سنة ثلاث عشرة من الهجرة
وقعة جرت بالعراق بعد مجيء خالد إلى الشام
পৃষ্ঠা - ৫৩৯৯
হযরত খালিদের লিবিয়ার চলে আসার পর ইরাকে যা ঘটেছে
পারসিকদের রাজা ও ত ৷র পুত্র উতয়ে নিহত হবার পর ওরা শাহবিয়ার১ ইবন আবৃদশীর
ইবন শাহ্রিয়ারকে রাজা মনোনয়নে একমত ৩হয় ৷ ওদের নিকট থেকে হযরত খালিদের চলে
যাওয়াকে তারা সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে ৷ মুসলমানদেরকে পরাভুত করার জন্যে তারা
হযরত খালিদের স্থলাভিষিক্ত সেনাপতি ৩মুছান্নার বিরুদ্ধে এক বিশাল সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করে ৷
ওই বাহিনীর সৈন্য সং থ্যা ছিল দশ হাজার ৷ সেনাপতি নিযুক্ত হয়েছিল হরমুয ইবন হাদবিয়্যাহ ৷
শাহবিয়ার মুসলিম সেনাপতি মুছান্নাকে লিখেছিল যে, পারসিকদের মধ্যে জং লী স্বভাবের
একদল সৈনিক আমি তে ৷মার বিরুদ্ধে প্রেরণ করেছি ৷ ওরা মুলত ৩মুরপী ও শুকর চরানাে লোক ৷
তোমাদের মুকাবিলার জন্যে আমরা নিজেরা আসর না ৷ ওদেরকেই পাঠালাম ৷
তার পত্রের উত্তরে মুসলিম অধিনায়ক হযরত ঘুছান্ন৷ (রা) লিখলেন ৷ মুছান্নার পক্ষ থেকে
শাহ্রিয়ারের প্রতি, তুমি দু চরিত্রের যে কোন এক চবিত্রবান তো হবেই ৷ তুমি হয়ত
ন্ সতাদ্রোহী ৷ যদি তাই হও তবে তা তোমার জন্যে অকল্যাণ আর আমাদের জন্যে কল্যাণকর ৷
অথবা তুমি মিথ্যাবাদী ৷ যদি তইি হও৩ তবে জোন ব্লেখ, আল্লাহর নিকট জঘন ৷ শান্তি ভোপকারী
ও লাঞ্চুনাময় মিথ্যাবাদী হলো মিথ্যাবাদী-রার্জা বাদশাহগণ ৷ আমাদের মনে হচ্ছে যে যোদ্ধা
হিসেবে ওই রাখালদেরব্লুক প্রেরণ করতে তুমি বাধ্য হয়েছ ৷ সকল প্ৰশংস৷ মহান আল্লাহর, যিনি
তোমার ষড়যন্ত্রও ওচক্রাতকে মুরগীপালক ও শুকর রাখালের প্ৰতি ন্যস্ত করেছেনা
বর্ণনাকারী বলেন, এই চিঠি পেয়ে পারসিকগণ অস্থির ও অশান্ত হয়ে ওঠে ওই চিঠি
শাহ্রিয়ারের বুদ্ধি-বিবেককে তারা অপরিপকৃ ও অপবিণামদর্ণীরুপে জ্ঞান করে৷ মুসলিম
অধিনায়ক মুছান্ন৷ তার সৈনাবাহিনী নিয়ে হাররা থেকে ব্যাবলন গমন করেন ৷ আদওয়া তুস
সুরাতুল উলা এর নিকটবর্তী একটি স্থানে উভয় পক্ষের সেনাবাহিনী মুখোমুখি হয় ৷ সেখানে
ৎঘটিত হয় প্রচণ্ড যুদ্ধ ৷ মুসলমানদের অশ্বগুলোকে ছত্রতঙ্গ করার জন্যে ওরা সারির মধ্যে
একটি হাতি ছেড়ে দেয় ৷ মুসলিম অধিনায়ক ঘুছান্ন৷ নিজেই ওই হাতির উপর আক্রমণ চালান
এবং সেটিকে হত্যা করেন ৷ সেনাপতির নিদ্যেশ মুসলমানগণ ওদের উপর তীব্র আক্রমণ
পরিচালনা করে ৷ অতঃপর পারসিকদের পরাজয় ও পলায়ন ছাড়া সেখানে অন্য কিছু দেখা
যায়নি ৷ মুসলমানপণ ওদেরকে অতি দ্রুত হত্যা করতে থাকেন ৷ মুসলমানপণ ওদের নিকট
থেকে প্রচুর গনীমাতর মাল অর্জ্য করেন ৷ অ৩ তান্ত করুণ অবস্থায় পারসিকগণ পলায়ন করে
মাদাইন গিয়ে আশ্রয় নেয় ৷ তারা সেখানে গিয়ে দেখতে পায় যে, ওদের রাজা মারা গেছে ৷
এবার তারা কিসরার কন্যা বুরান বিনৃত আবরবীয (পারতেন) কে সিংহাসনে বসার, সে দেশে
ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে ৷ সুন্দর আদর্শে দেশ পরিচালনা করে ৷ এক বৎসর সাত মাস সে
শাসনকার্য পরিচালনা করে ৷
এরপর তার মৃত্যু হয় ৷ এরপর ওরা বুরানের বোন আযরমীদখত যিনান-এর হাতে শাসন
ক্ষমতা প্রদান করে ৷ সে দেশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়নি ৷ ফলে জনগণ তাকে বাদ
দিয়ে সাবুর ইবন শাহ্বিয়ারকে রাজা মনোনীত করে ৷ ফারখাযায ইবন বুনদুওয়ানকে তারা
১ তাবারীর বর্ণনা মতে শাহরবরায ৷
فَلَمَّا فُتِحَ حَمَلْتُ عَلَى الْبَوَّابِ فَطَعَنْتُهُ بِالرُّمْحِ فَقَتَلْتُهُ، ثُمَّ رَجَعْتُ وَالطَّلَبُ وَرَائِي، فَلَمَّا انْتَهَيْنَا إِلَى الرَّجُلِ الَّذِي فِي الطَّرِيقِ مِنْ أَصْحَابِي ظَنُّوا أَنَّهُ كَمِينٌ فَرَجَعُوا عَنِّي، ثُمَّ سِرْنَا حَتَّى أَخَذْنَا الْآخَرَ، وَجِئْتُ إِلَى أَبِي عُبَيْدَةَ فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا رَأَيْتُ، فَأَقَامَ أَبُو عُبَيْدَةَ يَنْتَظِرُ كِتَابَ عُمَرَ فِيمَا يَعْتَمِدُهُ مِنْ أَمْرِ دِمَشْقَ، فَجَاءَهُ الْكِتَابُ يَأْمُرُهُ بِالْمَسِيرِ إِلَيْهَا، فَسَارُوا إِلَيْهَا حَتَّى أَحَاطُوا بِهَا، وَاسْتَخْلَفَ أَبُو عُبَيْدَةَ عَلَى الْيَرْمُوكِ بَشِيرَ بْنَ كَعْبٍ، فِي خَيْلٍ هُنَاكَ.
[وَقْعَةٌ جَرَتْ بِالْعِرَاقِ بَعْدَ مَجِيءِ خَالِدٍ إِلَى الشَّامِ]
وَذَلِكَ أَنَّ أَهْلَ فَارِسَ اجْتَمَعُوا بَعْدَ مَقْتَلِ مَلِكِهِمْ وَابْنِهِ عَلَى تَمْلِيكِ شَهْرِيَارَ بْنِ أَرْدَشِيرَ بْنِ شَهْرِيَارَ، وَاسْتَغْنَمُوا غَيْبَةَ خَالِدٍ عَنْهُمْ، فَبَعَثُوا إِلَى نَائِبِهِ الْمُثَنَّى بْنِ حَارِثَةَ جَيْشًا كَثِيفًا نَحْوًا مِنْ عَشَرَةِ آلَافٍ، عَلَيْهِمْ هُرْمُزُ بْنُ جَاذَوَيْهِ، وَكَتَبَ شَهْرِيَارُ إِلَى الْمُثَنَّى: إِنِّي قَدْ بَعَثْتُ إِلَيْكَ جُنْدًا مِنْ وَحْشِ أَهْلِ فَارِسَ، إِنَّمَا هُمْ رُعَاةُ الدَّجَاجِ وَالْخَنَازِيرِ، وَلَسْتُ أُقَاتِلُكَ إِلَّا بِهِمْ. فَكَتَبَ إِلَيْهِ الْمُثَنَّى: مِنَ الْمُثَنَّى إِلَى شَهْرِيَارَ، إِنَّمَا أَنْتَ أَحَدُ رَجُلَيْنِ ; إِمَّا بَاغٍ فَذَلِكَ شَرٌّ لَكَ وَخَيْرٌ لَنَا، وَإِمَّا كَاذِبٌ فَأَعْظَمُ الْكَاذِبِينَ عُقُوبَةً وَفَضِيحَةً عِنْدَ اللَّهِ فِي النَّاسِ الْمُلُوكُ، وَأَمَّا الَّذِي يَدُلُّنَا عَلَيْهِ الرَّأْيُ فَإِنَّكُمْ إِنَّمَا اضْطُرِرْتُمْ إِلَيْهِمْ، فَالْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَدَّ كَيْدَكُمْ إِلَى رُعَاةِ الدَّجَاجِ
পৃষ্ঠা - ৫৪০০
রাজার অভিভাবক নিযুক্ত করে ৷ রাজা সাবুর কিসরার কন্যাও সাবেক রাণী আযরমীদখতের
সঙ্গে তারঅভিভাবকের ফারখাযায ইবন বুনদুওয়ানের বিয়ের ব্যবস্থা করেন ৷ রাজকন্যার তা
পছন্দ হয়নি ৷ সে বলেজ্জি, ওই ফারখাযায তো আমাদের গোলাম মাত্র ৷ বাসর রাতেই বাণীর
লোকেরা কারখাযাযকে হত্যা করে ৷ এরপর ঘাতকচক্র রাজা সাবুর এর নিকট যায় এবং তাকে
হত্যা করে ৷ তারা ক্ষমতাচ্যুত রাণী আযারমীদখতকে পুবরায় সিংহাসনে বসায় ওই মহিলাকে
ক্ষমতায় বসিয়ে পারসিকগণ প্রচুর ক্রীড়া কৌতুক ও আমােদ-আহলাসে লিপ্ত হয় ৷ শেষ পর্যন্ত
ওরা ওই মহিলাকেই শাসন ক্ষমতয় বসায় ৷ রাসুলুল্লাহ্ £:: বলেছিলেন-
ণ্
ছুট্রাপ্রুট্৷ ণ্ট্রুণ্১ণ্ষ্৷ ৷টুৰু ণ্,ও ৫া৷ ;া
“যারা কোন মহিলাকে তাদের কাজের দায়িত্বশীল ও নেতা ৷নর্বড়াচন করে সেই সম্প্রদায়
কখনো ধ্ সর্ফলকাম হবে না ৷ যে ঘটনা আমরা এখানে উল্লেখ করেছি সেটি সম্পর্কে আবদাহ্
ইবন তাবীব সাদী নির্দম্নর কবিতা আবৃত্তি করেছে ৷ আবদাহ্ ইৰ্ন তাবীব সাদী মুলত ওখানে
গিয়েছিল তার এক স্ত্রার কারণে ৷ ওই মহিলা স্বা দশট্র ত্যাগ করে দ্নেও গিয়েছিল ৷ এই সুত্রে
আবদচ্ছে ব্যবলনেব এই ঘটনায় হাজির হয় ৷ শেষ পর্যন্ত ওই যদি না তাকে নিরাশ করে ৷ ফলে
সে গ্রামে ফিরে যায় এবং বলে :
fl ’ ৷
ব্লুটুষ্টু ৰুাট্রুছু ৰুা৷
বিক্রুচ্ছদের পর খাওলার সাথে সম্পর্ক কি পুনঃস্থাপিত হবে, ম্যাক তুমি তার থেকে বিচ্ছিন্ন
হয়ে দুরে বহু দুরে অবস্থান করবে ৷
“ ৷
প্রেমিক প্রেমিকার জন্যে এমন কিছু স্মৃা৩ময় দিবস থ কে বা স্মরণযো গ্য ৷ পৃথক হওয়ার
পুর্বেকা র এদিক সেদিক যাওয়া ব্যাথ্যাসাপেক্ষ ৷
এ
প্রেমিকা খাওলা এসে পৌছোছ এমন এক গোত্রে যাদের সাথে সে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ৷ ওই
গোত্রের অবস্থান শহর৩ লিতে ৷ সেখানে রয়েছে প্রচুর মােরগ ও হাতির প্া৷ল ৷
১১’ণ্ ন্ান্ৰু
ওরা অনারবদের মাথায় আঘাত হানে ভােরাবলা ৷ ওদের মধ্যে আছে সুদক্ষ অশ্বারােহী
যোদ্ধা, ওরা পা-পিছলানাে লোকও নয়, ঢালতলােয়ার বিহীন ঘোদ্ধাৎ ন্হুন্ ৷
মুসলিম অধিনায়ক মুছান্ন৷ কতৃকি নিহত হ বিব ঘটনা“ ৬ল্পেখ করে করি ফারাযদাক তার
কবিতার বলেছেনং
ৰু ৷ ৰু১ঠু ন্টু
হাতি ৩হ্য৩ হ্যাকারী মুছান্নার ঘর তো ব্যবিলন রাজ্যে ৷ কারণ বাবিলনের রাজ্ঞতু ও শাসনভার
অশ্বারোহীদের হাতেই থাকে ৷ এদিকে সেনাপতি ৩মুছান্ন৷ খলীফ৷ সিদ্দীকইআকবর (রা) এর
وَالْخَنَازِيرِ. قَالَ: فَجَزِعَ أَهْلُ فَارِسَ مِنْ هَذَا الْكِتَابِ، وَلَامُوا شَهْرِيَارَ عَلَى كِتَابِهِ إِلَيْهِ وَاسْتَهْجَنُوا رَأْيَهُ، وَسَارَ الْمُثَنَّى مِنَ الْحَرَّةِ إِلَى بَابِلَ، وَلَمَّا الْتَقَى الْمُثَنَّى وَجَيْشَهُمْ بِمَكَانٍ عِنْدَ عُدْوَةِ الصَّرَاةِ الْأُولَى، اقْتَتَلُوا قِتَالًا شَدِيدًا جِدًّا، وَأَرْسَلَ الْفُرْسُ فِيلًا بَيْنَ صُفُوفِ الْخَيْلِ لِيُفَرِّقَ خُيُولَ الْمُسْلِمِينَ، فَحَمَلَ عَلَيْهِ أَمِيرُ الْمُسْلِمِينَ الْمُثَنَّى بْنُ حَارِثَةَ فَقَتَلَهُ، وَأَمَرَ الْمُسْلِمِينَ فَحَمَلُوا، فَلَمْ تَكُنْ إِلَّا هَزِيمَةُ الْفُرْسِ، فَقَتَلُوهُمْ قَتْلًا ذَرِيعًا، وَغَنِمُوا مِنْهُمْ مَالًا عَظِيمًا، وَفَّرَتِ الْفُرْسُ حَتَّى انْتَهَوْا إِلَى الْمَدَائِنِ فِي شَرِّ حَالَةٍ، وَوَجَدُوا الْمَلِكَ قَدْ مَاتَ، فَمَلَّكُوا عَلَيْهِمُ ابْنَةَ كِسْرَى بُورَانَ بِنْتَ أَبَرْوِيزَ، فَأَقَامَتِ الْعَدْلَ، وَأَحْسَنَتِ السِّيرَةَ، فَأَقَامَتْ سَنَةً وَسَبْعَةَ شُهُورٍ، ثُمَّ مَاتَتْ، فَمَلَّكُوا عَلَيْهِمْ أُخْتَهَا آزَرْمِيدُخْتَ زَنَانَ، فَلَمْ يَنْتَظِمْ لَهُمْ أَمْرٌ، فَمَلَّكُوا عَلَيْهِمْ سَابُورَ بْنَ شَهْرِيَارَ، وَجَعَلُوا أَمْرَهُ إِلَى الْفَرُّخْزَاذِ بْنِ الْبِنْدَوَانِ، فَزَوَّجَهُ سَابُورُ بِابْنَةِ كِسْرَى آزَرْمِيدُخْتَ، فَكَرِهَتْ ذَلِكَ وَقَالَتْ: إِنَّمَا هَذَا عَبْدٌ مِنْ عَبِيدِنَا. فَلَمَّا كَانَ لَيْلَةُ عُرْسِهَا عَلَيْهِ هَمُّوا إِلَيْهِ فَقَتَلُوهُ، ثُمَّ سَارُوا إِلَى سَابُورَ فَقَتَلُوهُ أَيْضًا، وَمَلَّكُوا عَلَيْهِمْ هَذِهِ الْمَرْأَةَ، وَهِيَ آزَرْمِيدُخْتُ ابْنَةُ كِسْرَى، وَلَعِبَتْ فَارِسُ بِمُلْكِهَا لَعِبًا كَثِيرًا، وَآخِرُ مَا اسْتَقَرَّ أَمْرُهُمْ عَلَيْهِ فِي هَذِهِ السَّنَةِ أَنْ مَلَّكُوا امْرَأَةً، وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمُ امْرَأَةً» .
وَفِي هَذِهِ الْوَقْعَةِ الَّتِي ذَكَرْنَا يَقُولُ عَبْدَةُ بْنُ الطَّبِيبِ السَّعْدِيُّ، وَكَانَ قَدْ هَاجَرَ لِمُهَاجَرَةِ حَلِيلَةٍ لَهُ حَتَّى شَهِدَ وَقْعَةَ بَابِلَ هَذِهِ، فَلَمَّا آيَسَتْهُ رَجَعَ إِلَى الْبَادِيَةِ وَقَالَ:.
পৃষ্ঠা - ৫৪০১
ঘোজ-খবর পাচ্ছিলেন না দীর্ঘদিন যাবত ৷ কারণ সিরিয়ার অভিযান এবং ইয়ারমুকের যুদ্ধ নিয়ে
তিনি খুবই ব্যস্ত ছিলেন ৷ এদিকটা মোটামুটি গুছিয়ে নিয়ে তিনি সশরীরে যাত্রা করলেন খলীফা
আবু বকর সিদ্দীক (রা)-এয় সাথে দেখা করার জন্য ৷ যাত্রার পুর্বে তিনি সাময়িকভাবে বাশীর
ইবন খাসাসিয়্যাকে ইরাকের শাসনভার এবং সাঈদ ইবন মুররড়া আজালীকে মাসালিহ-এর
শাসনভার হস্তান্তর করেন ৷ মুছান্ন৷ যখন মদীনায় এসে পৌছলেন তখন হযরত সিদ্দীক ই-
আকবর (রা) গুরুতর অসুস্থ ৷ এটি তার অস্তিম মুহুত ৷ ইতিমধ্যে তিনি পরবর্তী খলীফারুপে
হযরত উমর (রা) কে মনোনীত করে ফোলছেন ৷ হযরত ঘুছান্ন৷ (রা) কে দেখতে পেয়ে হযরত
আবু বকর (রা) হযরত উমর (রা)-কে ডেকে বললেন, আমার মৃত্যুর পর অবিলম্বে আপনি
মুছান্নার সাথে সেনাবাহিনী পাঠাবেন ইরাকীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে ৷ আর আমাদের
সেনাপতিদের হাতে যদি আল্পাহ্ তা আলা সিরিয়ার বিজয় দেন তবে খালিদকে ইরাকে পাঠিয়ে
দিবেন ৷ কারণ ইরাকে যুদ্ধ পরিচালনায় তিনি অধিকতর দক্ষ ও অভিজ্ঞ ৷
হযরত আবুবকর সিদ্দীক (রা) এর ইনতিকালের পর দ্বিতীয় খলীফা উমর (রা) ইরাকের
জিন্ ড়াদে অংশগ্রহচংার জন্যে ঘুসলমানদেরাক আহ্বান জানালেন ৷ কারণ খালিদ ইবন ওয়া ৷লীদের
প্ৰস্থানের পর সেখানে যুদ্ধ পরিচালনায় সক্ষম লোকের স খ্যা ছিল কম ৷ জিহাদের আহ্বানে
সাড়া দিলেন বহু লোক ৷ খলীফা উমর (রা ) আবুউবাযদা ইবন মাসউদ (রা)-কে অধিনায়ক
নিযুক্ত করলেন ৷ আবু উবাযদ৷ ইবন মাসউদ ছিলেন সাহসী যুবক বীর ৷ যুদ্ধের কলাকৌশল
তার খুব ভালই জানা ছিল ৷ হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা)-এর খিলাফতের শেষ পর্ব ও হযরত
উমরের খিলফোতর সুচনা পর্বে ইরাকের পরিস্থিতি এরকমই ছিল ৷
هَلْ حَبْلُ خَوْلَةَ بَعْدَ الْبَيْنِ مَوْصُولُ ... أَمْ أَنْتَ عَنْهَا بَعِيدُ الدَّارِ مَشْغُولُ
وَلِلْأَحِبَّةِ أَيَّامٌ تَذَكَّرُهَا ... وَلِلنَّوَى قَبْلَ يَوْمِ الْبَيْنِ تَأْوِيلُ
حَلَّتْ خُوَيْلَةُ فِي حَيٍّ عَهِدْتُهُمُ ... دُونَ الْمَدِينَةِ فِيهَا الدِّيكُ وَالْفِيلُ
يُقَارِعُونَ رُءُوسَ الْعُجْمِ ضَاحِيَةً ... مِنْهُمْ فَوَارِسُ لَا عُزْلٌ وَلَا مِيلُ
وَقَدْ قَالَ الْفَرَزْدَقُ فِي شِعْرِهِ يَذْكُرُ قَتْلَ الْمُثَنَّى ذَلِكَ الْفِيلَ:
وَبَيْتُ الْمُثَنَّى قَاتِلِ الْفِيلِ عَنْوَةً ... بِبَابِلَ إِذْ فِي فَارِسٍ مُلْكُ بَابِلِ
ثُمَّ إِنَّ الْمُثَنَّى بْنَ حَارِثَةَ اسْتَبْطَأَ أَخْبَارَ الصِّدِّيقِ لِتَشَاغُلِهِ بِأَهْلِ الشَّامِ، وَمَا فِيهِ مِنْ حَرْبِ الْيَرْمُوكِ الْمُتَقَدِّمِ ذَكَرُهُ، فَسَارَ الْمُثَنَّى نَفْسُهُ إِلَى الصِّدِّيقِ، وَاسْتَنَابَ عَلَى الْعِرَاقِ بَشِيرَ بْنَ الْخَصَاصِيَةِ، وَعَلَى الْمَسَالِحِ سَعِيدَ بْنَ مُرَّةَ الْعِجْلِيَّ، فَلَمَّا انْتَهَى الْمُثَنَّى إِلَى الْمَدِينَةِ وَجَدَ الصِّدِّيقَ فِي آخِرِ مَرَضِ الْمَوْتِ، وَقَدْ عَهِدَ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخِطَابِ، وَلَمَّا رَأَى الصِّدِّيقُ الْمُثَنَّى قَالَ لِعُمَرَ: إِذَا أَنَا مُتُّ فَلَا تُمْسِيَنَّ حَتَّى تَنْدُبَ النَّاسَ لِحَرْبِ أَهْلِ الْعِرَاقِ مَعَ الْمُثَنَّى، وَإِذَا فَتَحَ اللَّهُ عَلَى أُمَرَاءِنَا بِالشَّامِ فَارْدُدْ أَصْحَابَ خَالِدٍ إِلَى الْعِرَاقِ، فَإِنَّهُمْ أَعْلَمُ بِحَرْبِهِ. فَلَمَّا مَاتَ الصِّدِّيقُ نَدَبَ عُمَرُ الْمُسْلِمِينَ إِلَى الْجِهَادِ بِأَرْضِ الْعِرَاقِ ; لِقِلَّةِ مَنْ بَقِيَ فِيهِ مِنَ الْمُقَاتِلَةِ بَعْدَ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ، فَانْتَدَبَ خَلْقٌ، وَأَمَّرَ عَلَيْهِمْ أَبَا عُبَيْدِ بْنَ مَسْعُودٍ، وَكَانَ شَابًّا شُجَاعًا خَبِيرًا بِالْحَرْبِ وَالْمَكِيدَةِ. وَهَذَا آخِرُ مَا يَتَعَلَّقُ بِخَبَرِ الْعِرَاقِ إِلَى آخَرِ أَيَّامِ الصِّدِّيقِ وَأَوَّلِ دَوْلَةِ الْفَارُوقِ.