আল বিদায়া ওয়া আন্নিহায়া

سنة أربع من الهجرة النبوية

غزوة ذات الرقاع

পৃষ্ঠা - ২৮৩৯

তখন সালাতুল খাওফের বিধান থাকলে তারা খন্দকের যুদ্ধের দিন নামায বিলম্বিত না করে

সালাতুল খাওফের নিয়মে নামায আদায় করতেন ৷ এ জন্যে কতক যুদ্ধ বিষয়ক ইতিহাসবিদ
বলেছেন যে, বনু লিহয়া ন যুদ্ধ , যে যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ্ (সা) উছফান অঞ্চলে য়কালীনভ নামায আদায়
করেছেন ওই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল বনু কুরায়যা যুদ্ধের পর ৷

ওয়াকিদী আপন সনদে খালিদ ইবন ওয়ালীদ থেকে বর্ণনা করাে,ছ:ন , তিনি বলেছেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) হুদায়বিয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন যে যাত্রায় ওই মাত্রায় উছফান অঞ্চলে আমি
তার মুখোমুখি হই ৷ এবং তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই ৷ তিনি আমদ্দর মুখোমুখি হয়ে
সাহাবীদেরকে নিয়ে যুহরের নামায আদায় করেন ৷ পরের নামাযে আমরা র্ভপ্জাণ্র উপর হামলা করার
সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ৷ কিন্তু আমার সিদ্ধ৷ ৷ম্ভ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা তাকে অবহিত করে দেন ৷
ফলেত তিনি তার সাহাবীদেরকে নিয়ে আসরের নামায আদায় করেন সালাতুল খাওফ এর বিধান
অনৃয৷ ৷য়ী ৷

আমি বলি, রাসুলুল্লাহ্ (সা) উমর৷ আদায়ের নিয়ব্রুতে হুদায়বিয়৷ পৌছেছিলেন যার সুত্রে
হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা ছিল ৬ষ্ঠ হিজরীর যিলকদ মাসে খন্দকের যুদ্ধ ও বনু
কুরায়যার যুদ্ধের পর, এর বিস্তারিত বিবরণ পরে আসবে ৷ অন্যদিকে আবুআইয়াশ যুরাকীর বর্ণনা
থেকে বুঝা যায় যে, ভয়কালীন নামায সম্পর্কিত আয়াতগুলো নাযিল হয়েছে বনু লিহয়ান
অভিযানে উছফান যুদ্ধের দিবসে ৷ এবং এদিনের ভয়কালীন নামায-ই ইতিহাসের প্রথম
ভয়কালীন নামায ৷ আল্লাহ্ইভ ৩াল জানেন ৷ সালাতুল খাওফ এর নিয়ম কানুন ও এত তদসম্পর্কিত
বিভিন্ন বর্ণনা আমরা ইন্শা আল্লাহ “কিতাবুল আহকামুল কাবীর” গ্রন্থে উল্লেখ করব ৷ সকল
নির্ডরত৷ আল্লাহর উপর ৷

যাতুর বিকা অভিযান

ইবন ইসহাক বলেন, বনু নাযীর যুদ্ধের পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) রবিউল আউয়াল, রবিউছ ছানী
এবং জুমাদাল উলা মাসের কয়েক দিন মদীনায় অবস্থান করেন ৷ তারপর নজদ অঞ্চলের দিকে
যাত্রা করেন ৷ পাতফান গোত্রের বনু মুহাবির ও বনু ছালাব৷ উপগাে ৷ত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার
জন্যেই তিনি এ অভিযানে বের হয়েছিলেন ৷ এ সময়ে মদীনায় তার স্থলাভিষিক্ত করে যান হযরত
আবু যারর পিফ৷ রী (রা) কে ৷ ইবন হিশাম বলেন, কারো কারো মতে, তখন উছমান ইবন
আফ্ফান (রা)-কে ৷

ইবন ইসহাক বলেন, মুজাহিদ বাহিনী নিয়ে পথ চলতে চলতে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এক খেজুর
বাগানে এসে শিবির স্থাপন করেন ৷ এই যুদ্ধ যাতুর বিকা নামে পরিচিত ৷ এই নামের যৌক্তিকতা
সম্বন্ধে ইবন হিশাম “বলেন, মুজাহিদগণ টুকরো টুকরো কা ৷পড় জোড়া দিয়ে তাদের পতাকা ৷তৈরী
করেছিলেন বলে ওই যুদ্ধ যাতুর “বিকা জোড়াত তালি বিশিষ্ট যুদ্ধ” নামে প্রসিদ্ধ ৷ কেউ কেউ
বলেন, ওখানে যাতুর বিকা ৷নামে একটি গাছ ছিল বলে সেটি যাতুর বিকা ৷যুদ্ধ নামে পরিচিত
হয়েছে ৷ ওয়াকিদী বলেন, ওখানে একটি পাহাড় ছিল ৷ সেটির কিছু অংশ ছিল লাল কিছু অংশ কাল
এবং কিছু অংশ ছিল সাদা ৷ বিভিন্ন রংয়ের সমন্বিত রুপ ছিল বলে পাহাড়টির নাম ছিল যাতুর


[غَزْوَةُ ذَاتِ الرِّقَاعِ] [سَبَبُ تَسْمِيَةِ الْغَزْوَةِ بِهَذَا الْاسْمِ] قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: ثُمَّ أَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ بَعْدَ غَزْوَةِ بَنِي النَّضِيرِ شَهْرَيْ رَبِيعٍ وَبَعْضَ جُمَادَى، ثُمَّ غَزَا نَجْدًا يُرِيدُ بَنِي مُحَارِبٍ وَبَنِي ثَعْلَبَةَ مِنْ غَطْفَانَ وَاسْتَعْمَلَ عَلَى الْمَدِينَةِ أَبَا ذَرٍّ. قَالَ ابْنُ هِشَامٍ: وَيُقَالُ: عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ. قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: فَسَارَ حَتَّى نَزَلَ نَخْلًا وَهِيَ غَزْوَةُ ذَاتِ الرِّقَاعِ. قَالَ ابْنُ هِشَامٍ: لِأَنَّهُمْ رَقَّعُوا فِيهَا رَايَاتِهُمْ، وَيُقَالُ: لِشَجَرَةٍ هُنَاكَ اسْمُهَا ذَاتُ الرِّقَاعِ. وَقَالَ الْوَاقِدِيُّ: بِجَبَلٍ فِيهِ بُقَعٌ حُمْرٌ وَسُودٌ وَبِيضٌ. وَفِي حَدِيثِ أَبِي مُوسَى: «إِنَّمَا سُمِّيَتْ بِذَلِكَ لِمَا كَانُوا يَرْبُطُونَ عَلَى أَرْجُلِهِمْ مِنَ الْخِرَقِ مِنْ شِدَّةِ الْحَرِّ» . قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: فَلَقِيَ بِهَا جَمْعًا مِنْ غَطَفَانَ فَتَقَارَبَ النَّاسُ، وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَهُمْ حَرْبٌ، وَقَدْ خَافَ النَّاسُ بَعْضُهُمْ بَعْضًا، حَتَّى صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّاسِ صَلَاةَ الْخَوْفِ. وَقَدْ أَسْنَدَ ابْنُ هِشَامٍ حَدِيثَ صَلَاةِ الْخَوْفِ هَاهُنَا عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ
পৃষ্ঠা - ২৮৪০
سَعِيدٍ التَّنُّورِيِّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَعَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، وَعَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ. وَلَكِنْ لَمْ يَذْكُرْ فِي هَذِهِ الطُّرُقِ غَزْوَةَ نَجْدٍ وَلَا ذَاتِ الرِّقَاعِ وَلَمْ يَتَعَرَّضْ لِزَمَانٍ وَلَا مَكَانٍ. وَفِي كَوْنِ غَزْوَةِ ذَاتِ الرِّقَاعِ - الَّتِي كَانَتْ بِنَجْدٍ لِقِتَالِ بَنِي مُحَارِبٍ وَبَنِي ثَعْلَبَةَ بْنِ غَطَفَانَ - قَبْلَ الْخَنْدَقِ نَظَرٌ. وَقَدْ ذَهَبَ الْبُخَارِيُّ إِلَى أَنَّ ذَلِكَ كَانَ بَعْدَ خَيْبَرَ وَاسْتَدَلَّ عَلَى ذَلِكَ، بِأَنَّ أَبَا مُوسَى الْأَشْعَرِيَّ شَهِدَهَا، كَمَا سَيَأْتِي، وَقَدُومُهُ إِنَّمَا كَانَ لَيَالِيَ خَيْبَرَ صُحْبَةَ جَعْفَرٍ وَأَصْحَابِهِ، وَكَذَلِكَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَقَدْ قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ نَجْدٍ صَلَاةَ الْخَوْفِ.» وَمِمَّا يَدُلُّ عَلَى أَنَّهَا بَعْدَ الْخَنْدَقِ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ إِنَّمَا أَجَازَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْقِتَالِ أَوَّلَ مَا أَجَازَهُ يَوْمَ الْخَنْدَقِ. وَقَدْ ثَبَتَ عَنْهُ فِي " الصَّحِيحِ " أَنَّهُ قَالَ: غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَبْلَ نَجْدٍ. فَذَكَرَ صَلَاةَ الْخَوْفِ. وَقَوْلُ الْوَاقِدِيِّ: إِنَّهُ عَلَيْهِ السَّلَامُ خَرَجَ إِلَى ذَاتِ الرِّقَاعِ فِي أَرْبَعِمِائَةٍ، وَيُقَالُ: سَبْعِمِائَةٍ، مِنْ أَصْحَابِهِ لَيْلَةَ السَّبْتِ، لِعَشْرٍ خَلَوْنَ مِنَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ خَمْسٍ. فِيهِ نَظَرٌ، ثُمَّ لَا يَحْصُلُ بِهِ نَجَاةٌ مِنْ أَنَّ صَلَاةَ الْخَوْفِ إِنَّمَا شُرِعَتْ بَعْدَ الْخَنْدَقِ ; لِأَنَّ الْخَنْدَقَ كَانَ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ خَمْسٍ عَلَى الْمَشْهُورِ
পৃষ্ঠা - ২৮৪১
وَقِيلَ: فِي شَوَّالٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ. فَتَحَصَّلَ عَلَى هَذَا الْقَوْلِ مَخْلَصٌ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ فَأَمَّا حَدِيثُ أَبِي مُوسَى، وَأَبِي هُرَيْرَةَ فُلَا.
পৃষ্ঠা - ২৮৪২


রিকা ৷ হযরত আবু মুসা আশআরী (রা)-এর হাদীছে আছে যে, ওই অভিযানে প্রচণ্ড তাপ ও
গরমের কারণে মুজাহিদগণ পায়ে কাপড়ের টুকরা ও পট্টি বেধেছিলেন বলে ওই যুদ্ধকে যাতুর
রিকা বলা হয় ৷

ইবন ইসহাক বলেন, মুসলিম বাহিনী ওই স্থানে গিয়ে গাতফান গোত্রীয় শত্রুদের মুখোমুখি
হয় ৷ পরস্পর একে অন্যের উপর আক্রমণ করার উপক্রম হয় ৷ তবে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ সংঘটিত
হয়নি ৷ উভয় পক্ষ একে অন্যকে ভয় পেয়েছিল ৷ ওখানে রাসৃভুলুল্লাহ্ (সা) সাহাবীগণকে নিয়ে
সালাতুল খাওফ আদায় করেন ৷
ইবন হিশাম (র) সালাতুল খাওফ এর হাদীছটি আবদুল ওয়ারিছ জাবির (না) থেকে
এবং আবদুল ওয়ারিছ ইবন উমর (রা) সুত্রে বর্ণনা করেছেন ৷ তবে এই হাদীছে নজদের
যুদ্ধ কিৎব৷ যাতুর রিকা যুদ্ধ কােনটাই উল্লেখ করেননি ৷ তেমনি এই ঘটনার সময়-স্থান কিছুই
উল্লেখ করেননি ৷ অবশ্য গাতফান গোত্রের বনুমুহারিব ও ন্ধ্রনু ছালাবাকে শায়েস্তা করার জনেবু
পরিচালিত যাতুর রিকা যুদ্ধ যদি খন্দকের যুদ্ধের পুর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলা হয় তবে তা প্ৰশ্নাতীত
নয় ৷ বুখারী বলেছেন যে, যাতুর বিকা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে থায়বার যুদ্ধের পর ৷ তিনি এভাবে
দলীল পেশ করেছেন যে, হযরত আবুমুসা আশআরী (বা) ওই ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ৷ অথচ
আবু মুসা আশআরী (বা) হযরত জাফর ও অন্যান্যদের সাথে মদীনায় এসে উপস্থিত হন খায়বার
যুদ্ধের সময়ে ৷ অনুরুপ একটি দলীল হল হযরত আবু হুরায়র৷ (রা)-এর হাদীছ ৷ তিনি বলেছেন
নজদ অঞ্চলে আমি রাসুলুল্লাহ (সা) এর সাথে সালাতুল খাওফ আদায় করেছি৷ এছাড়া যাতুর
বিক৷ যুদ্ধ যে খন্দক যুদ্ধের পরে হয়েছে৩ তার একটি দলীল হযরত ইবন উমার ও এর হাদীছ ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে যুদ্ধ করার প্রথম অনুমতি দেন খায়বারের যুদ্ধে ৷ ইবন উমার (বা) থেকে
বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত আছে তিনি বলেছেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথী হয়ে নজ্বদের যুদ্ধে
ৎশ নিয়েছি ৷ এ প্রসংগে তিনি সালাতু ল খাওফের ঘটনা বর্ণনা ৷করেন ৷ ওয়াকিদী বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) ৪০০ কিহুব৷ ৭০০ মুজাহিদ নিয়ে ৫ম হিজরীর মুহাররম মাসের ১০ তারিখ
শনিবার রাতে যাতুর বিকা এ-র উদ্দেশ্যে৷ যা ত্রা করেছিলেন৩ ৷ত ৷র এই বক্তব্য আলোচনা সাপেক্ষ ৷
সালাতুল খাওফ খন্দকের যুদ্ধের পর বিধিবদ্ধ হয়েছে শুধু এটুকু বলে উপরোক্ত সমস্যা থেকে
মুক্তি পাওয়া যাবে না ৷ কারণ, খন্দকের যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রসিদ্ধ ম৩ তানুসারে ৫ম হিজরীর
শাওয়াল মাসে ৷ কেউ বলেছেন, খন্দকের যুদ্ধ হয়েছিলেন : র্থ হিজয়ী সনে ৷ এই ব্যাখ্যানুসারে
ইবন উমার (রা)-এর হাদীছের প্রশ্নের সমাধা হয়; কিন্তু আবু মুসা (রা) ও আবু হুরায়র৷ (রা) এর
হাদীছ থেকে উদ্ধৃত সমস্যার সমাধান হয় না ৷

গাওরাছ ইবন হারিছের ঘটনা

যাতুর রিকা যুদ্ধ প্রসংগে ইবন ইসহাক বলেন, আমর ইবন উবায়দ — জাবির ইবন
আবদুল্লাহ (বা) থেকে বর্ণিত ৷ বনু ঘুহারিব গোত্রের এক লোক তার নাম ছিল পাওরাছ ৷ সে তার
স্বীয় সম্প্রদায় পাতফান ও মুহারিব গোত্রকে বলেছিল অ মি কি তোমাদের পক্ষ থেকে মুহাম্মাদ
(সা) কে হত্যা করব ? ওরা বলল, ই৷ তুমি তাই করবে, তবে কীভ৷ ৷বে তুমি তা করবে ? সে
বলল, আমি কুট কৌশলের আশ্রয় নিয়ে৩ তাকে হত্যা করব ৷ বর্ণনাকারী বলেছেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা)


[قِصَّةُ غَوْرَثِ بْنِ الْحَارِثِ] قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ فِي هَذِهِ الْغَزْوَةِ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ «أَنَّ رَجُلًا مِنَ بَنِي مُحَارِبٍ يُقَالُ لَهُ: غَوْرَثٌ. قَالَ لِقَوْمِهِ مِنْ غَطَفَانَ وَمُحَارِبٍ: أَلَا أَقْتُلَ لَكُمْ مُحَمَّدًا؟ قَالُوا: بَلَى، وَكَيْفَ تَقْتُلُهُ؟ قَالَ: أَفْتِكُ بِهِ. قَالَ: فَأَقْبَلَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ جَالِسٌ، وَسَيْفُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حِجْرِهِ، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، أَنْظُرُ إِلَى سَيْفِكَ هَذَا؟ قَالَ: نَعَمْ. فَأَخَذَهُ فَاسْتَلَّهُ ثُمَّ جَعَلَ يَهُزُّهُ وَيَهُمُّ، فَيَكْبِتُهُ اللَّهُ. ثُمَّ قَالَ: يَا مُحَمَّدُ، أَمَا تَخَافُنِي؟ قَالَ: لَا، وَمَا أَخَافُ مِنْكَ؟ قَالَ: أَمَا تَخَافُنِي وَفِي يَدِي السَّيْفُ؟ قَالَ: لَا، يَمْنَعُنِي اللَّهُ مِنْكَ. ثُمَّ عَمَدَ إِلَى سَيْفِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَرَدَّهُ عَلَيْهِ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ:» {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هَمَّ قَوْمٌ أَنْ يَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنْكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ} [المائدة: 11] قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ: وَحَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ رُومَانَ أَنَّهَا إِنَّمَا نَزَلَتْ فِي عَمْرِو بْنِ
পৃষ্ঠা - ২৮৪৩

একটি গাছের ছায়ায় বসা ছিলেন ৷৩ তার তরবারিটি ছিল তার কোলে ৷ সে বলল, হে মুহাম্মাদ !
আমি কি আপনার তরবারিটি দেখতে পারি ? রালুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, হা, দেখতে পার ৷ সে
তরবারিটি হাতে নিল এবং সেটি নাড়৷ চাড়া করতে লাগল ৷ আল্লাহ তাকে অপদস্ত করলেন ৷ সে
বলল, হে মুহাম্মাদ ! আ ৷পনি কি এখন আমাকে ভয় পান না ? তিনি বলরুদ্ব ৷ন, না ৷ আমি তোমাকে
ভয় পাচ্ছি না ৷ সে বলল, আশ্চর্য, আমার হাতে তরবারি রয়েছে তবু আপনি আমাকে ভয় করছেন
না ৷ তিনি বললেন, না, মোটেই ভয় পাচ্ছি না ৷ মহান আল্লাহ তোমার হাত থেকে আমাকে রক্ষা

করবেন ৷ এরপর সে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তরবারি তাকে ফেরত দেয় , এ প্ৰসংপে আল্লাহ
তাআলা নাযিল করলেন ৰু’


ধ্ণ্,ন্ন্ ৷
“হে মু মিনগণ তোমাদের প্রতি ৩আল্লাহ্র অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন এক সম্প্রদায় তোমাদের
বিরুদ্ধে হস্ত উত্তোলন করতে ৩চেয়েছিল ৷ তখন আল্লাহ্ তাদের হাত সষ্ যত করেছিলেন এবং
আল্লাহ্কে ভয় কর ৷ আর মু মিনদের অ ৷ল্লাহ্র উপরই নির্জা করা ব ৷ঞ্চুনীয় (৫ মায়িদ৷ : ১১) ৷
ইবন ইসহাক বলেন ইয়াযীদ ইবন রুমান আমাকে জানিয়েছেন যে, উক্ত আয়াত নাযিল
হয়েছিল বনু নাযীর গোত্রের আমর ইবন জাহ্হাশ ও তার যড়যন্ত্রমুলক পরিকল্পনা উপলক্ষে ৷
এভাবে ইবন ইসহ ক গাওর৷ ৷ছের ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন ণ্গামরাহ ফিরকাহ্ কাদরিয়্যা ৷হ্ সম্প্রদায়ের
নেতা আমর ইবন উবায়দ কাদারী থেকে ৷ হাদীছে মিথ্যাচারের অভিযোগে সে অভিযুক্ত না হলেও
যেহেতু সে একটি বিদআতের অনুসরণক৷ ৷রী এবং মানুষকে সেদিকে আহ্বানকারী সেহেতু তার
থেকে হাদীছ বর্ণনা করা ৷উচিত নয় ৷ অবশ্য তা ৷লোচ্য হাদীছ৩৷ার নিকট থেকে বংনাি হওয়া ছাড়াও
অন্যান্য সনদে বর্ণিত হয়েছে ৷ সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্ মৃসলিমে এই হাদীছ রয়েছে ৷ সকল প্রশংসা
আল্লাহর, হাফিয় বায়হাকী (র) বিভিন্ন স্থান থেকে এই হাদীছের একাধিক সনদ উল্লেখ করেছেন ৷
সহীহ্বুখারী ও সহীহ্ মুসলিংম এটি বর্ণিত হয়েছে যুহরী জাবির (রা) সুত্রে ৷ হযরত জাবির
(রা) বলেছেন, তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এব সাথে নজদ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন ৷ যুদ্ধ শেষে
মদীনায় ফেরার পথে তার খুবই তন্দ্র৷ পায় ৷ ন্থানটি ছিল বড় বড় কাটা বিশিষ্ট বৃক্ষরাজিতে পরিপুর্ণ ৷
সাহারা-ই-কিরাম বিভিন্ন বৃক্ষের ছায়ায় গিয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নিজে
একটি গাছের ছায়ায় বিশ্রামরত ছিলেন ৷ তার তরবারি ঝুলানাে ছিল ওই গাছের সাথে ৷ হযরত
জাবির (বা) বলেন, আমরা সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলাম ৷ হঠাৎ শুনতে পাই যে, রাসুলুল্লাহ্
(সা) আমাদেরকে ডাকছেন ৷ আমরা ত ৷র ৷নিকট এলাম ৷ সেখানে দেখতে পেলাম একজন আরব
বেদুঈন বসে রয়েছে ৷ র ৷সুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, এই বেদুঈন লোক আমার র৩বাবিটি কো ষমুক্ত
করেছিল ৷ আমি ছিলাম ঘুমম্ভ ৷ ঘুম থেকে জেগে দেখি তার হাতে আমার মা পমুক্ত তরবারি, :স
আমাকে লক্ষ্য করে বললাে , আমার হাত থেকে এখন আপনাকে কে রক্ষ৷ করবে ? আমি বললাম,
“রক্ষা করবেন আল্লাহ ৷ ” সে আবার বলল, আপনাকে রক্ষ৷ করবে কে ? আমি বললাম, রক্ষা
করবেন আল্লাহ ৷ এবার সে তরবারিটি খাপবদ্ধ করে বসে পড়ে ৷ সে এত গুরুতর অপরাধ করা
সত্বেও রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে কোন শাস্তি দেননি ৷


جَحَّاشٍ أَخِي بَنِي النَّضِيرِ وَمَا هَمَّ بِهِ. هَكَذَا ذَكَرَ ابْنُ إِسْحَاقَ قِصَّةَ غَوْرَثٍ هَذَا، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُبَيْدٍ الْقَدَرِيِّ رَأْسِ الْفِرْقَةِ الضَّالَّةِ، وَهُوَ وَإِنْ كَانَ لَا يُتَّهَمُ بِتَعَمُّدِ الْكَذِبِ فِي الْحَدِيثِ، إِلَّا أَنَّهُ مِمَّنْ لَا يَنْبَغِي أَنْ يُرْوَى عَنْهُ؛ لِبِدْعَتِهِ وَدُعَائِهِ إِلَيْهَا، وَهَذَا الْحَدِيثُ ثَابِتٌ فِي " الصَّحِيحَيْنِ " مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ. فَقَدْ أَوْرَدَ الْحَافِظُ الْبَيْهَقِيُّ هَاهُنَا طُرُقًا لِهَذَا الْحَدِيثِ مِنْ عِدَّةِ أَمَاكِنَ، وَهِيَ ثَابِتَةٌ فِي " الصَّحِيحَيْنِ " مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سِنَانِ بْنِ أَبِي سِنَانٍ، وَأَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ أَنَّهُ «غَزَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةَ نَجْدٍ، فَلَمَّا قَفَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَدْرَكَتْهُ الْقَائِلَةُ فِي وَادٍ كَثِيرِ الْعِضَاهِ، فَتَفَرَّقَ النَّاسُ يَسْتَظِلُّونَ بِالشَّجَرِ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَحْتَ ظِلِّ شَجَرَةٍ، فَعَلِقَ بِهَا سَيْفُهُ، قَالَ جَابِرٌ: فَنِمْنَا نَوْمَةً فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدْعُونَا، فَأَجَبْنَاهُ، وَإِذَا عِنْدَهُ أَعْرَابِيٌّ جَالِسٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ هَذَا اخْتَرَطَ سَيْفِي وَأَنَا نَائِمٌ، فَاسْتَيْقَظْتُ وَهُوَ فِي يَدِهِ صَلْتًا، فَقَالَ: مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ قُلْتُ: اللَّهُ، فَقَالَ: مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ قُلْتُ: اللَّهُ، فَشَامَ السَّيْفَ وَجَلَسَ» وَلَمْ يُعَاقِبْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ فَعَلَ ذَلِكَ.
পৃষ্ঠা - ২৮৪৪


মুসলিম (র) বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবন আবুশায়বা জাবির (বা) থেকে ৷ তিনি
বলেছেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে সফরে বের হলাম, যাতুর রিকা নামক স্থানে এসে
পৌছলাম আমরা ৷ আমাদের নিয়ম ছিল যে, কোন ছায়াময় বৃক্ষ পেলে সেটি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
জন্যে ছেড়ে দিতাম ৷ তিনি ওই ছায়ায় বিশ্রাম নিতেন ৷ এই যাত্রায় তিনি ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ৷
সেখানে উপস্থিত হয় জনৈক মুশরিক ব্যক্তি ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তরবারিটি গাছের সাথে ঝুলানো
ছিল ৷ সে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তরবারিটি হাতে তুলে নিয়ে <ব্রুকাষমুক্ত করে এবং ওই খোলা
তরবারি উচিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে বলে, আপনি কি আমাকে ভয় পাচ্ছেন ? তিনি উত্তর দিলেন,
না ৷ ভয় পাচ্ছি না ৷ সে বলল, আমার হাত থেকে এখন আপনাকে কে রক্ষা করবে ? তিনি
বললেন, আমাকে রক্ষা করবেন, আল্লাহ ৷ এমতাবস্থায় সাহাবীগংং এসে তাকে ধমক দেন এবং
সে কােষবদ্ধ করে তরবারিটি ঝুলিয়ে রাখে ৷ বংনািকাবী বলেন , তখন নামাষের আমান দেওয়া
হল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) একদল সাহাবীকে সাথে নিয়ে দু’রাকঅক্তে নামায আদায় করলেন ৷ এরপর

তিনি এ দলকে সাথে নিয়ে দু রাকাআত আদায় করলেন ৷ ফলে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর : রাকআত
পুর্ণ হল আর প্ৰতেব্রক দলের হল ২ রাকআত ২ রাকআত করে ৷ ইমাম বুখারী (র) জোরালো শব্দ
ব্যবহার করে এই হাদীছ সনদ বিহীনভাবে আবান সুত্রে বপ্টা৷ করেছেন ৷

বুথারী বলেন, মুসাদ্দাদ আবু আওয়ানা থেকে বর্ণিত যে ওই মুশরিক ব্যক্তির নাম
ছিল গাওরাছ ইবন হারিছ ৷ বায়হাকী (র) আবু আওয়ানড়াহ্ জাবির (রা) সুত্রে বর্ণনা
করেছেন ৷ তিনি বলেছেন যে, এক খেজুর বাগান অঞ্চলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) মুহারিব ও গাতফান
গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযান পরিচালনা করেন ৷ শত্রুপক্ষ কৌশলে ও প্রতারণা করে
মুসলমানদেরকে পরাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়, পাওরাছ ইবন হারিছ নামে তাদের জনৈক ব্যক্তি
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট আসে হাতে তরবারি নিয়ে ৷ সে বলল, আমার হাত থেকে এখন
আপনাকে রক্ষা করবেন কে ? রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, আমাকে রক্ষা করবেন আল্লাহ ৷ একথা
শুনে তার হাত থেকে তরবারি খসে পড়ল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ওই তরবারি হাতে নিয়ে বললেন,
এবার আমার হাত থেকে তোমাকে রক্ষা করবে কে ? সে বলল, “আপনি সর্বোত্তম তরবারি
ধারণকারী হোন ৷” রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, তুমি কি এ সাক্ষ্য দিয়ে যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন
ইলাহ্ নেই ? সে বলল, না ৷ তবে আমি অঙ্গীকার করছি যে, আমি কখনও আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করব না এবং যারা আপনার বিরংদ্ধে যুদ্ধ করবে আমি ৩াপের দলে থাকর না ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)
তাকে ছেড়ে দিলেন ৷ সে ফিরে গেল তার সাথীদের নিবল্ট ৷ সে বলল, আমি এখন সর্বশ্রেষ্ঠ
মানুষটির নিকট থেকে এসেছি ৷ এরপর বর্ণনকোরী যাতুর রিকা অঞ্চলে সালাতুল খাওফ আদায়ের
ঘটনা বপ্টা৷ করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা ) উভয় দলকে সাথে নিয়ে দু রাকআত করে নামায আদায়
করেছেন ৷ ফলে ওদের হল দু’রাকআত করে আর তার হল চার রাকআত ৷



বড়ায়হাকী (র) যাতুর রিকা অঞ্চলে সালাতুল খাওফ আদায়ের ঘটনা বর্ণনা করেছেন সালিহ্
ইবন খাওয়াত ইবন জুবায়র সুত্রে সাহ্ল ইবন আবু হাছামাহ থেকে ৷ তিনি সালিম সুত্রে তার পিতা


وَقَدْ رَوَاهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ عَفَّانَ، عَنْ أَبَانٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: «أَقْبَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِذَاتِ الرِّقَاعِ وَكُنَّا إِذَا أَتَيْنَا عَلَى شَجَرَةٍ ظَلِيلَةٍ تَرَكْنَاهَا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَجَاءَهُ رَجُلٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ وَسَيْفُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُعَلَّقٌ بِشَجَرَةٍ، فَأَخَذَ سَيْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاخْتَرَطَهُ، وَقَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: تَخَافُنِي؟ قَالَ: لَا، قَالَ: فَمَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ قَالَ: اللَّهُ يَمْنَعُنِي مِنْكَ. قَالَ: فَتَهَدَّدَهُ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَغْمَدَ السَّيْفَ وَعَلَّقَهُ. قَالَ: وَنُودِيَ بِالصَّلَاةِ، فَصَلَّى بِطَائِفَةٍ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ تَأَخَّرُوا وَصَلَّى بِالطَّائِفَةِ الْأُخْرَى رَكْعَتَيْنِ. قَالَ: فَكَانَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْبَعُ رَكَعَاتٍ وَلِلْقَوْمِ رَكْعَتَانِ.» وَقَدْ عَلَّقَهُ الْبُخَارِيُّ بِصِيغَةِ الْجَزْمِ، عَنْ أَبَانٍ بِهِ. قَالَ الْبُخَارِيُّ: وَقَالَ مُسَدَّدٌ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ: إِنَّ اسْمَ الرَّجُلِ غَوْرَثُ بْنُ الْحَارِثِ. وَأَسْنَدَ الْبَيْهَقِيُّ مِنْ طَرِيقِ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: «قَاتَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحَارِبَ خَصَفَةَ بِنَخْلٍ، فَرَأَوْا مِنَ الْمُسْلِمِينَ غِرَّةً، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْهُمْ يُقَالُ لَهُ: غَوْرَثُ بْنُ الْحَارِثِ.
পৃষ্ঠা - ২৮৪৫
حَتَّى قَامَ عَلَى رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالسَّيْفِ، وَقَالَ: مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ قَالَ: اللَّهُ. فَسَقَطَ السَّيْفُ مِنْ يَدِهِ، فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السَّيْفَ وَقَالَ: مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ فَقَالَ: كُنْ خَيْرَ آخِذٍ. قَالَ: تَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ؟ قَالَ: لَا، وَلَكِنْ أُعَاهِدُكَ عَلَى أَنْ لَا أُقَاتِلَكَ وَلَا أَكُونَ مَعَ قَوْمٍ يُقَاتِلُونَكَ. فَخَلَّى سَبِيلَهُ، فَأَتَى أَصْحَابَهُ، فَقَالَ: جِئْتُكُمْ مِنْ عِنْدِ خَيْرِ النَّاسِ.» ثُمَّ ذَكَرَ صَلَاةَ الْخَوْفِ، وَأَنَّهُ صَلَّى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ، بِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَتَيْنِ. وَقَدْ أَوْرَدَ الْبَيْهَقِيُّ هُنَا طُرُقَ صَلَاةِ الْخَوْفِ بِذَاتِ الرِّقَاعِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خُوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ وَحَدِيثَ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ فِي صَلَاةِ الْخَوْفِ بِنَجْدٍ وَمَوْضِعُ ذَلِكَ كِتَابُ " الْأَحْكَامِ ". وَاللَّهُ تَعَالَى أَعْلَمُ.
পৃষ্ঠা - ২৮৪৬

থেকে বর্ণিত নজদ অঞ্চলে সালাতুল খাওফ আদায় সম্পর্কিত যুহরীর হাদীছটিও উল্লেখ করেছেন ৷
এগুলো আবুলাচনার উপযুক্ত স্থান হল “কিতাবুল আহকাম” আল্লাইে ভাল জানেন ৷

এ অভিযানে এক সাহাবীর ইবাদতে একাগ্রত৷ ও একটি পাথী ডাকার ঘটনা

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক ববুলন, আমার চাচা সাদাকা ইবন ইয়াসার জাবির ইবন
আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেছেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্ ৷’সা) এর সাথী হয়ে যাতুর
বিকা অভিযানে বের হলাম ৷ যা তুর রিকা অঞ্চলটি ছিল প্রচুর থেজুর বৃক্ষ বিশিষ্ট ৷ জনৈক সাহাবী
এক মৃশ ৷বিকের ত্রীবুক বন্দী করেন ৷ অভিযান শেষে রাসুলুল্লাহ্ (সা) যখন মদীনার উদ্দেশ্যে ফিরতি
যাত্রা করবুলন তখন ওই মুশ ৷রিক ব্যক্তি বাড়ী আসে ৷ মহিলাটিকে বন্দী করার সময় সে বাড়ী
ছিলনা ৷ বাড়ীতে এসে সে তার ত্রী বন্দী হবা র ৷যটনা শুনতে পড়ায় ৷ সে শপথ করে বলে যে, ঘটনার
প্ৰতিবুশাধ হিসেবে সে ঘুহ ৷ষ্মাদ (সা) এর সা ৷হাবীদের মধ্যে কারো ন ৷ কারো রক্তপাত ঘটাবে ৷ সে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর পদচিহ্ন অনুসরণ করে অগ্রসর হয় ৷ এদিকে রাসৃলুল্লাহ্ (সা) এক জায়গায়
এসে শিবির স্থাপন করেন ৷ সাহাবীগবুণর উদ্দেশে তিনি বললেন বুক আছ আজ রাতে
আমাদেরকে পাহ৷ ৷রা দিবুব ? সাথে সাথে একজন মুহাজির ও একজন আনসারী সাহাবী বললেন,
ইয়া রাসুলা ল্লাহ্ (সা) আমরা পাহার৷ দেব ৷ তিনি নির্দেশ দিয়ে বললেন, তবুব বুত তামর৷ গিরিপবুথর
প্রবেশ দ্ব৷ রে গিয়ে অবন্থ ন গ্রহণ কর ৷ সাহাবী দুজন ছিলেন আম্মা র ইবন ইয়াসির ও আব্বাদ ইবন
ৰিশৃর ৷ গিবিপবুথর প্রবেশ দ্বাবুর গিয়ে আনসারী সাহাবী তার মুহাজির ভাইটিকে বললেন, আপনি
রাতের কোন অংশে বিশ্রাবুমর সুযোগ বুনবুবন আর আমি দায়িতৃ পালনকরব ? ঘুহাজির সাহাবী
তখন বললেন, রাতের প্রথম অ শে আপনি আমাকে বিশ্রাবুমর সুযোগ দেবেন ৷ত তারপর তিনি
ঘুমিয়ে পড়লেন ৷ আনসারী সাহাবী নামায়ে দাড়াবুলন ৷ উক্ত মুশবিক ব্যক্তি সেখানে এসে পৌছে ৷
নামাযরত সাহাবী দেবুখ সে বুঝে নিয়েছিল যে এ ব্যক্তি পাহারাদার ৷ সে তাকে লক্ষ্য করেত তীর
নিক্ষেপ করে ৷ তীর তার গায়ে বিদ্ধ হয় ৷ তিনি দেহ থেকে ভীরটি খুবুল ফেলে দেন এবং
নামাবুযই দ৷ ৷ড়িবুয় থাবুকন ৷ ওই ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে দ্বিতীয় বার ভীর নিক্ষেপ করে ৷ ভীরটি
সাহাবীর দেবুহ বিদ্ধ হয় ৷ এবারও তিনি ভীর থুবুল পাশে বুরবুখ দিবুলন এবং যথারীতি দ ডিবুয
নামায আদায় করতে থাকলেন ৷ মুশবিক ব্যক্তিটি র্তাকে লক্ষ্য কবুরত তস্বীয় বার ভীর নিক্ষেপ
করল ৷ বুসঢি তার শরীরে বিদ্ধ হল ৷ এবারও তিনি ভীরটি খুবুল পাশে রেবুখ দেন ৷ এবং নিয়ম
মাফিক রুকু সিজদা ৷কবুর নামায শেষ করেন ৷ তারপর তার সাথী আনসারী সাহাবীকে ঘুম থেকে
তুলে বলবুলন, উঠুন , আমি আমার দায়িত্ব পালন কবুরছি ৷ তাদের দুজনবুক কথা বলতে দেবুখ
মুশরিক ব্যক্তি ধারণা করে যে, তারা তাকে ধরার জবুন্য পরামর্শ করবুছন ৷ সে দ্রুত পালিয়ে যায় ৷
যখন আনসারী সাহাবী দেখলেন যে, মুহাজির সাহাবীর দেহ থেকে রক্ত ঝরবুছ ৷ তখন তিনি
বলবুলন, সুবহানাল্লাহ! আপনি আমাকে প্রথম ভীর বিদ্ধ হওয়ার সাথে সাথে ঘুম থেকে জাগাননি
কেন ? মুহাজির সাহাবী বলবুলন, আমি একটি বিশেষ সুরা পাঠ করছিলাম ৷ সুরাটি শেষ না করে
তিলাওয়াত ছেড়ে দিবুত আমার মন চায়নি ৷ কিন্তু সে যখন বার বার ভীর নিক্ষেপ করছিল তখন
আমি রুকু সিজদার মাধ্যমে নামায বুশষ করি ৷ আল্লাহর কসম ! রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে গিবিপথ
পাহারার দায়িতৃ দিয়েছিলেন তা পালনে ত্রুটি হবার আশং ৷ না থাকবুল আমি নামায পড়েই যেতাম


[قِصَّةُ الَّذِي أُصِيبَتِ امْرَأَتُهُ فِي هَذِهِ الْغَزْوَةِ] قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ: حَدَّثَنِي عَمِّي صَدَقَةُ بْنُ يَسَارٍ، عَنْ عَقِيلِ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: «خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ ذَاتِ الرِّقَاعِ مِنْ نَخْلٍ، فَأَصَابَ رَجُلٌ امْرَأَةَ رَجُلٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ، فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَافِلًا، أَتَى زَوْجُهَا وَكَانَ غَائِبًا، فَلَمَّا أُخْبِرَ الْخَبَرَ، حَلَفَ لَا يَنْتَهِي حَتَّى يُهَرِيقَ فِي أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ دَمًا، فَخَرَجَ يَتْبَعُ أَثَرَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْزِلًا فَقَالَ: مَنْ رَجُلٌ يَكْلَؤُنَا لَيْلَتَنَا؟ فَانْتَدَبَ رَجُلٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَرَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ. فَقَالَا: نَحْنُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: فَكُونَا بِفَمِ الشِّعْبِ مِنَ الْوَادِي. وَهُمَا عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ، وَعَبَّادُ بْنُ بِشْرٍ، فَلَمَّا خَرَجَا إِلَى فَمِ الشِّعْبِ قَالَ الْأَنْصَارِيُّ لِلْمُهَاجِرِيِّ: أَيُّ اللَّيْلِ تُحِبُّ أَنْ
পৃষ্ঠা - ২৮৪৭
أَكْفِيَكَهُ ; أَوَّلَهُ أَمْ آخِرَهُ؟ قَالَ: بَلِ اكْفِنِي أَوَّلَهُ. فَاضْطَجَعَ الْمُهَاجِرِيُّ فَنَامَ، وَقَامَ الْأَنْصَارِيُّ يُصَلِّي. قَالَ: وَأَتَى الرَّجُلُ، فَلَمَّا رَأَى شَخْصَ الرَّجُلِ، عَرَفَ أَنَّهُ رَبِيئَةُ الْقَوْمِ، فَرَمَى بِسَهْمٍ فَوَضَعَهُ فِيهِ، فَانْتَزَعَهُ وَوَضَعَهُ، وَثَبَتَ قَائِمًا. قَالَ: ثُمَّ رَمَى بِسَهْمٍ آخَرَ فَوَضَعَهُ فِيهِ. قَالَ: فَانْتَزَعَهُ، فَوَضَعَهُ وَثَبَتَ قَائِمًا. قَالَ: ثُمَّ عَادَ لَهُ بِالثَّالِثِ، فَوَضَعَهُ فِيهِ فَنَزَعَهُ فَوَضَعَهُ، ثُمَّ رَكَعَ وَسَجَدَ، ثُمَّ أَهَبَّ صَاحِبَهُ، فَقَالَ: اجْلِسْ فَقَدْ أُثْبِتُّ. قَالَ: فَوَثَبَ الرَّجُلُ، فَلَمَّا رَآهُمَا الرَّجُلُ، عَرَفَ أَنَّهُ قَدْ نَذِرَا بِهِ، فَهَرَبَ. قَالَ: وَلَمَّا رَأَى الْمُهَاجِرِيُّ مَا بِالْأَنْصَارِيِّ مِنَ الدِّمَاءِ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ! أَفَلَا أَهْبَبْتَنِي أَوَّلَ مَا رَمَاكَ؟ ! قَالَ: كُنْتُ فِي سُورَةٍ أَقْرَؤُهَا، فَلَمْ أُحِبَّ أَنْ أَقْطَعَهَا حَتَّى أُنْفِذَهَا، فَلَمَّا تَابَعَ عَلَيَّ الرَّمْيَ رَكَعْتُ فَآذَنْتُكَ، وَايْمُ اللَّهِ لَوْلَا أَنْ أُضَيِّعَ ثَغْرًا أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِحِفْظِهِ، لَقَطَعَ نَفْسِي قَبْلَ أَنْ أَقْطَعَهَا أَوْ أُنْفِذَهَا.» هَكَذَا ذَكَرَهُ ابْنُ إِسْحَاقَ فِي الْمَغَازِي. وَقَدْ رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ أَبِي تَوْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ بِهِ.
পৃষ্ঠা - ২৮৪৮
وَقَدْ ذَكَرَ الْوَاقِدِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الْعُمَرِيِّ، عَنْ أَخِيهِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خُوَّاتٍ عَنْ أَبِيهِ حَدِيثَ صَلَاةِ الْخَوْفِ بِطُولِهِ قَالَ: «وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَصَابَ فِي مَحَالِّهِمْ نِسْوَةً، وَكَانَ فِي السَّبْيِ جَارِيَةٌ وَضِيئَةٌ، وَكَانَ زَوْجُهَا يُحِبُّهَا، فَحَلَفَ لِيَطْلُبَنَّ مُحَمَّدًا، وَلَا يَرْجِعُ حَتَّى يُصِيبَ دَمًا أَوْ يُخَلِّصَ صَاحِبَتَهُ.» ثُمَّ ذَكَرَ مِنَ السِّيَاقِ نَحْوَ مَا أَوْرَدَهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ. قَالَ الْوَاقِدِيُّ: وَكَانَ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ: «بَيْنَا أَنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ بِفَرْخٍ طَائِرٍ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْظُرُ إِلَيْهِ، فَأَقْبَلَ إِلَيْهِ أَبَوَاهُ أَوْ أَحَدُهُمَا، حَتَّى طَرَحَ نَفْسَهُ فِي يَدَيِ الَّذِي أَخَذَ فَرْخَهُ، فَرَأَيْتُ أَنَّ النَّاسَ عَجِبُوا مِنْ ذَلِكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَتَعْجَبُونَ مِنْ هَذَا الطَّائِرِ؟ ! أَخَذْتُمْ فَرْخَهُ فَطَرَحَ نَفْسَهُ رَحْمَةً لِفَرْخِهِ، فَوَاللَّهِ لَرَبُّكُمْ أَرْحَمُ بِكُمْ مِنْ هَذَا الطَّائِرِ بِفَرْخِهِ»
পৃষ্ঠা - ২৮৪৯

এবং সুরাটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিলাওয়াতে ক্ষাম্ভ দিতাম না ৷ তাতে আমার মৃত্যু হলেও কোন
পরােয়া ছিলনা ৷ ইবন ইসহাক তার মাগড়াযী গ্রন্থে এরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ ইমাম আবু দাউদ এই
হাদীছ আবু তাওবা ইবন ইসহাক সুত্রে বর্ণনা করেছেন ৷ ওয়াকিদী আবদুল্লাহ উমারী
— খাওয়াত সুত্রে সালাতুল খাওফের দীর্ঘ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ৷ উক্ত হাদীছে বর্ণনাকারী
বলেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) ওই অভিযানে শত্রুপক্ষের বহু মহিলাকে বন্দী করেন ৷ বন্দী
মহিলাদের মধ্যে জনৈকা সুন্দরী দাসী ছিল ৷ তার স্বামী তাকে খুব ভালবড়াসত ৷ ত্রীর বন্দীর সংবাদ
শুনে সে শপথ করে বলেছিল সে মুহাম্মাদ (সা)-কে খুজে বের করবে এবং ওদের কারো না
কারো রক্ত প্রবাহিত না করে অথবা নিজের ত্রীকে উদ্ধার না করে :স ঘরে ফিররে না ৷ এর পরের
বর্ণনা মুহাম্মাদ ইবন ইসহাকের বর্ণনার অনুরুপ ৷

ওয়াকিদী বলেন, হযরত জাবির (বা) বলতেন যে, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে ছিলাম ৷
জনৈক সাহাবী একটি পাখীর ছানা নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো শু রাসুলুল্লাহ্ (সা) সেদিকে
তাকিয়েছিলেন ৷ অল্পক্ষণের মধ্যে ছানাটির বড়াবা-মা অথবা তাদের কোন একটি সেখানে উড়ে
এসে সংশ্লিষ্ট সাহাবীর হাতে এসে বসে পড়ে ৷ এ ঘটনায় উপস্থিত সাহাবীগণ বিস্মিত হয়ে পড়েন ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, পাখীটিব অবস্থা দেখে তোমরা অবাক হচ্ছ ? তোমরা তার ছানাটি নিয়ে
এসেছ আর সন্তান বাৎসল্যের কারণে পাথীটি নিজের জীবন তুচ্ছ জ্ঞান করে তোমাদের সম্মুখে
লুটিয়ে পড়েছেন ৷ জেনে নাও, আল্লাহ্র কসম করে বলছি এই ছানাটির প্রতি পাখীটিব মমতা
যতটুকু তোমাদের প্রতি তোমাদের প্রভু ও মালিক আল্লাহ তাআলার দয়া তার চাইতে বহুগুণ
বেশী ৷

হযরত জাবির (বা) এর উটের ঘটনা

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেন, ওয়াহ্ব ইবন কায়সান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির
ইবন আবদুল্লাহ সুত্রে তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর সাথে যাতুর রিকা অভিযানে বের
হই ৷ আমি বের হয়েছিলাম আমার একটি দুর্বল উটের পিঠে চড়ে ৷ অভিযান শেষে ফেরার পথে
আমার সাথী-সঙ্গীরা দ্রুত অগ্রসর হচ্ছিল ৷ আর আমি দুর্বল উটের কারণে বার বার পিছিয়ে
পড়ছিলড়াম ৷ এ অবস্থায় রাসুলুল্লাহ্ (সা) পেছনে থেকে অগ্রসর হয়ে আমার নিকট পৌছে গেলেন ৷
তিনি আমাকে বললেন, জাবির ! ব্যাপার কী ? আমি বললাম , ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সা) ! আমার এই
উট আমাকে পেছনে ফেলে রেখেছে ৷ তিনি বললেন, উটটিকে বসাও ৷ জাবির (বা) বলেন, আমি
আমার উটটিকে বসালাম এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা) ও তার বাহন থামালেন ৷ তিনি আমাকে বললেন,
তোমার হাতের ছড়িটি আমাকে দাও অথবা একটি গাছের ডাল ভেঙ্গে এনে আমাকে দাও ৷ আমি
তাই করলাম ৷ তিনি সেটি দ্বারা উটকে কয়েকটি খোচা মারলেন ৷ তারপর আমাকে বললেন,
এবার তুমি উটের পিঠে উঠে বস ৷ আমি উটের পিঠে উঠলাম ৷ উটটি চলতে শুরু করল ৷ যে
মহান সত্তা রাসুলুল্লাহ্ (সা)-কে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন তার কসম করে বলছি, রাসুলুল্পাহ্
(সা) এর উটের সাথে সাথে তখনই আমার উটটিও চলতে থাকে ৷ আমি চলতে চলতে
রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে আলাপ করছিলাম ৷ তিনি বললেন, হে জাবির ! তুমি কি এই উট আমার
কাছে বিক্রি করবে ? আমি বললাম , ত্মী না বিক্রি করব না; বরং সেটি আপনাকে উপচৌকন স্বরুপ

২২ —

[قِصَّةُ جَمَلِ جَابِرٍ فِي هَذِهِ الْغَزْوَةِ] قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ: حَدَّثَنِي وَهْبُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: «خَرَجْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى غَزْوَةِ ذَاتِ الرِّقَاعِ مِنْ نَخْلٍ، عَلَى جَمَلٍ لِي ضَعِيفٍ، فَلَمَّا قَفَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَعَلَتِ الرِّفَاقُ تَمْضِي، وَجَعَلْتُ أَتَخَلَّفُ حَتَّى أَدْرَكَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَا لَكَ يَا جَابِرُ؟ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَبْطَأَ بِي جَمَلِي هَذَا. قَالَ: أَنِخْهُ. قَالَ: فَأَنَخْتُهُ وَأَنَاخَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ: أَعْطِنِي هَذِهِ الْعَصَا مِنْ يَدِكَ أَوِ: اقْطَعْ عَصًا مِنْ شَجَرَةٍ. فَفَعَلْتُ فَأَخَذَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَخَسَهُ بِهَا نَخَسَاتٍ، ثُمَّ قَالَ: ارْكَبْ. فَرَكِبْتُ فَخَرَجَ - وَالَّذِي بَعَثَهُ بِالْحَقِّ - يُوَاهِقُ نَاقَتَهُ مُوَاهَقَةً. قَالَ: وَتَحَدَّثْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لِي: أَتَبِيعُنِي جَمَلَكَ هَذَا يَا جَابِرُ؟ قَالَ: قُلْتُ: بَلْ أَهِبُهُ لَكَ. قَالَ: لَا، وَلَكِنْ بِعْنِيهِ. قَالَ: قُلْتُ: فَسُمْنِيهِ. قَالَ: قَدْ أَخَذْتُهُ بِدِرْهَمٍ. قَالَ: قُلْتُ: لَا، إِذًا تَغْبِنُنِي يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ:
পৃষ্ঠা - ২৮৫০

দিয়ে দেব ৷ তিনি বললেন, না দান নয়; বরং সেটি আমার নিকট বেচে দাও ন্ন্ এবার আমি বললাম ,
তবে মুল্য নির্ধারণ করুন ৷ তিনি বললেন, ঠিক আছে এক দিরহামের বিনিময়ে আমি উটটি গ্রহণ
করলাম ৷ আমি বললাম, না ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সা) ! তাহলে আমি ঠকে যাব ৷ তিনি বললেন, তবে
দু দিরহামে ? আমি বললাম , না তাও নয় ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) অ্যাবরত দাম বৃদ্ধি করতে
লাগলেন ৷ শেষ পর্যন্ত বললেন, এক উকিয়ার তথা (চল্লিশ দিরহামের) বিনিময়ে ৷ আমি বললাম,
তাতে কি আপনি খুশী ? তিনি বললেন, হী আমি খুশী ৷ আমি বললাম, তবে এই উটের মালিক
হলেন আপনি ৷ তিনি বললেন, হী আমি তা গ্রহণ করলাম ৷ এরপর তিনি বললেন হে, জাবির ! তুমি
কি ব্যিয় করেছ স্ আমি বললাম, জী হী ৷ ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সা) ৷ তিনি ৷ৰুৰুট্রুজ্জ্বজ্ঞেস করলেন কুমারী
নিয়ে না কি বিবাহিতা ? আমি বললড়াম , বিবাহিতা ৷ তিনি বললেন কুমারী বিয়ে করলে না কেন ?
তাহলে তুমি ওর সাথে আনন্দ করতে সে তোমাকে নিয়ে আনন্দ করত ৷ আমি বললাম, ইয়া
রাসুলাল্লাহ্ (সা) আমার আব্বজােন উহুদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন ৷ তিনি ৭টি কন্যা সন্তান রেখে
গিয়েছেন ৷ তাই আমি একজন বয়স্কা মহিলা বিয়ে করেছি যাতে যে ওদেরকে দেখা শোনা ও
তত্ত্বাব ধান করতে পারে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, এটি তুমি ইনশাআল্লাহ্ ঠিক কাজটি করেছ ৷
আমরা যখন সিরার নামক স্থানে পৌছব তখন আমি উট যবাই করার নির্দেশ দেব ৷ সেখানে উট
যবাই হবে এবং একদিন সেখানে আমরা থাকবাে ৷ ওই দিন আমরা ওখানে থাকর ৷ তোমার শ্রী
আমাদের আগমন সংবাদ শুনলে তার গদিগুলো ঝেড়ে নেবে, আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ
(সা) ! আমাদের তো কোন গদি নেই ৷ তিনি বলেন, এখন না থাকলেও তখন থাকবে ৷ আর তুমি
যখন শ্ৰীর নিকট যাবে তখন বুদ্ধিমত্তার সাথে বিবেচনা সম্মত কাজ করবে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) সহ
আমরা “সিরার” নামক স্থানে এলাম , তিনি উট যবাই করার নির্দেশ দিলেন ৷ উট যবাহ করা হল ৷
আমরা সেদিন ওখানে থাকলাম ৷ সন্ধাবেল৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ও আমরা সকলে মদীনায় প্রবেশ
করলাম ৷ বাড়ী গিয়ে আমার ত্রীকে আমি সব খুলে বলি, যে বলল, ঠিক আছে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
নির্দেশ শিরাে ধার্য ৷ সকাল বেলা আমি উটটি নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করি ৷ তীর
দরজায় গিয়ে আমি উটটিকে বসিয়ে দিই ৷ তারপর নিজে মসজিদে গিয়ে র্তার কাছেই বসি ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) হুজরা থেকে বের হয়ে উটটি দেখতে পান ৷ তিনি বললেন, এটি কার উট ?
ব্যাপার কী ? লোকজন বলল, এটি জাবিরের উট ৷ তিনি নিয়ে এসেছেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন,
জাবির কোথায় ? আমাকে ডাকা হল ৷ তারপর তিনি আমাকে বললেন, ভাতিজা ! তু তোমার
উটটি ধর এবং নিয়ে যাও ৷ এটি ভোমারই থাকবে ৷ এরপর তিনি হযরত বিলাল (রা)শ্কে ডেকে
বললেন , যাও , জাবিরকে এক উকিয়া (৪ : দিরহাম) দিয়ে দাও ৷ হযরত জাবির (রা) বলেন, আমি
বিলালের সাথে গেলাম ৷ তিনি আমাকে এক উকিয়া দিলেন বরং ধি১দ্বু৮৷ বেশী দিলেন ৷ আল্লাহর
কসম ! সেটি আমার নিকট ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল ৷ আমার পরিবারের মধ্যে মুদ্রাটির একটি
আলাদা মর্যাদা ছিল ৷ অবশেষে হাররা দিবসের বিশৃৎখলায় সেটি হারিয়ে যায় ৷ ইমাম বুখারী (র)
এই হড়াদীছ উবায়দুল্লাহ ইবন উমার আমবী জাবির (রা ) সুত্রে অনুরুপ উদ্ধৃত করেছেন ৷



সুহায়লী বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) হযরত জাবির (রা)-কে তার পিতা সম্পর্কে যে সুসংবাদ
দিয়েছিলেন এই হাদীছে সেদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন যে , আল্লাহ


فَبِدِرْهَمَيْنِ. قَالَ: قُلْتُ: لَا. قَالَ: فَلَمْ يَزَلْ يَرْفَعُ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حَتَّى بَلَغَ الْأُوقِيَّةَ. قَالَ: فَقُلْتُ: أَفْقَدْ رَضِيتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: نَعَمْ. قُلْتُ: فَهُوَ لَكَ. قَالَ: قَدْ أَخَذْتُهُ. ثُمَّ قَالَ: يَا جَابِرُ هَلْ تَزَوَجْتَ بَعْدُ؟ قَالَ: قُلْتُ: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: أَثِيِّبًا أَمْ بِكْرًا؟ قَالَ: قُلْتُ: بَلْ ثِيِّبًا. قَالَ: أَفَلَا جَارِيَةً تُلَاعِبُهَا وَتَلَاعِبُكَ؟ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَبِي أُصِيبَ يَوْمَ أُحُدٍ وَتَرَكَ بَنَاتٍ لَهُ سَبْعًا، فَنَكَحْتُ امْرَأَةً جَامِعَةً، تَجْمَعُ رُءُوسَهُنَّ فَتَقُومُ عَلَيْهِنَّ. قَالَ: أَصَبْتَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ، أَمَا إِنَّا لَوْ قَدْ جِئْنَا صِرَارًا، أَمَرْنَا بِجَزُورٍ فَنُحِرَتْ فَأَقَمْنَا عَلَيْهَا يَوْمَنَا ذَلِكَ، وَسَمِعَتْ بِنَا فَنَفَضَتْ نَمَارِقَهَا. قَالَ: فَقُلْتُ: وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا لَنَا مِنْ نَمَارِقَ. قَالَ: إِنَّهَا سَتَكُونُ، فَإِذَا أَنْتَ قَدِمْتَ فَاعْمَلْ عَمَلًا كَيِّسًا. قَالَ: فَلَمَّا جِئْنَا صِرَارًا أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِجَزُورٍ فَنُحِرَتْ، فَأَقَمْنَا عَلَيْهَا ذَلِكَ الْيَوْمَ، فَلَمَّا أَمْسَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ وَدَخَلْنَا. قَالَ: فَحَدَّثْتُ الْمَرْأَةَ الْحَدِيثَ، وَمَا قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: فَدُونَكَ، فَسَمْعٌ وَطَاعَةٌ. فَلَمَّا أَصْبَحْتُ أَخَذْتُ بِرَأْسِ الْجَمَلِ، فَأَقْبَلْتُ بِهِ حَتَّى أَنَخْتُهُ عَلَى بَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ جَلَسْتُ فِي الْمَسْجِدِ قَرِيبًا مِنْهُ. قَالَ: وَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَرَأَى الْجَمَلَ، فَقَالَ: مَا هَذَا؟ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذَا جَمَلٌ جَاءَ بِهِ جَابِرٌ. قَالَ: فَأَيْنَ جَابِرٌ؟ فَدُعِيتُ لَهُ. قَالَ: فَقَالَ: يَا ابْنَ أَخِي، خُذْ بِرَأْسِ جَمَلِكَ، فَهُوَ لَكَ. قَالَ: وَدَعَا بِلَالًا، فَقَالَ: اذْهَبْ
পৃষ্ঠা - ২৮৫১

তা আল৷ জ বির (রা) এর পিতা আবদুল্লাহ্কে শহীদ হওয়ার পর জীবিত করেছিলেন এবং
বলেছিলেন, তুমি তোমার আকাৎখ৷ ব্যক্ত কর ৷ এ জন্যে যে,৩ তিনি ছিলেন শহীদ ৷ শহীদদের
সম্পর্কে আল্লাহ্ তাআল৷ বলেছেন :

দ্পু ৷ স্পোএ্ ৰু,£; স্পোপু ৷ব্লুটুর্চুাট্রু ষ্টু০ট্রুণ্,ট্রু০ৰুব্লুৰুদু ৰু;,ট্রু ;হ্রছুপু ! ষ্টু০ এেপ্রুব্লুটু£ ৷ ব্লুপু ৷ র্দু, ৷

আল্লাহ তা অ লা মু মিনদের নিকট হতে৩ তা দের জীবন ও সম্পদ ক্রয় করে নিয়েছেন তাদের
জন্যে এর বিনিময়ে রয়েছে জান্নড়াত ৷ তারা আল্লাহ্র পথে সংগ্রাম করে , নিধন করে এবং নিহত
হয় ৷ তাওরাত ইনজীল ও কুরআনে এ সম্পর্কে তাদের দৃঢ় প্ৰ শ্©শ্রুর্ভি রয়েছে ৷ নিজ প্রতিজ্ঞা
পালনে আল্লাহ্ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর কে রয়েছে ? তোমরা যে সওদা করেছ সেই সওদার জন্যে
আনন্দ কর এবং সেঢিই মহা সাফল্য ৷ (৯-সুরা তাওবা : ১ ১ ১ ) অন্য এক বাণীতে আল্লাহ
তাআল৷ তাদের জন্যে আরো অধিক পুরস্কারের কথা বলেছেন ৷ তার বলেছেন ং

ক্রুশ্শ্ :০ :!০শ্শ্াষ্ন্ন্


যারা ভাল কাজ করে তাদের জন্যে আছে কল্যাণ এবং আরো অধিক ৷ ( ১ : ইউনুসং : ২৬) ৷
এরপর তিনি তাদেরকে মাল ও মুল্য অর্থাৎ উভয় বিনিময় প্রদান করেছেন ৷ তিনি তাদের থেকে
ক্রয় করা রুহগুলো তা ৷দের নিকট ফিরিয়ে দিয়েছেন ৷ আল্লাহ তা আলা বলেনং :

৩ শ্ ,


যারা আল্লাহর পথে নিহত হয় তাদেরকে মৃত মনে করে৷ না ৷ তা ৷র৷ বরং জীবিত ৷ তাদের
প্ৰতিপ৷ ৷লকের নিকট জীবিকাপ্রাপ্ত ৷ (৩ আলে ইমরান৪ ১৬৯) ৷

মানুষের জন্যে রুহ হল বাহনের ন্যায় ৷ উমর ইবন আবদুল আষীয তাই বলেছেন ৷ সুহায়লী
বলেন , এ জন্যে রাসুলুল্লাহ্ (সা) জাবির (রা) থেকে উটটি ক্রয় করেছিলেন সেটি ছিল তার বাহন ৷
এরপর উট ও দিলেন, মুল্যও দিলেন এবং কিছুটা অতিরিক্তও দিলেন, এ ঘটনার মধ্যে তার পিতা
সম্পর্কে দেয়৷ সুসৎবাদের বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল ৷ সুহায়লী এখানে যে মন্তব্য করেছেন তা
অবশ্য খুবই সুক্ষ্ম ইঙ্গিত এবং অভুতপুর্ব চিন্তাধারা ৷ আল্লাহ তাআলাই ভাল জানেন ৷

বায়হাকী (র) তার দালাইল গ্রন্থে এই যুদ্ধের অধ্যায়ে উপরোক্ত হাদীছ দ্বারা শিরোনাম তৈরী
করেছেন ৷ তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধে জাবির (রা)-এর উটকে কেন্দ্র করে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
প্রকাশিত বরকত ও নিদর্শনসমুহ বিষয়ক পরিচ্ছেদ ৷ হযরত জা ৷বির (রা ) থেকে এই হাদীছ বিভিন্ন
সনদে এবং বিভিন্ন পাঠে বর্ণিত হয়েছে ৷ উটের মুল্য এবং নির্ধারিত শর্ত বিষয়ে হাদীছটিতে বিভিন্ন
প্রকারের মতভেদ রয়েছে ৷ অবশ্য এগুলো নিয়ে বিস্তারিত ও পরিপুর্ণ লেখার স্থান হল বিধি-বিধান
অ ধ্যাযেব ক্রয়-বিক্রয় পর্ব ৷ আ ৷ল্লাহ্ইত৷ ৷ল জানেন ৷ কোন বর্ণনায় আছে যে এ ঘটনা এই যুদ্ধে
ঘটেছে আবার কো ন বর্ণনায় আছে যে, অন্য যুদ্ধে ঘটেছে ৷ একই ঘটনা বার বার ঘটেছে তার
সম্ভাবনা একা ৷ম্ভই ক্ষীণ ৷ আল্লাহ্ইত৷ ৷ল জা নেন ৷


بِجَابِرٍ فَأَعْطِهِ أُوقِيَّةً قَالَ: فَذَهَبْتُ مَعَهُ، فَأَعْطَانِي أُوقِيَّةً، وَزَادَنِي شَيْئًا يَسِيرًا. قَالَ: فَوَاللَّهِ مَا زَالَ يَنْمِي عِنْدِي وَيُرَى مَكَانُهُ مِنْ بَيْتِنَا، حَتَّى أُصِيبَ أَمْسِ فِيمَا أُصِيبَ لَنَا.» يَعْنِي يَوْمَ الْحَرَّةِ. وَقَدْ أَخْرَجَهُ صَاحِبَا الصَّحِيحِ مِنْ حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيِّ، عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ جَابِرٍ بِنَحْوِهِ. قَالَ السُّهَيْلِيُّ: فِي هَذَا الْحَدِيثِ إِشَارَةٌ إِلَى مَا كَانَ أَخْبَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ اللَّهَ أَحْيَا وَالِدَهُ وَكَلَّمَهُ، فَقَالَ لَهُ: تَمَنَّ عَلَيَّ. وَذَلِكَ أَنَّهُ شَهِيدٌ، وَقَدْ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَى مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنْفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ} [التوبة: 111] وَزَادَهُمْ عَلَى ذَلِكَ فِي قَوْلِهِ: {لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26] ثُمَّ جَمَعَ لَهُمْ بَيْنَ الْعِوَضِ وَالْمُعَوَّضِ، فَرَدَّ عَلَيْهِمْ أَرْوَاحَهُمُ الَّتِي اشْتَرَاهَا مِنْهُمْ، فَقَالَ: {وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ} [آل عمران: 169] وَالرُّوحُ لِلْإِنْسَانِ بِمَنْزِلَةِ الْمَطِيَّةِ، كَمَا قَالَ ذَلِكَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: فَلِذَلِكَ اشْتَرَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَابِرٍ جَمَلَهُ وَهُوَ مَطِيَّتُهُ فَأَعْطَاهُ ثَمَنَهُ، ثُمَّ رَدَّهُ عَلَيْهِ، وَزَادَهُ مَعَ ذَلِكَ. قَالَ: فَفِيهِ تَحْقِيقٌ لِمَا كَانَ أَخْبَرَهُ
পৃষ্ঠা - ২৮৫২
بِهِ، عَنْ أَبِيهِ. وَهَذَا الَّذِي سَلَكَهُ السُّهَيْلِيُّ هَاهُنَا إِشَارَةٌ غَرِيبَةٌ وَتَخَيُّلٌ بَدِيعٌ. وَاللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَعْلَمُ. وَقَدْ تَرْجَمَ الْحَافِظُ الْبَيْهَقِيُّ فِي كِتَابِهِ " دَلَائِلِ النُّبُوَّةِ " عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ فِي هَذِهِ الْغَزْوَةِ فَقَالَ: بَابُ مَا ظَهَرَ فِي غَزَاتِهِ هَذِهِ مِنْ بَرَكَاتِهِ وَآيَاتِهِ فِي جَمَلِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ. وَهَذَا الْحَدِيثُ لَهُ طُرُقٌ عَنْ جَابِرٍ وَأَلْفَاظٌ كَثِيرَةٌ، وَفِيهِ اخْتِلَافٌ كَثِيرٌ فِي كِمِّيَّةِ ثَمَنِ الْجَمَلِ وَكَيْفِيَّةِ مَا اشْتُرِطَ فِي الْبَيْعِ. وَتَحْرِيرُ ذَلِكَ وَاسْتِقْصَاؤُهُ لَائِقٌ بِكِتَابِ الْبَيْعِ مِنَ " الْأَحْكَامِ ". وَاللَّهُ أَعْلَمُ. وَقَدْ جَاءَ تَقْيِيدُهُ بِهَذِهِ الْغَزْوَةِ، وَجَاءَ تَقْيِيدُهُ بِغَيْرِهَا، كَمَا سَيَأْتِي، وَمُسْتَبْعَدٌ تَعْدَادُ ذَلِكَ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ.