আল বিদায়া ওয়া আন্নিহায়া

سنة ثلاث عشرة من الهجرة

فتح البقاع

পৃষ্ঠা - ৫৪১৫


উদ্ধৃত হযরত আলী (রা)-এর হাদীসের ৷ হযরত আলী (রা) থেকে মােজ৷ মসেহ করার বিধান
সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, মােজ৷ মসেহর মুদ্দত বা মেয়াদ মুসাফিরের জন্যে তিন দিন তিন রাত
আর মুর্কীম বা স্থানীয় লোকের জন্য একদিন এক রাত ৷ কেউ কেউ মুসাফিরের ক্ষেত্রে
বার্তাবাহক এবং বার্তাবাহক নয় এই দৃষ্টিকোণ থেকে ভিন্ন জ্যি বিধান সাব্যস্ত করেন ৷ তারা
বলেন যে, মুসাফির যদি বার্তাবাহক হয় তাহলে তার মোজা মসেহর জন্যে কোন মেয়াদ থাকবে
না ৷ আর অন্যদের জন্যে নির্দিষ্ট মেয়াদ প্রযোজ্য হবে ৷ উকৰা (রা) ও হযরত আলী (রা)-এর
হাদীস দ্বারা তারা প্রমাণ উপস্থাপিত করেন ৷ আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

এরপর হযরত আবু উবায়দা (রা) হযরত খালিদ ইবন ওয়ালীদর্কে পাঠালে ন ৷ বিকা’
অঞ্চলে ৷ যুদ্ধ করে তিনি ওই অঞ্চল জয় করেন ৷ তিনি অপর একটি সেনা অভিযান প্রেরণ
করেন ৷ মীসনুনের এক কুয়াের নিকট তারা রোমানদের মুখোমুখি হয় ৷ সেখানে
রোমান-অধিনায়ক ছিল সিনান নামের এক লোক ৷ বৈরুতে র পাহাড়ী অঞ্চল থেকে তারা দ্রুত
গতিতে এসে মুসলমানদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে ৷ ওই দিন বহু মুসলমান শহীদ হন ৷ এর ফলে
ওই কুয়াের নাম হয় শহীদী কুয়াে’ ৷ সেনাপতি ৩আবু উবায়দা (রা) হযরত আবু বকর সিদ্দীক
(রা) এর পুর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইয়াযীদ ইবন আবুসুফিয়ানকে দামেশকের শাসনকর্তা নিয়োগ
করেন ৷ ইয়াযীদ তখন দিহ্য়া ইবন খালীফকে একদল সৈন্যসহ তাদমুর প্রেরণ করেন
ওখানকার পরিবেশ উন্নয়নের জন্যে ৷ ৷ তিনি আবু যাহরা কুশায়রীকে প্রেরণ করেন বাছানিয়াহ
ও হুরান অঞ্চলে ৷ ওখানকার অধিবাসীপণ সন্ধি সম্পাদন করে ৷

আবু উবায়দা কাসিম ইবন সাল্লাম বলেন, হযরত খালিদ (রা) দামেশৃক জয় করেছেন সন্ধি
ও সমঝোতার মাধ্যমে ৷ অনুরুপভাবে সিরিয়ার সকল নগর ও শহর সমঝোতার মাধ্যমে জয়
করা হয়েছে ৷ জমি ও ভু-সম্পত্তিগুলো অবশ্য বিজিত হয়েছে ইয়াযীদ ইবন আবু সুফিয়ান,
শুরাহবীল ইবন হাসানা এবং আবু উবায়দা (রা)-এর হাতে ৷

ওয়ালীদ ইবন মুসলিম বলেন, দামেশকের একাধিক বয়স্ক ও বিজ্ঞজন আমাদের
জানিয়েছেন যে, আমরা দামেশকে অবরুদ্ধ ছিলাম ৷ হঠাৎ সালামী পর্বত থেকে ব্লেশযী বস্তে
মুখাবৃত একদল অশ্বরোহী প্রচণ্ড গতিতে এগিয়ে আসে মুসলমানদের দিকে ৷ মুসলমানগণ বীর
যিক্রমে ঝাপিয়ে পড়ে ওদের উপর ৷ বায়ত লাহ্য়া এবং ওই পর্বতের মাঝখানে উভয় পক্ষ যুদ্ধে
লিপ্ত হয় ৷ মুসলমানগণ ওদেরকেপরাজিত করেন এবং হিমৃস দরজার দিকে গড়িরে নিয়ে যান ৷
হিম্স অধিবাসীগণ এই অবস্থা প্রত্যক্ষ করে ৷ তারা মনে করেছিল যে, মুসলমানগণ দামেশক
জয় করে নিয়েছে ৷ তারা প্রস্তাব পাঠায় যে, দামেশকের অধিবাসীপণ যে নিয়মে সমঝোতা ও
সন্ধি স্থাপন করেছে আমরাও তাই করতে চাই ৷ তারপর মুসলমানদের সাথে ওরা সন্ধি স্থাপন
করে ৷

খালী ফা ইবন খায়য়াত বলেন, আবদুল্লাহ ইবন মুগীরা তার পিতা থেকে আমার নিকট

হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷ তিনি বলেছেন, শুরাহবীল ইবন হাসানা (রা) ত ৷রারিয়্যা ব্যতীত পুরো
জর্দান জয় করেছেন যুদ্ধের মাধ্যমে ও শক্তি প্ৰয়ােগে ৷ তারাবিয়্যাএর অধিৰাসীগণ তার সাথে
সমঝোতা ও সন্ধি স্থাপন করেন ৷ ইবন কালবী অনুরুপ বলেছেন ৷ তারা দুজনেই বলেছেন যে,
সর্বাধিনায়ক হযরত আবুউবায়দা (রা) হযরত থালিদ (রা)-কে প্রেরণ করেছিলেন ৷ তিনি বিক্কা


الْحَارِثِ وَغَيْرُ وَاحِدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّهُ بَعَثَهُ أَبُو عُبَيْدَةَ بَرِيدًا بِفَتْحِ دِمَشْقَ. قَالَ: فَقَدِمْتُ عَلَى عُمَرَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَ لِي: مُنْذُ كَمْ لَمْ تَنْزِعْ خُفَّيْكَ؟ فَقُلْتُ: مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَهَذَا يَوْمُ الْجُمُعَةِ. فَقَالَ: أَصَبْتَ السُّنَّةَ. قَالَ اللَّيْثُ: وَبِهِ نَأْخُذُ. يَعْنِي أَنَّ الْمَسْحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ لِلْمُسَافِرِ لَا يَتَأَقَّتْ، بَلْ لَهُ أَنْ يَمْسَحَ عَلَيْهِمَا مَا شَاءَ، وَإِلَيْهِ ذَهَبَ الشَّافِعِيُّ فِي الْقَدِيمِ. وَقَدْ رَوَى أَحْمَدُ وَأَبُو دَاوُدَ عَنْ أُبَيِّ بْنِ عُمَارَةَ مَرْفُوعًا مِثْلَ هَذَا، وَالْجُمْهُورُ عَلَى مَا رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ عَلِيٍّ فِي تَأْقِيتِ الْمَسْحِ ; لِلْمُسَافِرِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ، وَلِلْمُقِيمِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ. وَمِنَ النَّاسِ مَنْ فَصَلَ بَيْنَ الْبَرِيدِ وَمَنْ فِي مَعْنَاهُ وَغَيْرِهِ، فَقَالَ فِي الْأَوَّلِ: لَا يَتَأَقَّتُ. وَفِيمَا عَدَاهُ: يَتَأَقَّتُ ; لِحَدِيثِ عُقْبَةَ وَحَدِيثِ عَلِيٍّ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ. [فَتْحُ الْبِقَاعِ] فَصْلٌ فَتْحُ الْبِقَاعِ. ثُمَّ إِنَّ أَبَا عُبَيْدَةَ بَعَثَ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى الْبِقَاعِ فَفَتَحَهُ بِالسَّيْفِ، وَبَعَثَ سَرِيَّةً فَالْتَقَوْا مَعَ الرُّومِ بِعَيْنِ مَيْسَنُونَ، وَعَلَى الرُّومِ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: سِنَانٌ. تَحَدَّرَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ مِنْ عَقَبَةِ بَيْرُوتَ، فَقُتِلَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ يَوْمَئِذٍ جَمَاعَةٌ مِنَ
পৃষ্ঠা - ৫৪১৬
الشُّهَدَاءِ، فَكَانُوا يُسَمُّونَ عَيْنَ مَيْسَنُونَ عَيْنَ الشُّهَدَاءِ. وَاسْتَخْلَفَ أَبُو عُبَيْدَةَ عَلَى دِمَشْقَ يَزِيدَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ، كَمَا وَعَدَهُ بِهَا الصِّدِّيقُ، وَبَعَثَ يَزِيدُ دِحْيَةَ بْنَ خَلِيفَةَ إِلَى تَدْمُرَ فِي سَرِيَّةٍ لِيُمَهِّدُوا أَمْرَهَا، وَبَعَثَ أَبَا الزَّهْرَاءِ الْقُشَيْرِيَّ إِلَى الْبَثَنِيَّةِ وَحَوْرَانَ فَصَالَحَ أَهْلَهَا. قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ الْقَاسِمُ بْنُ سَلَّامٍ، رَحِمَهُ اللَّهُ: افْتَتَحَ خَالِدٌ دِمَشْقَ صُلْحًا، وَهَكَذَا سَائِرُ مُدُنِ الشَّامِ كَانَتْ صُلْحًا دُونَ أَرْضِهَا، فَعَلَى يَدَيْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ وَشُرَحْبِيلَ ابْنِ حَسَنَةَ وَأَبِي عُبَيْدَةَ. وَقَالَ الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ: أَخْبَرَنِي غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ شُيُوخِ دِمَشْقَ أَنَّ الْمُسْلِمِينَ بَيْنَمَا هُمْ عَلَى حِصَارِ دِمَشْقَ إِذْ أَقْبَلَتْ خَيْلٌ مِنْ عَقَبَةِ السَّلَمِيَّةِ مُخَمَّرَةٌ بِالْحَرِيرِ، فَثَارَ إِلَيْهِمُ الْمُسْلِمُونَ، فَالْتَقَوْا فِيمَا بَيْنَ بَيْتِ لَهْيَا وَالْعَقَبَةِ الَّتِي أَقْبَلُوا مِنْهَا، فَهَزَمُوهُمْ وَطَرَدُوهُمْ إِلَى أَبْوَابِ حِمْصَ، فَلَمَّا رَأَى أَهْلُ حِمْصَ ذَلِكَ ظَنُّوا أَنَّهُمْ قَدْ فَتَحُوا دِمَشْقَ، فَقَالَ لَهُمْ أَهْلُ حِمْصَ: إِنَّا نُصَالِحُكُمْ عَلَى مَا صَالَحْتُمْ عَلَيْهِ أَهْلَ دِمَشْقَ. فَفَعَلُوا. وَقَالَ خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: افْتَتَحَ شُرَحْبِيلُ ابْنُ حَسَنَةَ الْأُرْدُنَّ كُلَّهَا عَنْوَةً مَا خَلَا طَبَرِيَّةَ، فَإِنَّ أَهْلَهَا صَالَحُوهُ. وَهَكَذَا قَالَ ابْنُ الْكَلْبِيِّ. وَقَالَا: بَعَثَ أَبُو عُبَيْدَةَ خَالِدًا فَغَلَبَ عَلَى أَرْضِ الْبِقَاعِ وَصَالَحَهُ أَهَلُ بَعْلَبَكَّ وَكَتَبَ لَهُمْ كِتَابًا، وَقَالَ ابْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ أَبِيهِ: وَصَالَحَهُمْ عَلَى