আল বিদায়া ওয়া আন্নিহায়া

سنة أربع من الهجرة النبوية

غزوة بدر الآخرة

পৃষ্ঠা - ২৮৫৩

দ্বিতীয় বদর যুদ্ধ

এটি ছিল সেই প্রতিশ্রুতি যুদ্ধ উহুদ থেকে ফেরার পথে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল ৷ ইবন
ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) যাতুর রিকা অভিযান শেষে মদীনায় ফিরে এলেন ৷ জুমাদাল উলা
মাসের অবশিষ্ট দিনগুলো, জুমাদাল উখরা মাস এবং রজব মাস তিনি মদীনায় অবস্থান করেন ৷

আবু সুফিয়ানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুদ্ধ মুকাবিলার জন্যে তিনি বদরের উদ্দেশ্যে যাত্রা
করেন শাবান মাসে ৷

ইবন হিশাম বলেন, এ অভিযানকালে মদীনায় দায়িত্বভার দেয়৷ হ্ন্থয়ছিল আবদুল্লাহ্ (রা) ইবন
আবদুল্লাহ ইবন উবাই ইবন সালুলকে ৷ ইবন ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ ৷ সা) বদর প্রান্তরে এসে
শিবির স্থাপন করেন এবং আবু সুফিয়ানের আগমন অপেক্ষায় ৮ দিন ৷ন্ন্খানে অবস্থান করেন ৷
মক্কাবাসীদেরকে নিয়ে আবু সুফিয়ান যুদ্ধের জন্যে বের হয় ৷ যাহরানের এক পাশে মাজিন্ন৷ নামক
স্থানে এসে তারা শিবির স্থাপন করে ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, তারা উছফান পর্যন্ত এসেছিল ৷
তারপর সে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ৷ সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে সে বলল, হে কুরায়শ সম্প্রদায় ৷
স্বচ্ছলতার বছর ছাড়া যুদ্ধ করা সমীচীন হবে না ৷ বরং যে বছর তৃপ্তি সহকারে পশুপালকে
ঘাসপাত৷ খাওয়াতে পারবে এবং তোমরা ইচ্ছামত দুধ পান করতে পারবে সে বছরই যুদ্ধ করা
ভাল হবে ৷ এই বছরটি বড় দৃর্ভিক্ষের ৷ আমি এখন ফিরে যাচ্ছি তোমরাও ফিরে যাও ৷ ফলে
কুরায়শরা ফিরে গেল ৷ ফিরে যাওয়া সেনাদলকে মক্কাবাসিগণউপহাস করে “ছাতৃবাহিনী” নামে
ডাকত ৷ আর বলত যে, তোমরা তো ছাতৃ খেয়ে খেয়ে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলে ৷

এক পর্যায়ে মাখশা ইবন আমর দিমারী রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট উপস্থিত হয় ৷ ওয়াদ্দান
যুদ্ধের সময় সে বানু দিমারা গোত্রের পক্ষে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে মৈত্রী চুক্তি সম্পাদন
করেছিল ৷ সে বলল, হে মুহাম্মাদ! কুরায়শদের সাথে যুদ্ধ করার জন্যে কি আপনি এখানে
এসেছেন ? রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, ওহে বাবু দিম৷ ৷রা গোত্রের লোক আমরা যুদ্ধ করতে এসেছি ৷
তোমাকে এও জা ৷নিয়ে দিচ্ছি যে, তোমাদের সাথে আমাদের যে চুক্তি ছিল ইচ্ছা ৷করলে তোমরা
তা প্রত্যাহার করে নিতে পার ৷ আর তখন আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব যতক্ষণ না
আল্লাহ্ আমাদের ও তোমাদের মাঝে ফায়সালা করে দেন ৷ সে বলল, না হে মুহাম্মাদ আল্লাহ্র
কসম! ওই চুক্তি প্রত্যাহারের আমাদের কোন প্রয়োজন নেই ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায়
ফিরে আসেন ৷ ফিরতি পথে কোন ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার সম্মুখীন হননি ৷

ইবন ইসহাক বলেন, মুসলমানগণ আবু সুফিয়ানের অপেক্ষায় থাকা ৷এবং সৈন্যবাহিনী সহ
আবু সুফিয়ানের ফিরে যাওয়া র ঘটনা সম্পর্কে আবদৃল্লা হ্ ইবন রাওয়াহা (রা) নিম্নের কবিতা আবৃত্তি
করেন ৷ ইবন হিশাম বলেন, আবু যা য়দ আমাকে জানিয়েছেন যে , নিম্নের কবিতাটি আসলে কা ব
ইবন মালিকের ৷ করি বলেন :


আমরা আবু সুফিয়ানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম বদর প্রান্তরে উপস্থিত হবার ৷ কিন্তু আমরা
তার প্রতিশ্রুতির সত্যতা পাইনি ৷ সে প্রতিশ্রুতি পালনকারী ছিল না ৷


[غَزْوَةُ بَدْرٍ الْآخِرَةِ] وَهِيَ بَدْرٌ الْمَوْعِدُ، الَّتِي تَوَاعَدُوا إِلَيْهَا مِنْ أُحُدٍ كَمَا تَقَدَّمَ. قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: وَلَمَّا رَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَدِينَةِ مِنْ غَزْوَةِ ذَاتِ الرِّقَاعِ أَقَامَ بِهَا بَقِيَّةَ جُمَادَى الْأُولَى وَجُمَادَى الْآخِرَةِ وَرَجَبًا، ثُمَّ خَرَجَ فِي شَعْبَانَ إِلَى بِدْرٍ لِمِيعَادِ أَبِي سُفْيَانَ. قَالَ ابْنُ هِشَامٍ: وَاسْتَعْمَلَ عَلَى الْمَدِينَةِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَيِّ ابْنِ سَلُولَ. قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: فَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَدْرًا وَأَقَامَ عَلَيْهِ ثَمَانِيًا يَنْتَظِرُ أَبَا سُفْيَانَ وَخَرَجَ أَبُو سُفْيَانَ فِي أَهْلِ مَكَّةَ حَتَّى نَزَلَ مَجَنَّةَ مِنْ نَاحِيَةِ الظَّهْرَانِ، وَبَعْضُ النَّاسِ يَقُولُ: قَدْ بَلَغَ عُسْفَانَ. ثُمَّ بَدَا لَهُ فِي الرُّجُوعِ، فَقَالَ: يَا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ، إِنَّهُ لَا يُصْلِحُكُمْ إِلَّا عَامٌ خَصِيبٌ، تَرْعَوْنَ فِيهِ الشَّجَرَ، وَتَشْرَبُونَ فِيهِ اللَّبَنَ، فَإِنَّ عَامَكُمْ هَذَا عَامُ جَدْبٍ، وَإِنِّي رَاجِعٌ فَارْجِعُوا. فَرَجَعَ النَّاسُ، فَسَمَّاهُمْ أَهْلُ مَكَّةَ جَيْشَ السَّوِيقِ، يَقُولُونَ: إِنَّمَا خَرَجْتُمْ تَشْرَبُونَ السَّوِيقَ. قَالَ: وَأَتَى مَخْشِيُّ بْنُ عَمْرٍو الضَّمْرِيُّ وَقَدْ كَانَ وَادَعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ وَدَّانَ عَلَى بَنِي ضَمْرَةَ فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، أَجِئْتَ لِلِقَاءِ قُرَيْشٍ عَلَى هَذَا الْمَاءِ؟ قَالَ: نَعَمْ يَا أَخَا بَنِي ضَمْرَةَ، وَإِنْ شِئْتَ رَدَدْنَا
পৃষ্ঠা - ২৮৫৪


আমি কসম করে বলছি, তুমি যদি আমাদের মুখোমুখি হতে তবে অবশ্যই মুখোমুখি হতে
উপযুক্ত প্রতিপক্ষের ৷ তখন তুমি ফিরে যেতে মন্দ ও করুণ অবস্থায় আর হারিয়ে ফেলতে
তোমার সাহায্য সহযোগিতা কারী যোদ্ধাদেরকে ৷

াট্রুএৰুট্টষ্ হুার্ন্তশ্উঠুৰুও এট্রুরু১
আমরা বদর প্রাম্ভরে রেখে গিয়েছিলাম (প্রথম বদর যুদ্ধে ) উতবা ও তার পুত্রের
অঙ্গণ্প্ৰত্যঙ্গ ৷ আমরা সেখানে আরো রেখে এসেছি উমর তথা ৷আবু জাহলের গলিত দেহ ৷
;’পুচুও এর্চু এে১ত্র ’
তোমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর অবাধ্য হয়েছ ৷ ধিক তোমাধ্বদর ধর্মের জন্যে, ধিক তোমাদের
ভ্রান্ত ও মন্দ কর্মকান্ডের জন্যে ৷



তোমরা আমার প্ৰতি বিরুপ আচরণ করলেও আমি নিশ্চিত ভাবে বলি যে, আমার পরিবার-
পরিজন ও ধন-সম্পদ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর জন্যে নিবেদিত ৷


আমরা তার আনুগ৩ করেছি ৷ তাকে আমরা আমাদের কারো সমান মনে করি না ৷ তিনি

বরং অনন্য ৷ তিনি আমাদের পথ-নির্দেশক ৷ তিনি আমাদের জন্যে অন্ধকার রাতের আলোক
-বর্তিক৷ ৷
ইবন ইসহ৷ ৷ক বলেন, প্রসংগে হাসৃসান ইবন ছাবিত ৩(রা) কবিতায় বলেনঃ


ওরা ছেড়ে দিয়েছে সিরিয়ার শস্যক্ষে৩ তসমুহ ৷ সেগুলোর বিপরীতে রয়েছে বিন্তুত শিলাতুমি
যেন প্রসুতি উব্রীর মুখ ৷

এএ১এে ৷
এমন সব লোকের হাতে ছেড়েছে যারা হিজরত করেছে তাদের প্রতিপালকের দিকে ৷ তারা
প্রকৃত তার সাহায্যকারী এবং তারা ছেড়েছে ফেরেশতাদের হাতে ৷

ঞএে ৰুদ্বুট্রুট্রুা ৷ ৷ ’ ৷ ব্লু ৷
তারা যখন মরুভুমির বালুচর হয়ে নিন্নাঞ্চলের দিকে যাত্রা করবে তখন তাদেরকে বলে দিও
যে, পথ যে দিকে নয় ৷


আমরা রাসৃ পাহাড়ে অবস্থান করেছি আট দিন ৷ সাহসী সেনা দল নিয়ে ৷ সাথে ছিল বড় বড়
উট ঘোড়া ৷


إِلَيْكَ مَا كَانَ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ وَجَالَدْنَاكَ، حَتَّى يَحْكُمَ اللَّهُ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ. قَالَ: لَا وَاللَّهِ يَا مُحَمَّدُ، مَا لَنَا بِذَلِكَ مِنْ حَاجَةٍ. ثُمَّ رَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَدِينَةِ وَلَمْ يَلْقَ كَيْدًا. قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: وَقَدْ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ - يَعْنِي فِي انْتِظَارِهِمْ أَبَا سُفْيَانَ وَرُجُوعِهِ بِقُرَيْشٍ عَامَهُ ذَلِكَ - قَالَ ابْنُ هِشَامٍ: وَقَدْ أَنْشَدَنِيهَا أَبُو زَيْدٍ لِكَعْبِ بْنِ مَالِكٍ: وَعَدْنَا أَبَا سُفْيَانَ بَدْرًا فَلَمْ نَجِدْ ... لِمِيعَادِهِ صِدْقًا وَمَا كَانَ وَافِيَا فَأُقْسِمُ لَوْ لَاقَيْتَنَا فَلَقِيَتَنَا ... لَأُبْتَ ذَمِيمًا وَافْتَقَدْتَ الْمَوَالِيَا تَرَكْنَا بِهِ أَوْصَالَ عُتْبَةَ وَابْنِهِ ... وَعَمْرًا، أَبَا جَهْلٍ تَرَكْنَاهُ ثَاوِيَا عَصَيْتُمْ رَسُولَ اللَّهِ أُفٍّ لِدِينِكُمْ ... وَأَمْرِكُمُ السَّيْئِ الَّذِي كَانَ غَاوِيَا فَإِنِّي وَإِنْ عَنَّفْتُمُونِي لَقَائِلٌ ... فِدًى لِرَسُولِ اللَّهِ أَهْلِي وَمَالِيَا أَطَعْنَاهُ لَمْ نَعْدِلْهُ فِينَا بِغَيْرِهِ ... شِهَابًا لَنَا فِي ظُلْمَةِ اللَّيْلِ هَادِيَا قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: وَقَالَ حَسَّانُ بْنُ ثَابِتٍ فِي ذَلِكَ:
পৃষ্ঠা - ২৮৫৫

আমাদের সাথে ছিল লালষ্কালো মিশ্রিত রংগের ঘোড়া সে গুলোর অর্ধেক দেহ জুড়ে ছিল
রসদ পত্র ৷ সাথে ছিল লম্বা লম্বা তরবা ৷বি বড় বড় ছুরি ৷
হে)ট্রুা
তুমি দেখতে পাবে গলির ন্তুপে, বালি পথে ধীরে চলা উষ্ট্র পালের পদচিহ্ন ৷
শ্ শ্!ংন্ষ্শ্০!ণ্ শ্শ্ শ্ষ্শ্ ;! শ্ শ্ : শ্০প্ন্ ৷০ণ্ ,
আমাদের যাত্রাপথে ও শত্রু অম্বেষণের সময়ে যদি ফুরাত ইবন হাইয়ানের সাথে দেখা ন্থয়ে
যা তবে যেখানে দেখা হবে সেখানেই সে বন্দীতৃ বরণ করবে ৷
আর যদি ইমরাউল কায়সের পুত্র কায়সের সাথে সাক্ষাত হয় তবে তার দেহের কালো রং
আরো কালো হয়ে যাবে ৷ তার দুশ্চিম্ভা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে ৷

ছুঠু ভ্রুষ্
সুতরাং আবুসুফিয়ানকে আমার পক্ষ থেকে একটি বার্তা পৌছিয়ে দাও যে, তুমি হলে প্রসিদ্ধ
একজন মিসকীন ৷

ইবন ইসহাক বলেন, নিম্নো ৷ক্ত কবিতার মাধ্যমে আবু সৃফিয়ান ইবন হারিছ ইবন আবদুল
ষুত্তালির উপরাে ৷ক্ত কবিতার জবাব দিয়েছিল ৷ অবশ্য এ ব্যক্তি পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করেন ৷


ওহে হাসৃসান৷ (হ কাচা খেজুর ভক্ষণকারী মহিলার সন্তান ! তোমার দাদার কসম, আমরা
এভাবেই বোকাদেরকে ধোক৷ দিয়ে থাকি ৷

শ্ ,
আমরাও অভিযানে বের হয়েছিলাম ৷ আমাদের মুখোমুখি হলে আমাদের প্রচণ্ড আক্রমণের
মুখে তোমাদের মত হরিণ গুলো একটাও প্রাণে রক্ষা পেতে না ৷
াট্র ৷
আমরা যদি বিশ্রামস্থুল থেকে উটগুলো তৃলতাম তাহলে তুমি বুঝতে যে আমরা প্রচন্ড যোদ্ধা,
মওসুমে সমবেত সকল লোককে জ্ব ৷লিয়ে-পুড়িয়ে দিতাম ৷


তুমি রাস্ পাহাড়ে অবস্থান নিয়েছিলে আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ৷ অপরদিকে তুমি যদি
আমাদেরকে খুজে পেতে তাহলে খেজুর বাগানে আমাদেরকে রেখে তোমরা পালিয়ে যেতে ৷

, ণ্ ,


دَعُوا فَلَجَاتِ الشَّامِ قَدْ حَالَ دُونَهَا ... جِلَادٌ كَأَفْوَاهِ الْمَخَاضِ الْأَوَارِكِ بِأَيْدِي رِجَالٍ هَاجَرُوا نَحْوَ رَبِّهِمْ ... وَأَنْصَارِهِ حَقًّا وَأَيْدِي الْمَلَائِكِ إِذَا سَلَكَتْ لِلْغَوْرِ مِنْ بَطْنِ عَالَجٍ ... فَقُولَا لَهَا لَيْسَ الطَّرِيقُ هُنَالِكِ أَقَمْنَا عَلَى الرَّسِّ النَّزُوعِ ثَمَانِيًا ... بِأَرْعَنَ جَرَّارٍ عَرِيضِ الْمَبَارِكِ بِكُلِّ كُمَيْتٍ جَوْزُهُ نِصْفُ خَلْقِهِ ... وَقُبٍّ طِوَالٍ مُشْرِفَاتِ الْحَوَارِكِ تَرَى الْعَرْفَجَ الْعَامِيَّ تَذْرِي أُصُولَهُ ... مَنَاسِمُ أَخْفَافِ الْمَطِيِّ الرَّوَاتِكِ فَإِنْ تَلْقَ فِي تَطْوَافِنَا وَالْتِمَاسِنَا ... فُرَاتَ بْنَ حَيَّانٍ يَكُنْ رَهْنَ هَالِكِ وَإِنْ تَلْقَ قَيْسَ بْنَ امْرِئِ الْقَيْسِ بَعْدَهُ ... يُزَدْ فِي سَوَادِ لَوْنِهِ لَوْنُ حَالِكِ فَأَبْلِغْ أَبَا سُفْيَانَ عَنِّي رِسَالَةً ... فَإِنَّكَ مِنْ غُرِّ الرِّجَالِ الصَّعَالِكِ
পৃষ্ঠা - ২৮৫৬

আমাদের অশ্ব এবং উটেরদল ফসলদি পদদলিত করে চলাচল করে ৷ ওগুলো কোন কঠিন
পাথুরে ভুমি মড়য় না ৷

এগু১ন্থএ ৷ ন্া
আমরাও অভিযানে বেরিয়ে তিনদিন অবস্থান করেছিলাম সালাওফাবি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে
আমাদের সাথে ছিল হাল্কা পশমের অশ্বদল আ র তারী পা য়ে ঢলাচলকারী উষ্ট্রপা ল ৷

ন্;ব্লুব্লুব্লু
তোমাদের ধ্বংস যখন নিকটবর্তী ছিল তখন তামর নিজেদেরকে খুব শক্তিশালী মনে
করেছিলে ৷ যেমন দুর্বল ও অসুন্থযুবককে তােমরশ ক্তিশা লী মনে করে থাক ৷

সুতরাং হাল্কা পশম বিশিষ্ট অশ্বগুলােকে প্রেরণ করেন ; বরচ্: শক্তি অর্জনকরী মুসিম যেমন
বলেছে তুমিও ওগুলােকে তেমনটি বলে দাও

তাতে তোমরা ভ ল থাকবে এবং অনব ও ভাল থাকবে ৷ ওই অশ্বরেহীদেরকে মনে হচ্ছে
ফিহ্র ইবন মালিকের বংশধর অশ্বারেহী ৷


তুমি যে হিজররুতর কথা বলেছতু তা ওই হিজর৩ কারীদের অন্তর্ভুক্ত ন ও ৷ অর তুমি
দীনেরও অনৃসা রী নও

ইবন হিশম বলেন, অম্ভমিলের বৈপরীতেব্রর কারণে আমরা কতক পৎক্তি বাদ দিয়েছি

মুসা ইবন উকবা যুহরী ও ইবন লাহিয় উর ওয়া ইবন যুবায়র থেকে বর্ণনা করেছেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার সহবীগণকে গণ হারে উপস্থিত হবার ডাক দিয়েছিলেন আবু সুফিয়নের
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাকে মুকবিলর লক্ষেব্রু বদর প্রম্ভরে উপস্থিত হবার জন্যে ৷ মুনফিকর
লোকজনকে যুদ্ধে যেতে নিরুৎসাহিত করেছিল ৷ তবে অল্লাহ্ তা আলা তার বন্ধুদেরকে
মুনফিকদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেন ৷ ঘুসলমনগণ রসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে বদর প্রাম্ভরের
দিকে য ত্রা করেন ৷ তাদের সাথে ছিল ব্যবসায়িক পুজি তারা বলাবলি করছিল, আবু সুফিয়নকে
উপস্থিত পেলে অমরা তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব অর তাকে না পেলে এ পুজি দিয়ে বদর অঞ্চলের
ম ওসুমী মলপত্র কিনে আনব ৷ এরপর মুসা ইবন উকবা ইবন ইসহাকের ন্যায় আবু সুফিয়নের
মাজিন্ন উপস্থিতি, সেখান থেকে তার প্রত্যাবর্তন, দিমরীর কথাবার্তা ও রাসুলুল্লহ্ (না)-এর পক্ষ
থেকে চুক্তি প্রত্যাহরের প্রস্তাব এবং তার তা প্রত্যাখ্যান বিষয়ক ঘটনাগুলাে উল্লেখ করেছেন ৷

ন্ওয়কিদী বলেন, রসুলুল্লাহ্ (সা) প্রায় ১৫০০ সাহবী নিয়ে বদর অভিমুখে যাত্রা করেছিলেন ৷
মদীনায় শাসনভার দিয়েছিলেন অবদৃল্লাহ্ ইবন রাওয়াহ (র)-কে ৷ তিনি যাত্রা করেছিলেন : র্থ
হিজরী সনের যুল কদ মাসের প্রথম দিকে ৷ বিশুদ্ধ অভিমত হল ইবন ইসহাকের বক্তব্য যে, : র্থ


قَالَ: فَأَجَابَهُ أَبُو سُفْيَانَ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ - وَقَدْ أَسْلَمَ فِيمَا بَعْدَ ذَلِكَ: أَحَسَّانُ إِنَّا يَا ابْنَ آكِلَةِ الْفَغَا ... وَجَدِّكَ نَغْتَالُ الْخُرُوقَ كَذَلِكِ خَرَجْنَا وَمَا تَنْجُو الْيَعَافِيرَ بَيْنَنَا ... وَلَوْ وَأَلَتْ مِنَّا بِشَدٍّ مُدَارِكِ إِذَا مَا انْبَعَثْنَا مِنْ مُنَاخٍ حَسِبْتَهُ ... مُدَمَّنَ أَهْلِ الْمَوْسِمِ الْمُتَعَارِكِ أَقَمْتَ عَلَى الرَّسِّ النَّزُوعِ تُرِيدُنَا ... وَتَتْرُكُنَا فِي النَّخْلِ عِنْدَ الْمَدَارِكِ عَلَى الزَّرْعِ تَمْشِي خَيْلُنَا وَرِكَابُنَا ... فَمَا وَطِئَتْ أَلْصَقْنَهُ بِالدَّكَادِكِ أَقَمْنَا ثَلَاثًا بَيْنَ سَلْعٍ وَفَارِعٍ ... بِجُرْدِ الْجِيَادِ وَالْمَطِيِّ الرَّوَاتِكِ
পৃষ্ঠা - ২৮৫৭

হিজরী সনের শাবান মাসে তিনি এ অভিযানে বের হয়েছিলেন ৷ ইবন ইসহাক ও মুসা ইবন উকবা
এ ব্যাপারে একমত যে, অভিযান পরিচালিত হয়েছিল শাবান মাসে ৷ তবে ইবন ইসহাক
বলেছেন, : র্থ হিজরী সনের শাবান মাস, মুসা ইবন উকবা বলেছেন, ৩য় হিজরীর শাবান মাস ৷
তৃতীয় হিজরী বলাটা নিতাম্ভই ভ্রান্ত ধারণা ৷ কারণ, এই যুদ্ধের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল উহুদ যুদ্ধ
শেষে ৷ আর উহুদ যুদ্ধই অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৩য় হিজরী সনে ৷ এ বিষয়ে পুর্বে আলোচনা হয়েছে ৷

ওয়াকিদী বলেন, তারা সেখানে বদর বাণিজ্য মেলার প্রাক্কালে ৮ দিন অবস্থান করেন ৷ এরপর
তারা ফিরে আসেন ৷ ওই ব্যবসায় তারা ১ দিরহামে ২ দিরহাম হারে মুনাফা অর্জন করেন ৷ অন্যরা
বলেছেন যে, তারা ফিরে এলেন আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও দয়া অর্জন করে ৷ এ প্রসংগে আল্লাহ্ তাআলা
বলেছেন :


শ্ fl fl ) : ) fl

৭ ঞ
প্রুন্রুধ্যুস্রাগু
তারপর তারা আল্লাহ্র নিয়মত ও অনুগ্নহসহ ফিরে এসেছিল ৷ কোন অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ

করেনি ৷ আল্লাহ্ যাতে রায়ী তারা তারই অনুসরণ করেছিল এবং আল্লাহ্ মহা অনুগ্রহশীল ৷ (৩-
আলে ইমরান : ১ ৭৪ ) ৷


حَسِبْتُمْ جِلَادَ الْقَوْمِ عِنْدَ فِنَائِكُمْ ... كَمَأْخَذِكُمْ بِالْعَيْنِ أَرْطَالَ آنُكِ فَلَا تَبْعِثِ الْخَيْلَ الْجِيَادَ وَقُلْ لَهَا ... عَلَى نَحْوِ قَوْلِ الْمَعْصِمِ الْمُتَمَاسِكِ سَعِدْتُمْ بِهَا وَغَيْرُكُمْ كَانَ أَهْلَهَا ... فَوَارِسُ مِنْ أَبْنَاءِ فِهْرِ بْنِ مَالِكِ فَإِنَّكَ لَا فِي هِجْرَةٍ إِنْ ذَكَرْتَهَا ... وَلَا حُرُمَاتِ دِينِهَا أَنْتَ نَاسِكُ قَالَ ابْنُ هِشَامٍ تَرَكْنَا مِنْهَا أَبْيَاتًا لِاخْتِلَافِ قَوَافِيهَا. وَقَدْ ذَكَرَ مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَنْفَرَ النَّاسَ لِمَوْعِدِ أَبِي سُفْيَانَ وَانْبَعَثَ الْمُنَافِقُونَ فِي النَّاسِ يُثَبِّطُونَهُمْ، فَسَلَّمَ اللَّهُ أَوْلِيَاءَهُ، وَخَرَجَ الْمُسْلِمُونَ صُحْبَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى بَدْرٍ وَأَخَذُوا مَعَهُمْ بِضَائِعَ، وَقَالُوا: إِنْ وَجَدْنَا أَبَا سُفْيَانَ وَإِلَّا اشْتَرَيْنَا مِنْ بَضَائِعِ مَوْسِمِ بَدْرٍ.» ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ سِيَاقِ ابْنِ إِسْحَاقَ فِي خُرُوجِ أَبِي سُفْيَانَ إِلَى مَجَنَّةَ وَرُجُوعِهِ، وَفِي مُقَاوَلَةِ الضَّمْرِيِّ وَعَرْضِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُنَابَذَةَ فَأَبَى ذَلِكَ.
পৃষ্ঠা - ২৮৫৮
قَالَ الْوَاقِدِيُّ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيْهَا فِي أَلْفٍ وَخَمْسِمِائَةٍ مِنْ أَصْحَابِهِ، وَاسْتَخْلَفَ عَلَى الْمَدِينَةِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ رَوَاحَةَ وَكَانَ خُرُوجُهُ إِلَيْهَا فِي مُسْتَهَلِّ ذِي الْقِعْدَةِ. يَعْنِي سَنَةَ أَرْبَعٍ. وَالصَّحِيحُ قَوْلُ ابْنِ إِسْحَاقَ أَنَّ ذَلِكَ فِي شَعْبَانَ مِنْ هَذِهِ السَّنَةِ الرَّابِعَةِ، وَوَافَقَ قَوْلَ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ أَنَّهَا فِي شَعْبَانَ، لَكِنْ قَالَ: فِي سَنَةِ ثَلَاثٍ. وَهَذَا وَهْمٌ ; فَإِنَّ هَذِهِ تَوَاعَدُوا إِلَيْهَا مِنْ أُحُدٍ، وَقَدْ كَانَتْ أُحُدٌ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ كَمَا تَقَدَّمَ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ. قَالَ الْوَاقِدِيُّ: فَأَقَامُوا بِبَدْرٍ مُدَّةَ الْمَوْسِمِ الَّذِي كَانَ يُعْقَدُ فِيهَا ثَمَانِيَةَ أَيَّامٍ، فَرَجَعُوا وَقَدْ رَبِحُوا مِنَ الدِّرْهَمِ دِرْهَمَيْنِ. وَقَالَ غَيْرُهُ: {فَانْقَلَبُوا} [آل عمران: 174] كَمَا قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: {بِنِعْمَةٍ مِنَ اللَّهِ وَفَضْلٍ لَمْ يَمْسَسْهُمْ سُوءٌ وَاتَّبَعُوا رِضْوَانَ اللَّهِ وَاللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَظِيمٍ} [آل عمران: 174]