আল বিদায়া ওয়া আন্নিহায়া

سنة ثلاث عشرة من الهجرة

وقعة فحل

পৃষ্ঠা - ৫৪১৭


অঞ্চল জয় করেন ৷ বাআলা বান্ধের অধিবাসীগণ তার সাথে সন্ধি স্থাপন করে ৷ তিনি তাদের
জন্যে একটি চুক্তিপত্র ও নির্দেশনামা তৈরি করেছেন ৷ ইবনুল মুগীরা তার পিতা থেকে বর্ণনা
করেছেন যে, হযরত খালিদ এই শর্তে ওদের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন যে, ওদের ঘরবাড়ি ও
উপাসনালয়গুলাে অর্ধেক অর্ধেক হারে মুসলমানদের অধিকারে আসবে এবং তাদের জিঘৃয়াকর
রহিত হবে ৷ ইবন ইসহাক ও অন্যরা বলেন যে, ১৪ হিজরী সনের যুলকড়াদা মাসে সেনাপতি
আবু উবায়দা (রা) এর হাতে সমঝোতা ও সন্ধির মাধ্যমে হিম্স ও বআেলা বাক্কা রাজ্য জয়
করা হয় ৷ কারো কারো মতে এই জয় সংঘটিত হয় ১৫ হিজরী সনে ৷

ফিহ্ল-এর যুদ্ধ
অধিকাংশ ইতিহাসবিদ উল্লেখ করেছেন যে, দামেশক বিজয়ের পুর্বে ফিহ্লের যুদ্ধ
সংঘটিত হয়েছে ৷ তবে ইমাম আবু জাফর ইবন জারীর বলেছেন যে, সেটি স ঘটিত হয়েছে
দামেশক বিজয়ের পর, সায়ফ ইবন উমরের বর্ণনাও তা সমর্থন করে ৷ সড়ায়ফ ইবন উমর আবু
উছমান ইয়াযীদ ইবন উসায়দ গাসৃসানী ও আবু হারিছ কায়সী থেকে বর্ণনা করেছেন ৷ র্তারা
দু জলে বলেছেন যে মুসলিম সৈন্যগণ ইয়াযীদ ইবন আবুসুফিয়ান (রা) ণ্ক তার অশ্বরোহীসহ
দামেশকে রেখে সম্মুখে অগ্রসর হয় ৷ তারা অগ্ৰাভিযান চালায় ফিহ্ল রাজ্যের উদ্দেশ্যে ৷ তখন
গাওর অঞ্চলে অবস্থানকারী মুসলিম সৈন্যদের সেনাপতি ছিলেন শুরাহ্বীল ইবন হাসানা (রা) ৷
এই অভিযানে হযরত আবু উবায়দা (রা) অংশ নেন, তিনি সম্মুখ বাহিনীর দায়িতৃ দেন খালিদ
ইবন ওয়ালীদ (রা)-কে ৷ ডান পার্শ্বস্থু বাহিনীর দায়িত্বে আবুউবায়দা এবং বাম পড়ার্শের বাহিনীর
দায়িত্বে ছিলেন আময় ইবন আস (বা) ৷ অশ্বারোহী বাহিনীর দায়িত্ব ঢিরোর ইবন আয়ওয়ার এবং
পদাতিক বাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন ইয়ড়ায ইবন পানাম ৷ র্তারা ফিহ্ল গিয়ে পৌছলেন ৷ সেটি
গাওর অঞ্চলের একটি শহর ৷ রোমানগণ বীসান এসে জড়ো হয় ৷ ওরা সেখানকার সব পানি
সকল জমিতে ছেড়ে দেয় ৷ পানিতে জমিগুলাে সয়লাব হয়ে যায় ৷
মুসলিম সৈন্য ও রোমান সৈন্যদের মাঝে অস্তরায় হয়ে দাড়ায় ওই পানিসি ক্ত জমিগুলাে ৷

মুসলিমগণ রোমানদের এই কুটকৌশল ও প্রতারণামুলক কার্যক্রম খলীফা উমর (রা)-এর
পােচরীভুত করেন ৷ তারা এও জানান যে, মুসলমানগণ বেশ ভাল অবস্থানে আছে এবং পুর্ণ

প্রস্তুতি নিয়ে আছে ৷ এই যুদ্ধে সেনাপতি ছিলেন শুরাহ্বীল ইবন হাসানা (রা) ৷ দিনে-রাতে
তিনি ভীষণ পরিশ্রম করছিলেন ৷ রোমানগণ মনে করেছিল যে, মুসলমানগণ অসতর্কও উদা সীন
হয়ে আছে ৷ হঠাৎ আক্রমণে পরাভুত করার লক্ষে! একরাতে তারা মুসলমানদের উপর হামলা
চালায় ৷ তখন রোমানদের সেনাপতি ছিল সাকলাব ইবন মিখরাক ৷ তারা মুসলমানদের উপর
হঠাৎ আক্রমণ করে ৷ একযোগে পাল্টা আক্রমণ চালায় মুসলমানগণ তাদের উপর ৷ কারণ
মুসলমার্লগণ সার্বক্ষণিক সতর্ক ও প্রস্তুত ছিলেন ৷ উভয় পক্ষে সকাল পর্যন্ত এবং ওই দিন সন্ধ্যা
পর্যন্ত প্রচণ্ড লড়ইি চলল ৷ রাতের গভীর অন্ধকার নেমে আমার সাথে সাথে রােমানগণ পালিয়ে
যায় ৷ ওদের সেনাপতি সাকলাব নিহত হয় ৷ মুসলমানগণ ওদের ঘাড়ে আক্রমণ করতে থাকে ৷
পালাতে পালাতে ওরা ওই জলরাশিতে গিয়ে পড়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে তারা যা তৈরি
করেছিল ৷ আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ওই জলরাশিতে ডুবিয়ে মারেন ৷


أَنْصَافِ مَنَازِلِهِمْ وَكَنَائِسِهِمْ، وَوَضْعِ الْخَرَاجِ. وَقَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ وَغَيْرُهُ: وَفِي سَنَةِ أَرْبَعَ عَشْرَةَ فُتِحَتْ حِمْصُ وَبَعْلَبَكُّ صُلْحًا عَلَى يَدَيْ أَبِي عُبَيْدَةَ فِي ذِي الْقِعْدَةِ. قَالَ خَلِيفَةُ: وَيُقَالُ فِي سَنَةِ خَمْسَ عَشْرَةَ. [وَقْعَةُ فِحْلٍ] ٍ، بِكَسْرِ الْفَاءِ، قِيلَ: وَالْحَاءُ. وَالصَّحِيحُ تَسْكِينُهَا. وَقَدْ ذَكَرَهَا كَثِيرٌ مِنْ عُلَمَاءِ السِّيَرِ قَبْلَ فَتْحِ دِمَشْقَ، وَإِنَّمَا ذَكَرَهَا الْإِمَامُ أَبُو جَعْفَرِ بْنُ جَرِيرٍ بَعْدَ فَتْحِ دِمَشْقَ، وَتَبِعَ فِي ذَلِكَ سِيَاقَ سَيْفِ بْنِ عُمَرَ، فِيمَا رَوَاهُ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ يَزِيدَ بْنِ أَسِيدٍ الْغَسَّانِيِّ وَأَبِي حَارِثَةَ الْعَبْشَمِيِّ قَالَا: خَلَّفَ النَّاسُ يَزِيدَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ فِي خَيْلِهِ فِي دِمَشْقَ، وَسَارُوا نَحْوَ فِحْلٍ، وَعَلَى النَّاسِ الَّذِينَ هُمْ بِالْغَوْرِ شُرَحْبِيلُ ابْنُ حَسَنَةَ، وَسَارَ أَبُو عُبَيْدَةَ وَقَدْ جَعَلَ عَلَى الْمُقَدِّمَةِ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ، وَأَبُو عُبَيْدَةَ عَلَى الْمَيْمَنَةِ، وَعَمْرُو بْنُ الْعَاصِ عَلَى الْمَيْسَرَةِ، وَعَلَى الْخَيْلِ ضِرَارُ بْنُ الْأَزْوَرِ، وَعَلَى الرَّجَّالَةِ عِيَاضُ بْنُ غَنْمٍ، فَوَصَلُوا إِلَى فِحْلٍ، وَهِيَ بَلْدَةٌ بِالْغَوْرِ، وَقَدِ انْحَازَ الرُّومُ إِلَى بَيْسَانَ، وَأَرْسَلُوا مِيَاهَ تِلْكَ الْأَرَاضِي عَلَى مَا هُنَالِكَ مِنَ الْأَرَاضِي، فَحَالَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ الْمُسْلِمِينَ، وَأَرْسَلَ الْمُسْلِمُونَ إِلَى عُمَرَ يُخْبِرُونَهُ بِمَا