশিষ্ট সৈনাসহ মুছান্না (রা) ইরাকে রয়ে মোঃলন ৷ তার সাথে থাকা সৈন্য ছিল
নিতান্ত কম ৷ অন্যদিকে পারসিকদের আক্রমণের আশংকা ছিল খুব বেশি ৷ ওদের রাজস্ব-রাণী
পারবর্তানর ঝামেলা না থাকলে তারা অবশ্যই আক্রমণ করত ৷ খলীফা আবু বকর সিদ্দীক
(রক্ত)-এর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন যাবত মুছান্ন৷ (রা)-এর নিকট কোন সংবাদ যাচ্ছিল না ৷ তাই
তিনি মদীনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন ৷ তিনি এসে দেখলেন, হযরত সিদ্দীক-ইআকবর তখন
জীবন সারাহ্নে ৷ তনি খলীফড়াকে ইরাক পরিস্থিতি জানালেন ৷ খলীফা সিদ্দীক-ই-আকবর (বা)
হযরত উমর (রা)কে অসিয়ত করলেন তিনি যেন জনসাধারণকে ইরাক যুদ্ধে অংশ্যাহণের
আহ্বান জানান ৷ হযরত লিদ্দীক-ই-আকবর (রা) ইন তিকাল করলেন ৷ মঙ্গলবার রাতে তাকে
দাফন করা হলো ৷ পরদিন ভোরে উমর (রা) লোকজনকে ইরাক যুদ্ধে অংশ্যাহণেয় আহ্বান
জানালেন ৷ যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্যে উৎসাহিত করলেন ৷ এর নওয়াব ও পুরস্কার সম্পর্কেও
জানালেন ৷ কিন্তু কেউই তার আহ্বানে সাড়া দিল না ৷ কারণ পারসিকদের শক্তির দাপট এবং
যুদ্ধ-ভৈনপুগ্যের প্রেক্ষিতে কেউই ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চাইত না ৷ তিনি দ্বিতীয় এবং তৃতীয়
দিন্শু যুদ্ধে অংশ, নেবার আহ্বান জানান ৷ কেউই কিন্তু সাড়া দেয়নি ৷ সেনাপতি মুছান্না (রা)
বক্তব্য রাখলেন ৷ হযরত খালিদ (রা)-এর হাতে ইরাকের একটি বিরাট অংশে আল্লাহ্ তাআলা
মুসলমানদেরকে বিজয় দান করেছেন তিনি তা উল্লেখ করলেন ৷ ওখানে যে সকল ধন-সম্পদ ও
মালামাল মুসলমানদের হস্তপত হয়েছে তাও তিনি সকলকে অবহিত করলেন জ্যি তৃতীয়
দিনের আহ্বানেও কেউ সাড়া দেয়নি ৷ চতুর্থ দিনের আহ্বানের পর সর্বপ্রথম সাড়া দেন এবং

যুদ্ধে যেতে সম্মতি দেন আবু উবায়দ ইবন মন্সউদ ছাকাফী ৷ এরপর একের পর এক লোকজন
সাড়া দিতে শুরু করেন ;


هُمْ فِيهِ مِنْ مُصَابَرَةِ عَدُوِّهِمْ، وَمَا صَنَعَهُ الرُّومُ مِنْ تِلْكَ الْمَكِيدَةِ، إِلَّا أَنَّ الْمُسْلِمِينَ فِي عَيْشٍ رَغِيدٍ وَمَدَدٍ كَثِيرٍ، وَهُمْ عَلَى أُهْبَةٍ مِنْ أَمْرِهِمْ، وَأَمِيرُ هَذَا الْحَرْبِ شُرَحْبِيلُ ابْنُ حَسَنَةَ، وَهُوَ لَا يَبِيتُ وَلَا يُصْبِحُ إِلَّا عَلَى تَعْبِئَةٍ، وَظَنَّ الرُّومُ أَنَّ الْمُسْلِمِينَ عَلَى غِرَّةٍ، فَرَكِبُوا فِي بَعْضِ اللَّيَالِي لِيُبَيِّتُوهُمْ، وَعَلَى الرُّومِ سِقْلَابُ بْنُ مِخْرَاقَ، فَهَجَمُوا عَلَى الْمُسْلِمِينَ فَنَهَضُوا إِلَيْهِمْ نَهْضَةَ رَجُلٍ وَاحِدٍ ; لِأَنَّهُمْ عَلَى أُهْبَةٍ دَائِمًا، فَقَاتَلُوهُمْ حَتَّى الصَّبَاحِ وَذَلِكَ الْيَوْمَ بِكَمَالِهِ إِلَى اللَّيْلِ، فَلَمَّا أَظْلَمَ اللَّيْلُ فَرَّ الرُّومُ وَقُتِلَ أَمِيرُهُمْ سِقْلَابُ، وَرَكِبَ الْمُسْلِمُونَ أَكْتَافَهُمْ وَأَسْلَمَتْهُمْ هَزِيمَتُهُمْ إِلَى ذَلِكَ الْوَحْلِ الَّذِي كَانُوا قَدْ كَادُوا بِهِ الْمُسْلِمِينَ، فَغَرَّقَهُمُ اللَّهُ فِيهِ، وَقَتَلَ مِنْهُمُ الْمُسْلِمُونَ بِأَطْرَافِ الرِّمَاحِ مَا قَارَبَ الثَّمَانِينَ أَلْفًا، لَمْ يَنْجُ مِنْهُمْ إِلَّا الشَّرِيدُ، وَغَنِمُوا مِنْهُمْ شَيْئًا كَثِيرًا وَمَالًا جَزِيلًا، وَانْصَرَفَ أَبُو عُبَيْدَةَ وَخَالِدٌ بِمَنْ مَعَهُمَا مِنَ الْجُيُوشِ نَحْوَ حِمْصَ، كَمَا أَمَرَ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرُ بْنُ الْخِطَابِ، وَاسْتَخْلَفَ أَبُو عُبَيْدَةَ عَلَى الْأُرْدُنِّ شُرَحْبِيلَ ابْنَ حَسَنَةَ، فَسَارَ شُرَحْبِيلُ وَمَعَهُ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ، فَحَاصَرَ بَيْسَانَ، فَخَرَجُوا إِلَيْهِ فَقَتَلَ مِنْهُمْ مَقْتَلَةً عَظِيمَةً، ثُمَّ صَالَحُوهُ عَلَى مِثْلِ مَا صَالَحَتْ عَلَيْهِ دِمَشْقُ، وَضَرَبَ عَلَيْهِمُ الْجِزْيَةَ، وَالْخَرَاجَ عَلَى أَرَاضِيهِمْ، وَكَذَلِكَ فَعَلَ أَبُو الْأَعْوَرِ السَّلَمِيُّ بِأَهْلِ طَبَرِيَّةَ سَوَاءً. [مَا وَقَعَ بِأَرْضِ الْعِرَاقِ] فَصْلٌ فِيمَا وَقَعَ بِأَرْضِ الْعِرَاقِ فِي هَذِهِ الْمُدَّةِ مِنَ الْقِتَالِ. قَدْ قَدَّمْنَا أَنَّ الْمُثَنَّى بْنَ حَارِثَةَ لَمَّا سَارَ خَالِدٌ مِنَ الْعِرَاقِ بِمَنْ صَحِبَهُ إِلَى
পৃষ্ঠা - ৫৪১৯
الشَّامِ - وَقَدْ قِيلَ: إِنَّهُ سَارَ بِتِسْعَةِ آلَافٍ. وَقِيلَ: بِثَلَاثَةِ آلَافٍ. وَقِيلَ: بِسَبْعِمِائَةٍ. وَقِيلَ: بِأَقَلَّ. إِلَّا أَنَّهُمْ صَنَادِيدُ جَيْشِ الْعِرَاقِ - فَأَقَامَ الْمُثَنَّى بِمَنْ بَقِيَ، فَاسْتَقَلَّ عَدَدَهُمْ، وَخَافَ مِنْ سَطْوَةِ الْفُرْسِ لَوْلَا اشْتِغَالُهُمْ بِتَبْدِيلِ مُلُوكِهِمْ وَمَلِكَاتِهِمْ، وَاسْتَبْطَأَ الْمُثَنَّى خَبَرَ الصِّدِّيقِ، فَسَارَ إِلَى الْمَدِينَةِ فَوَجْدَ الصِّدِّيقَ فِي السِّيَاقِ، فَأَخْبَرَهُ بِأَمْرِ الْعِرَاقِ، فَأَوْصَى الصِّدِّيقُ عُمَرَ أَنْ يَنْدُبَ النَّاسَ لِقِتَالِ أَهْلِ الْعِرَاقِ، فَلَمَّا مَاتَ الصِّدِّيقُ وَدُفِنَ لَيْلَةَ الثُّلَاثَاءِ، أَصْبَحَ عُمَرُ فَنَدَبَ النَّاسَ وَحَثَّهُمْ عَلَى قِتَالِ أَهْلِ الْعِرَاقِ، وَحَرَّضَهُمْ وَرَغَّبَهُمْ فِي الثَّوَابِ عَلَى ذَلِكَ، فَلَمْ يَقُمْ أَحَدٌ ; لِأَنَّ النَّاسَ كَانُوا يَكْرَهُونَ قِتَالَ الْفُرْسِ ; لِقُوَّةِ سَطْوَتِهِمْ، وَشِدَّةِ قِتَالِهِمْ، ثُمَّ نَدَبَهُمْ فِي الْيَوْمِ الثَّانِي وَالثَّالِثِ، فَلَمْ يَقُمْ أَحَدٌ وَتَكَلَّمَ الْمُثَنَّى بْنُ حَارِثَةَ فَأَحْسَنَ، وَأَخْبَرَهُمْ بِمَا فَتَحَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَى يَدَيْ خَالِدٍ مِنْ مُعْظَمِ أَرْضِ الْعِرَاقِ، وَمَا لَهُمْ هُنَالِكَ مِنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَمْلَاكِ وَالْأَمْتِعَةِ وَالزَّادِ، فَلَمْ يَقُمْ أَحَدٌ فِي الْيَوْمِ الثَّالِثِ، فَلَمَّا كَانَ الْيَوْمُ الرَّابِعُ كَانَ أَوَّلَ مَنِ انْتَدَبَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ مَسْعُودٍ الثَّقَفِيُّ، ثُمَّ تَتَابَعَ النَّاسُ فِي الْإِجَابَةِ، وَأَمَرَ عُمَرُ طَائِفَةً مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، وَأَمَّرَ عَلَى الْجَمِيعِ أَبَا عُبَيْدٍ هَذَا، وَلَمْ يَكُنْ صَحَابِيًّا، فَقِيلَ لِعُمَرَ: هَلَّا أَمَرْتَ عَلَيْهِمْ رَجُلًا مِنَ الصَّحَابَةِ؟ فَقَالَ: إِنَّمَا أُؤَمِّرُ أَوَّلَ مَنِ اسْتَجَابَ، إِنَّكُمْ إِنَّمَا سَبَقْتُمُ النَّاسَ بِنُصْرَةِ هَذَا الدِّينِ، وَإِنَّ هَذَا هُوَ الَّذِي اسْتَجَابَ قَبْلَكُمْ. ثُمَّ دَعَاهُ فَوَصَّاهُ فِي خَاصَّةِ نَفْسِهِ بِتَقْوَى اللَّهِ وَبِمَنْ مَعَهُ مِنَ