سنة ثلاث عشرة من الهجرة
خلافة عمر بن الخطاب رضي الله عنه وأرضاه
بداية خلافته رضي الله عنه
পৃষ্ঠা - ৫৪০২
হযরত উমর (রা) এর খিলাফত লাভ
সোমবার বিকেলে হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা)-এর ওফাত হয়, কারো মতে তার
ওফাত হয় মাপরিবের পর, ওই রাতে র্তাকে দাফন করা হয় ৷ হিজরী তেব সনের জুমাদাল
উখরা মাসের আটদিন অবশিষ্ট থাকতে তর ইনৃতিকাল হয় ৷ ১৫ দিন যাবত তিনি অসুস্থ
ছিলেন ৷ অসুস্থতার এই মেয়াদে তার অবর্তমানে হযরত উমর (রা) নামাযের ইমামতি
করেছিলেন ৷ এই যেয়াদেই তিনি পরবর্তী খলীফা হিসেবে হযরত উমর (রা)-এর মনােয়ন
চুড়ান্ত করেন ৷ এই অঙ্গীকারপত্র লিখেছিলেন হযরত উসমান (বা) ৷ এটি মুসলমান আম
জনতার সামনে পাঠ করা হয় ৷ সবাই স্বীকার করে নেন এবং হযরত উমর (রা)-এর খলীফা
মনোনয়ন সকলে মেনে নেন এবং তারা তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ ও তার নির্দেশ পালনের
অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন৷ হযরত আবু বকর (রা) এর খিলাফতকার্ল ছিল ২ বছর ৩ মাস ৷
ইনতিক৷ ৷লের সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর ৷ রাসুলুল্লাহ্ৰুহুষ্;দ্বু ও ৬৩ বছর বয়সে ইন্তিকাল
করেছেন ৷ তাদের দু জন জীবন ও আযুর ক্ষেত্রে যেমন কাছাকা ৷ছি ছিলেন মাটিতে তথা কবরেও
তারা দু’জন পাশাপাশি অবস্থান করছেন ৷ আল্লাহ তাআলা হযরত সিদ্দীক-ই-আকবরের প্ৰতি
সন্তুষ্ট হন এবং তাকে সন্তুষ্ট করুনা
মুহাম্মদ ইবন সা দ আবু কৃতন আমর ইবন হায়ছাম সুত্রে রাবী ইবন৷ হা সসান থেকে বর্ণনা
করেন যে, তিনি বলেছেন, হযরত আবু বকর (রা) এর আৎটির উপর লেখাছিল fl&fl ;;;
ণ্াএ ৷ আল্লাহ্ তা জানা কতই না শক্তিমান৷ অবশ্য এই বর্ণনাটি অপরিচিত ৷ হযরত আবু বকর
সিদ্দীক (রা) এর জীবন-চরিত , তার বর্ণনা করা হাদীস এবৎ৩ ওার থেকে বর্ণিত বিধি বিধানগুলাে
আমরা একটি পুর্ণ খণ্ডে সন্নিবেশিত করেছি ৷ সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর ৷
হযরত আবু বকর (রা)-এর পর পুর্ণতা সহকারে শাসন পরিচালনার দায়িত্ব নিলেন
আমীরুল মুমিনীন হযরত উমর ফারুক (রা) ৷ তিনিই সর্বপ্রথম আমীরুল মু’মিনীন উপাধিতে
ভুষিত হলেন ৷ সর্বপ্রথম তাকে আমীরুল মু’মিনীন সম্বোধন করেন মুপীর৷ ইবন ভাষা (বা)
মতান্তরে অন্য কেউ তা করেছে ৷ হযরত উমর (রা)-এর জীবন-চরিত বিষয়ক একটি পুর্ণ ও
পৃথক গ্রন্থে আমরা ওই বিষয়টি আলোচনা করেছি ৷৩ তীর বর্ণনা করা হাদীসগুলাে এবং তার
দেয়৷ মস্তব্যগুলে৷ বিভিন্ন অধ্যায়ে সাজিয়ে আমরা অন্য একটি গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছি ৷ সকল
প্রশংসা মহান আল্লাহ্র ৷
খলীফা উমর (রা) হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা)-এর ওফাতের সংবাদ জানিয়ে চিঠি
পাঠালেন সিরিয়ার অবস্থানরত সেনাপতিদের নিকট ৷ চিঠি নিয়ে গেলেন শাদ্দাদ ইবন আওস
এবং মুহাম্মদ ইবন জুরায়জ ৷ পত্রবাহক দু’জন যখন সেখানে পৌছলেন তখন মুসলিম
সেনাবাহিনী ইয়ারমুক যুদ্ধের দিনে রোমান সৈন্যদের মুকাবিলা করার জন্যে সারিবদ্ধ ও পুর্ণ
[خِلَافَةُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَأَرْضَاهُ]
[بِدَايَةُ خِلَافَتِهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ]
كَانَتْ وَفَاةُ الصِّدِّيقِ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فِي يَوْمِ الِاثْنَيْنِ عَشِيَّةً. وَقِيلَ: بَعْدَ الْمَغْرِبِ. وَدُفِنَ مِنْ لَيْلَتِهِ، وَذَلِكَ لِثَمَانٍ بَقِينَ مِنْ جُمَادَى الْآخِرَةِ سَنَةَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ، بَعْدَ مَرَضٍ خَمْسَةَ عَشَرَ يَوْمًا. وَكَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يُصَلِّي عَنْهُ فِيهَا بِالْمُسْلِمِينَ، وَفِي أَثْنَاءِ هَذَا الْمَرَضِ عَهِدَ بِالْأَمْرِ مِنْ بَعْدِهِ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخِطَابِ، وَكَانَ الَّذِي كَتَبَ الْعَهْدَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانِ، وَقُرِئَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ فَأَقَرُّوا بِهِ وَسَمِعُوا لَهُ وَأَطَاعُوا، فَكَانَتْ خِلَافَةُ الصِّدِّيقِ سَنَتَيْنِ وَثَلَاثَةَ أَشْهُرٍ وَعَشَرَةَ أَيَّامٍ. وَقِيلَ: وَعِشْرِينَ يَوْمًا. وَقِيلَ: سَنَتَيْنِ وَأَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ. وَكَانَ عُمُرُهُ يَوْمَ تُوُفِّيَ ثَلَاثًا وَسِتِّينَ سَنَةً، لِلسِّنِّ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَدْ جَمَعَ اللَّهُ بَيْنَهُمَا فِي التُّرْبَةِ كَمَا جَمَعَ بَيْنَهُمَا فِي الْحَيَاةِ، فَرَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَأَرْضَاهُ.
قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي قَطَنٍ عَمْرِو بْنِ الْهَيْثَمِ، عَنِ الرَّبِيعِ، عَنْ حِبَّانَ الصَّائِغِ قَالَ: كَانَ نَقْشُ خَاتَمِ أَبِي بَكْرٍ: نِعْمَ الْقَادِرُ اللَّهُ. وَهَذَا غَرِيبٌ، وَقَدْ ذَكَرْنَا تَرْجَمَةَ الصِّدِّيقِ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، وَسِيرَتَهُ وَأَيَّامَهُ، وَمَا رَوَى مِنَ الْأَحَادِيثِ، وَمَا رُوِيَ عَنْهُ مِنَ الْأَحْكَامِ، فِي مُجَلَّدٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ.
পৃষ্ঠা - ৫৪০৩
প্রস্তুত ছিল ৷ এটি আমরা পুর্বে উল্লেখ করেছি ৷ ওই চিঠিতে হযরত উমর (রা) আবু উবায়দা
(রা)-কে সর্বাধিনায়ক নিয়োগ ও খালিদ (রা)-ণ্ক অধিনায়কত্বের দায়িত্ব থেকে বরখাস্তের
আদেশ দেন ৷ সালামা উল্লেখ করেছেন, মুহাম্মদ ইবন ইসহাক বলেছেন যে, হযরত খালিদ (রা)
সম্বন্ধে কিছু আপত্তিকর তথ্য হযরত উমর (রা)-এর গোচরীতুত হওয়ায় তিনি তাকে বরখাস্ত
করেন ৷ মালিক ইবন নুওয়ইিরা-এর ঘটনা এবং যুদ্ধে হযরত খালিদের প্রতি গণ-আন্থা ইত্যাদি
বিষয়ও তার বরখান্তে ভুমিকা পালন করে ৷ হযরত উমর (রা) শাসনভার গ্রহণের পর সর্বপ্রথম
যে কাজটি করেন তাহলো খালিদ (রা)-কে অপসারণ করা ৷ তিনি মন্তব্য করেছেন যে, আমার
অন্য কোন কাজ এর সমতুল্য হবে না ৷
উমর (রা) আবু উবায়দা (রা)-কে লিখলেন যে, খালিদ যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজেকে
মিথ্যাবড়াদী বলে স্বীকার করে তবে সে যেমনটি আছে সেনাপতিরুপে তেমনটি থাকবে ৷ আর
যদি নিজেকে মিথ্যাবাদীরুপে স্বীকৃতি না দেয় তাহলে সে বরখাস্ত ও অপসারিত হবে ৷ তখন
আপনি তার পাগড়ি খুলে নিবেন এবং তার মালামাল দৃ’ভাগ করে এক ভাগ সরকারী তহবিলে
নিয়ে নিবেন ৷ আবু উবায়দা (রা) খলীফার নির্দোশর কথা খালিদ (রা)-কে জানালেন ৷ খালিদ
(রা) বললেন, তবে একটু সময় দিন আমি আমার বোনের সাথে পরামর্শ করে দেখি ৷ তিনি
আপন বোন ফাতিমার নিকট গেলেন ৷
ফাতিমা তখন হারিছ ইবন হিশামের স্তী, তিনি তার সাথে পরামর্শ করলেন ৷ তার মতামত
চাইলেন ৷ তিনি বললেন, খলীফা উমর তো মুলত তোমাকে পছন্দ করেন না ৷ আজ তৃ টুন্
নিজেকে মিথ্যাবাদীরুপে স্বীকৃতি দিলে অবিলম্বে তিনি তোমাকে বরখাস্ত করবেনই ৷ হযরত
খালিদ (রা) বললেন, হীা, তা ঘটে,-আল্লাহর কসম ! তুমি ঠিকই বলেছ ৷ সঙ্গত কারণে হযরত
খালিদ অপসারিত হলেন ৷ নবনিযুক্ত সেনাপতি আবু উবায়দা (রা) খলীফার নির্দেশ মুতাবিক
খালিদ (রা)-এর মালামাল দৃ’ভাগ করে এক ভাগ সরকারী তহবিলে নিয়ে গেলেন ৷ এমনকি
তার দুটো জুতাের মধ্যে একটি জুতা নিয়ে নাম আর একটি খালিদ (রা)-এর জন্যে রেখে যান ৷
খালিদ (রা) বলছিলেন, খলীফার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করছি তার নির্দেশ মেনে নিচ্ছি ৷ ’
ইবন জারীর (র) বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবন কায়সান থেকে যে, তিনি বলেছেন, হযরত
উমর (রা) খিলাফতের দাযিতৃ গ্রহণের পর আবুউবায়দা (রা)-কে যে চিঠি লিখেন তাতে হযরত
খালিদের অপসারণ এবং আবু উবায়দা (রা)-এর নিয়ােগের বিষয়টি ছিল ৷ ওই পত্রে খলীফা
লিখেছেন, আমি আপনাকে আল্লাহ্র তাকওয়া অর্জনের আহ্বান জানাচ্ছি ৷ আল্লাহ্প্চিরদিন
থাকবেন আর সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে ৷ যিনি আমাদেরকে গোমরাহি থেকে হিদায়াতে
এসেছেন, অন্ধকার থেকে আলোতে এসেছেন ৷ আমি আপনাকে সে সকল,সৈড়ান্যর সেনাপতি
পদে নিয়োগ করলাম খালিদ যাদের সেনাপতি ছিলেন ৷ যথাযথভাবে আপনি ওদের দেখাশোনা
করুন ৷ নিজ কর্তব্য পালন করুন ৷ নিছক গনীমতের আশায় মুসলিম সৈন্যদেরকে মৃত্যুর মুখে
ঠেলে দিবেন না ৷ কোন স্থান সম্পার্ক বিস্তারিত ধোজ-খবর না নিয়ে এবং সেখানকার পরিবেশ
সম্বন্ধে অবগত না হয়ে সেনাবাহনীকে ওই স্থানে নিয়ে শিবির স্থাপন করবেন না ৷ অধিক সংখ্যক
সদস্য ব্যতীত কোন অভিযানে লোক পাঠাবেন না ৷ মুসলমানদেরকে অযথা মৃত্যুর মুখে ঠেলে
দেয়া থেকে আপনি নিজেকে রক্ষা করবেন ৷ মহান আল্পাহ্ আপনার দ্বারা আমাদের পরীক্ষা
فَقَامَ بِالْأَمْرِ مِنْ بَعْدِهِ أَتَمَّ الْقِيَامِ الْفَارُوقُ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرُ بْنُ الْخِطَابِ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، وَهُوَ أَوَّلُ مَنْ سُمِّيَ بِأَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، وَكَانَ أَوَّلَ مَنْ حَيَّاهُ بِهَا الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ، وَقِيلَ: غَيْرُهُ. كَمَا بَسَطْنَا ذَلِكَ فِي تَرْجَمَةِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَسِيرَتِهِ الَّتِي أَفْرَدْنَاهَا فِي مُجَلَّدٍ، وَمَسْنَدِهِ وَالْآثَارِ الْمَرْوِيَّةِ، مُرَتَّبًا عَلَى الْأَبْوَابِ فِي مُجَلَّدٍ آخَرَ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ.
وَقَدْ كَتَبَ بِوَفَاةِ الصِّدِّيقِ إِلَى أُمَرَاءِ الشَّامِ مَعَ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ، وَمَحْمِيَةَ بْنِ جَزْءٍ، فَوَصَلَا وَالنَّاسُ مُصَافُّونَ جُيُوشَ الرُّومِ يَوْمَ الْيَرْمُوكِ، كَمَا قَدَّمْنَا، وَقَدْ أَمَّرَ عُمَرُ عَلَى الْجُيُوشِ أَبَا عُبَيْدَةَ، وَعَزَلَ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ.
وَذَكَرَ سَلَمَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، أَنَّ عُمَرَ إِنَّمَا عَزَلَ خَالِدًا لِكَلَامٍ بَلَغَهُ عَنْهُ، وَلِمَا كَانَ مِنْ أَمْرِ مَالِكِ بْنِ نُوَيْرَةَ، وَمَا كَانَ يَعْتَمِدُهُ فِي حَرْبِهِ، فَلَمَّا وُلِّيَ عُمَرُ كَانَ أَوَّلَ مَا تَكَلَّمَ بِهِ أَنْ عَزَلَ خَالِدًا، وَقَالَ: لَا يَلِي لِي عَمَلًا أَبَدًا. وَكَتَبَ عُمَرُ إِلَى أَبِي عُبَيْدَةَ: إِنْ أَكْذَبَ خَالِدٌ نَفْسَهُ فَهُوَ أَمِيرٌ عَلَى مَا كَانَ عَلَيْهِ، وَإِنْ لَمْ يُكْذِبْ نَفْسَهُ فَهُوَ مَعْزُولٌ، فَانْزِعْ عِمَامَتَهُ عَنْ رَأْسِهِ وَقَاسِمْهُ مَالَهُ نِصْفَيْنِ. فَلَمَّا قَالَ أَبُو عُبَيْدَةَ ذَلِكَ لِخَالِدٍ قَالَ لَهُ خَالِدٌ: أَمْهِلْنِي حَتَّى أَسْتَشِيرَ أُخْتِي، فَذَهَبَ إِلَى أُخْتِهِ فَاطِمَةَ، وَكَانَتْ تَحْتَ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، فَاسْتَشَارَهَا فِي ذَلِكَ فَقَالَتْ لَهُ: إِنَّ عُمَرَ لَا يُحِبُّكَ أَبَدًا، وَإِنَّهُ سَيَعْزِلُكَ وَإِنْ أَكْذَبْتَ نَفْسَكَ. فَقَالَ لَهَا: صَدَقَتِ وَاللَّهِ. فَقَاسَمَهُ أَبُو عُبَيْدَةَ حَتَّى أَخَذَ إِحْدَى نَعْلَيْهِ وَتَرَكَ لَهُ الْآخَرَ، وَخَالِدٌ يَقُولُ:
পৃষ্ঠা - ৫৪০৪
سَمْعًا وَطَاعَةً لِأَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ.
وَقَدْ رَوَى ابْنُ جَرِيرٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ أَنَّهُ قَالَ: كَانَ أَوَّلَ كِتَابٍ كَتَبَهُ عُمَرُ إِلَى أَبِي عُبَيْدَةَ حِينَ وَلَّاهُ وَعَزَلَ خَالِدًا، أَنْ قَالَ: وَأُوصِيكَ بِتَقْوَى اللَّهِ الَّذِي يَبْقَى وَيَفْنَى مَا سِوَاهُ، الَّذِي هَدَانَا مِنَ الضَّلَالَةِ، وَأَخْرَجَنَا مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ، وَقَدِ اسْتَعْمَلْتُكَ عَلَى جُنْدِ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ، فَقُمْ بِأَمْرِهِمُ الَّذِي يَحِقُّ عَلَيْكَ، لَا تُقَدِّمِ الْمُسْلِمِينَ إِلَى هَلَكَةٍ رَجَاءَ غَنِيمَةٍ، وَلَا تُنْزِلْهُمْ مَنْزِلًا قَبْلَ أَنْ تَسْتَرِيدَهُ لَهُمْ، وَتَعْلَمَ كَيْفَ مَأْتَاهُ، وَلَا تَبْعَثْ سَرِيَّةً إِلَّا فِي كَثْفٍ مِنَ النَّاسِ، وَإِيَّاكَ وَإِلْقَاءَ الْمُسْلِمِينَ فِي الْهَلَكَةِ، وَقَدْ أَبْلَاكَ اللَّهُ بِي وَأَبْلَانِي بِكَ، فَغُضَّ بَصَرَكَ عَنِ الدُّنْيَا، وَأَلْهِ قَلْبَكَ عَنْهَا، وَإِيَّاكَ أَنْ تُهْلِكَكَ كَمَا أَهْلَكَتْ مَنْ كَانَ قَبْلَكَ، فَقَدْ رَأَيْتَ مَصَارِعَهُمْ. وَأَمَرَهُمْ بِالْمَسِيرِ إِلَى دِمَشْقَ، وَذَلِكَ بَعْدَمَا بَلَغَهُ الْخَبَرُ بِفَتْحِ الْيَرْمُوكِ وَجَاءَتْهُ بِهِ الْبِشَارَةُ، وَحُمِلَ الْخُمُسُ إِلَيْهِ.
وَقَدْ ذَكَرَ ابْنُ إِسْحَاقَ أَنَّ الصَّحَابَةَ قَاتَلُوا بَعْدَ الْيَرْمُوكِ بِأَجْنَادِينَ، ثُمَّ بِفِحْلٍ مِنْ أَرْضِ الْغَوْرِ قَرِيبًا مِنْ بَيْسَانَ بِمَكَانٍ يُقَالُ لَهُ: الرَّدْغَةُ. سُمِّيَ بِذَلِكَ لِكَثْرَةِ مَا لَقُوا مِنَ الْأَوْحَالِ فِيهَا، ثُمَّ لَمَّا فَرَّتِ الرُّومُ مِنْ هَذِهِ الْوَقْعَةِ أَلْجَأُوهُمْ إِلَى دِمَشْقَ، فَقَصَدُوهُمْ فِيهَا فَأَغْلَقُوهَا عَلَيْهِمْ، وَأَحَاطَ بِهَا الصَّحَابَةُ. قَالَ: وَحِينَئِذٍ جَاءَتِ الْإِمَارَةُ لِأَبِي عُبَيْدَةَ مِنْ جِهَةِ عُمَرَ، وَعُزِلَ خَالِدٌ. وَهَذَا الَّذِي ذَكَرَهُ ابْنُ إِسْحَاقَ