كتاب أخبار الماضين من بني إسرائيل وغيرهم
قصة أصحاب الكهف
পৃষ্ঠা - ১০৭২
ষ্ষ্
আসহাবে কাহাফ এর ঘটনা
আল্পাহতাআলা বলেন :
গাে ৷ ১ ৷ ণ্ ৷
;); ৷ টু) এেং জুট্রু ১১১ ইাছুট্রু ১াং১১র্দু৷ টু) ১১ ৷ ৷ ১ , ৷ ,১ ৮১১ ঞা ৷ ৷ প্১১১১ ৷
§ শ্
ৰুট্রুগ্লু১ ৷ ৷
¢ ৷
০
মোঃ এেএ
ণ্১া০ ৷
; শ্ : এ এ : ; : এ শ্ ) ন্ : ১ : ) ব্লু : ; : ’ :
ষ্বুষ্গুঘ্র
১১১১
াও ১ চুহু১, এ্যা১৷ ১ ;এ ছুণ্ট্রুণ্ণ্ছুণ্ণ্ ৬ছুট্টা১ত্র ণ্ন্প্৬ ৬ছুাট্টা ন্া১এ ১-শ্১১া৮
া১১১ ৷ ১১ ৷া১ ষ্ক১১১১ ংণ্দ্বু চুড্রুপুন্স্থু প্রু১া১ ট্রুা৷১ৰু ৰুহু১,া১ংন্;া১ ৷ এ১ ৷১১১১ ন্১১১১১ ১১১ ১ওপ্রু
০
ছু১হ্রন্এড্রুা
ছুৰু এটু,১ ণ্ব্লু১ংা ৷াহুণ্ চু;১ ষ্দ্বুট্রু ৷ গ্র,১ ৷ স্পো এ১১১ ৷ ক্রো৷ ৷ :১১১
০ ’ : : : : ন্ণ্ : :
এ
[قِصَّةُ أَصْحَابِ الْكَهْفِ]
قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا رَبَّنَا آتِنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا فَضَرَبْنَا عَلَى آذَانِهِمْ فِي الْكَهْفِ سِنِينَ عَدَدًا ثُمَّ بَعَثْنَاهُمْ لِنَعْلَمَ أَيُّ الْحِزْبَيْنِ أَحْصَى لِمَا لَبِثُوا أَمَدًا نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ نَبَأَهُمْ بِالْحَقِّ إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى وَرَبَطْنَا عَلَى قُلُوبِهِمْ إِذْ قَامُوا فَقَالُوا رَبُّنَا رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَنْ نَدْعُوَ مِنْ دُونِهِ إِلَهًا لَقَدْ قُلْنَا إِذًا شَطَطًا هَؤُلَاءِ قَوْمُنَا اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ آلِهَةً لَوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِمْ بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَى عَلَى اللَّهِ كَذِبًا وَإِذِ اعْتَزَلْتُمُوهُمْ وَمَا يَعْبُدُونَ إِلَّا اللَّهَ فَأْوُوا إِلَى الْكَهْفِ يَنْشُرْ لَكُمْ رَبُّكُمْ مِنْ رَحْمَتِهِ وَيُهَيِّئْ لَكُمْ مِنْ أَمْرِكُمْ مِرْفَقًا وَتَرَى الشَّمْسَ إِذَا طَلَعَتْ تَزَاوَرُ عَنْ كَهْفِهِمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَإِذَا غَرَبَتْ تَقْرِضُهُمْ ذَاتَ الشِّمَالِ وَهُمْ فِي فَجْوَةٍ مِنْهُ ذَلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ مَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِي وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَنْ تَجِدَ لَهُ وَلِيًّا مُرْشِدًا وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ وَنُقَلِّبُهُمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَذَاتَ الشِّمَالِ وَكَلْبُهُمْ بَاسِطٌ ذِرَاعَيْهِ بِالْوَصِيدِ لَوِ اطَّلَعْتَ عَلَيْهِمْ لَوَلَّيْتَ مِنْهُمْ فِرَارًا وَلَمُلِئْتَ مِنْهُمْ رُعْبًا وَكَذَلِكَ بَعَثْنَاهُمْ لِيَتَسَاءَلُوا بَيْنَهُمْ قَالَ قَائِلٌ مِنْهُمْ كَمْ لَبِثْتُمْ قَالُوا لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ قَالُوا رَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثْتُمْ فَابْعَثُوا أَحَدَكُمْ بِوَرِقِكُمْ هَذِهِ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلْيَنْظُرْ أَيُّهَا أَزْكَى طَعَامًا فَلْيَأْتِكُمْ بِرِزْقٍ مِنْهُ وَلْيَتَلَطَّفْ وَلَا يُشْعِرَنَّ بِكُمْ أَحَدًا إِنَّهُمْ إِنْ يَظْهَرُوا عَلَيْكُمْ يَرْجُمُوكُمْ أَوْ يُعِيدُوكُمْ فِي مِلَّتِهِمْ وَلَنْ تُفْلِحُوا إِذًا أَبَدًا وَكَذَلِكَ أَعْثَرْنَا عَلَيْهِمْ لِيَعْلَمُوا أَنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ وَأَنَّ السَّاعَةَ لَا رَيْبَ فِيهَا إِذْ يَتَنَازَعُونَ بَيْنَهُمْ أَمْرَهُمْ فَقَالُوا ابْنُوا عَلَيْهِمْ بُنْيَانًا رَبُّهُمْ أَعْلَمُ بِهِمْ قَالَ الَّذِينَ غَلَبُوا عَلَى أَمْرِهِمْ لَنَتَّخِذَنَّ عَلَيْهِمْ مَسْجِدًا سَيَقُولُونَ ثَلَاثَةٌ رَابِعُهُمْ كَلْبُهُمْ وَيَقُولُونَ خَمْسَةٌ سَادِسُهُمْ كَلْبُهُمْ رَجْمًا بِالْغَيْبِ وَيَقُولُونَ سَبْعَةٌ وَثَامِنُهُمْ كَلْبُهُمْ قُلْ رَبِّي أَعْلَمُ بِعِدَّتِهِمْ مَا يَعْلَمُهُمْ إِلَّا قَلِيلٌ فَلَا تُمَارِ فِيهِمْ إِلَّا مِرَاءً ظَاهِرًا وَلَا تَسْتَفْتِ فِيهِمْ مِنْهُمْ أَحَدًا وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَلِكَ غَدًا إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ وَاذْكُرْ رَبَّكَ إِذَا نَسِيتَ وَقُلْ عَسَى أَنْ يَهْدِيَنِي رَبِّي لِأَقْرَبَ مِنْ هَذَا رَشَدًا وَلَبِثُوا فِي كَهْفِهِمْ ثَلَاثَ مِائَةٍ سِنِينَ وَازْدَادُوا تِسْعًا قُلِ اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثُوا لَهُ غَيْبُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ أَبْصِرْ بِهِ وَأَسْمِعْ مَا لَهُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا يُشْرِكُ فِي حُكْمِهِ أَحَدًا} [الكهف: 9]
[الْكَهْفِ: 9 - 26] .
পৃষ্ঠা - ১০৭৩
ষ্ষ্
তুমি দেখতে পেতে-ওরা গুহার প্রশস্ত চত্বরে অবস্থিত, সুর্য উদয়কালে ওদের গুহার দক্ষিণ
পার্ণে (হলে যায় এবং অস্তকালে ওদেরকে অতিক্রম করে বামপার্শ্ব দিয়ে ৷ এ সমস্ত আল্লাহর
নিদর্শন আল্লাহ যাকে সৎপথে পরিচালিত করেন, যে সৎপথ প্রাপ্ত এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট
করেন, তুমি কখনই তার কোন পথ প্রদর্শনকারী অভিভাবক পাবে না ৷ তুমি মনে করতে ওরা
জাগ্রত, কিভু ওরা ছিল নিদ্রিত ৷ আমি তাদেরকে পার্শ্ব পরিবর্জা করাতাম ডান দিকে ও বামে
এবং ওদের কুকুর ছিল সম্মুখের পা দুটো গুহাদ্বারে প্রসারিত করে ৷ তাকিয়ে ওদেরকে দেখলে
তুমি পেছনে ফিরে পলায়ন করতে ও ওদের ভয়ে আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়তে ৷ এবং এভাবেই আমি
ওদেরকে জাগরিত করলাম যাতে ওরা পরস্পরের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করে ৷ ওদের একজন
বলল, তোমরা কতকাল অবস্থান করেছা কেউ কেউ বলল, একদিন অথবা একদিনের কিছু
অংশ ৷ কেউ কেউ বলল, তোমরা কতদিন অবস্থান করেছ তা তোমাদের প্রতিপালকই ভাল
জানেন ৷
এখন তোমাদের একজনকে তোমাদের এই মুদ্রাসহ নগরে প্রেরণ কর সে যেন দেখে কোন
খাদ্য উত্তম এবং তা হতে যেন কিছু তোমাদের জন্যে নিয়ে আসে ৷ সে যেন বিচক্ষণতার সাথে
কাজ করে ও কিছুতেই যেন তোমাদের সম্বন্ধে কাউকেও কিছু জানতে না দেয় ৷ ওরা যদি
তোমাদের বিষয় জানতে পারে তবে তোমাদেরকে প্রস্তবাঘাতে হত্যা করবে অথবা তোমাদেরকে
ওদের ধর্মে ফিরিয়ে নিবে এবং যে ক্ষেত্রে তোমরা কখনই সাফল্য লাভ করবে না ৷ এবং এভাবে
আমি মানুষকে তাদের বিষয় জানিয়ে দিলাম, যাতে তারা জ্ঞাত হয় যে, আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য
এবং কিয়ামতে কোন সন্দেহ নেই ৷
যখন তারা তাদের কর্তব্য বিষয়ে নিজেদের মধ্যে বিতর্ক করছিল তখন অনেকে বলল
ওদের ওপর সৌধ নির্মাণ কর ৷ ওদের প্রতিপালক ওদের বিষয়ে ভাল জানেন ৷ তাদের কর্তব্য
বিষয়ে যাদের মত প্রবল হল তারা বলল, আমরা তো নিশ্চয়ই ওদের পার্শে মসজিদ নির্মাণ
করব ৷ কেউ কেউ বলবে, ওরা ছিল তিনজন, ওদের চতুর্থটি ছিল ওদের কুকুর এবং কেউ কেউ
বলবে ওরা ছিল পদ্বচজন, ওদের ষষ্ঠটি ছিল ওদের কুকুর ৷ অজানা বিষয়ে অনুমানের ওপর
নি৩রি করে ৷ আবার কেউ কেউ বলবে, ওরা ছিল সাত জন, ওদের অষ্টমটি ছিল ওদের কুকুর ৷
বল, আমার প্রতিপালকই ওদের সংখ্যা ভাল জানেন, ওদের সংখ্যা অল্প কয়েকজনই জানে ৷
সাধারণ আলোচনা ব্যতীত আপনি ওদের বিষয়ে বিতর্ক করবেন না এবং ওদের কাউকে ওদের
বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন না ৷ কখনই তুমি কোন বিষয়ে বলবে না আমি এটি আগামীকাল
করব ৷ আল্লাহ ইচ্ছা করলে’ এ কথা না বলে ৷ যদি ভুলে যাও তবে তোমার প্রতিপালককে স্মরণ
করবে এবং বলবে, সম্ভবত আমার প্রতিপালক আমাকে ওটি অপেক্ষা সতেম্বর নিকটতর
পখনির্দেশ করবেন ৷ ওরা ওদের গুহায় ছিল তিনশ’ বছর আরও নয় বছর ৷ তুমি বল তারা
কতকাল ছিল তা আল্লাহই ভাল জানেন, আকম্পোরাজি ও পৃথিবীর অজ্ঞাত বিষয়ের জ্ঞান তারই ৷
তিনি কত সুন্দর স্রষ্টা ও শ্রোতা ! তিনি ব্যতীত ওদের অন কোন অভিভাবক নেই ৷ তিনি কাউকে
তার কর্তৃত্বে শরীক করেন না ৷ (১ ৭, কাহাফ : ৯-২৬ )
আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (২য় খণ্ড) ২৮
كَانَ سَبَبُ نُزُولِ قِصَّةِ أَصْحَابِ الْكَهْفِ، وَخَبَرِ ذِي الْقَرْنَيْنِ، مَا ذَكَرَهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، فِي " السِّيرَةِ " وَغَيْرُهُ، أَنَّ قُرَيْشًا بَعَثُوا إِلَى الْيَهُودِ يَسْأَلُونَهُمْ عَنْ أَشْيَاءَ يَمْتَحِنُونَ بِهَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَيَسْأَلُونَهُ عَنْهَا ; لِيَخْتَبِرُوا مَا يُجِيبُ بِهِ فِيهَا، فَقَالُوا: سَلُوهُ عَنْ أَقْوَامٍ ذَهَبُوا فِي الدَّهْرِ فَلَا يُدْرَىَ مَا صَنَعُوا، وَعَنْ رَجُلٍ طَوَّافٍ فِي الْأَرْضِ وَعَنِ الرُّوحِ. فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى {وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الرُّوحِ} [الإسراء: 85] . {وَيَسْأَلُونَكَ عَنْ ذِي الْقَرْنَيْنِ} [الكهف: 83] وَقَالَ هَاهُنَا:
পৃষ্ঠা - ১০৭৪
ষ্ষ্
আসহাবে কাহাফ ও যুল-কারনাইন সম্পর্কে আয়াত নাযিল হওয়ার পটভুমি সম্বন্ধে মুহাম্মদ
ইবন ইসহাক ও অন্যরা সীরাত ৩গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, কুরায়শগ ং৷ মদীনার ইয়াহ্দীদের
নিকট একটি প্রতিনিধি দল প্রেরণ করেছিল ৷ উদ্দেশ্য এই যে ইয়াহৃন্নী ন্ণ তাদেরকে কতক প্ৰশ
শিথিয়ে দিবে ৷ কুরায়শগণ সেগুলো রাসুলুল্লাহ (না)-কে জিজ্ঞেস করবে এবং এরদ্বার৷ তারা
তাকে পরীক্ষা ৷করবে ৷ ইয়াহুদীগণ বলেছিল যে তোমরা তাকে এমন এক সম্প্রদায় সম্পর্কে
জিজ্ঞেস করবে, যারা অতীতে ই বিলীন হয়ে গিয়েছে ৷ যার ফলে ত্রিভ্রয়াকলাপ সম্পর্কে জানা
যায় না ৷ আর প্রশ্ন করবে পৃথিবী প্রদক্ষিণকারী একজন লোক সম্পর্কে ৷ এবং জিজ্ঞেস করবে
রুহ সম্পর্কে ৷
এই প্রেক্ষাপটে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনং , বুওে ৷ ৷ গ্রাএ এছুপ্রুা;ম্পু তারা
আপনাকে রুহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে ৷ ;, ;;fl ;; ;,; এছু টুৰুান্ম্পু তারা আপনাকে
যুলক৷ রন৷ ৷ইন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে আর এখানে বললেন ং
তুমি কি মনে কর যে, গুহ৷ ও রার্কীমের অধিবাসীরা আমার নিদশ্নািদির মধ্যে বিস্ময়কর?
অর্থাৎ আমি আপনাকে যেসব অভুতপুর্ব আশ্চর্যজনক বিষয়াদি উজ্জ্বল নির্দশনাদি ও
বিস্ময়কর ঘটনাবলী সম্পর্কে অবহিত করেছি, যে সবেরত তুলনায় গুহ৷ ও রাকীমের অধিবাসীদের
সংবাদ ও ঘটনা মোটেই আশ্চর্যজনক নয় ৷
এখানে কাহফ অর্থ পর্বত গুহ৷ ৷ ওআয়ব আল জুবাঈ বলেন গুহাটির নাম হায়যুম ৷ রাকীম
শব্দ সম্পর্কে হযরত ইবন আব্বাস (রা) বলেন, রাকীম দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে, তা আমার
জানা নেই ৷
কেউ কেউ বলেন, রাকীম অর্থ লিখিত ফলক-যাতে সেখানে আশ্রয় গ্রহণকারীদের নাম এবং
তাদের ঘটনাবলী লিখিত রয়েছে ৷ পরবর্তী যুগের লোকজন এটি লিখে রেখেছিল ৷ ইবন জারীর
ও অন্যানগেণ এ অভিমত সমর্থন করেন ৷ কেউ কেউ বলেন, রাকীম হল সেই পর্বতের নাম যে
পর্বতের গুহায় তারা তা ৷শ্রয় নিয়েছিলেন ৷
ইবন আব্বাস (রা) ও শু’আয়ব আল জুব ই বলেন, ঐ পর্বতের নাম বিনাজলুস ৷ কারো
কারো মতে, রাকীম হচ্ছে ঐ গুহার পাশে অবস্থিত একটি উপত্যকা ৷র নাম ৷ অন্য কারো কারো
মতে, এটি ঐ এলাকার একটি জনপদের নাম ৷
শু’আয়ব আল জুবাঈ বলেন, তাদের কুকুরের নাম ছিল হামরান ৷ কতক তাফসীরকার
বলেছেন যে, তারা ছিলেন হযরত ঈসা (আ) এর পরবর্তী যুগের লোক এবং তারা খৃষ্টান
ছিলেন ৷ কিত্তু তাদের সম্পকে ইয়াহুদীদের গুরুতু আরোপ এবং তাদের সম্পর্কে স বাদ সংগ্রহের
আগ্রহ দ্বার বাপ্রমাণিত হয় যে, তারা হযরত ঈস৷ (আ) এর পুর্ববর্তী যুগের লোক ৷ আঘাতের
বাচনভঙ্গি থেকে প্রতীয়মান হয় যে, তাদের সম্প্রদায়ের লোকজন ছিল মুশরিক ৷ তা ব্৷ শুর্তিপুজা
{أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا} [الكهف: 9] أَيْ: لَيْسُوا بِعَجَبٍ عَظِيمٍ بِالنِّسْبَةِ إِلَى مَا أَطْلَعْنَاكَ عَلَيْهِ مِنَ الْأَخْبَارِ الْعَظِيمَةِ، وَالْآيَاتِ الْبَاهِرَةِ وَالْعَجَائِبِ الْغَرِيبَةِ. وَالْكَهْفُ هُوَ الْغَارُ فِي الْجَبَلِ. قَالَ شُعَيْبٌ الْجَبَائِيُّ: وَاسْمُ كَهْفِهِمْ حَيْزَمُ. وَأَمَّا الرَّقِيمُ فَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ: لَا أَدْرِي مَا الْمُرَادُ بِهِ. وَقِيلَ: هُوَ الْكِتَابُ الْمَرْقُومُ فِيهِ أَسْمَاؤُهُمْ وَمَا جَرَى لَهُمْ، كُتِبَ مِنْ بَعْدِهِمُ. اخْتَارَهُ ابْنُ جَرِيرٍ وَغَيْرُهُ. وَقِيلَ: هُوَ اسْمُ الْجَبَلِ الَّذِي فِيهِ كَهْفُهُمْ. قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ، وَشُعَيْبٌ الْجَبَائِيُّ: وَاسْمُهُ بَنَاجْلُوسُ. وَقِيلَ: هُوَ اسْمُ وَادٍ عِنْدَ كَهْفِهِمْ. وَقِيلَ: اسْمُ قَرْيَةٍ هُنَالِكَ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
قَالَ شُعَيْبٌ الْجِبَائِيُّ: وَاسْمُ كَلْبِهِمْ حُمْرَانُ. وَاعْتِنَاءُ الْيَهُودِ بِأَمْرِهِمْ وَمَعْرِفَةِ خَبَرِهِمْ، يَدُلُّ عَلَى أَنَّ زَمَانَهُمْ مُتَقَدِّمٌ عَلَى مَا ذَكَرَهُ بَعْضُ الْمُفَسِّرِينَ أَنَّهُمْ كَانُوا بَعْدَ الْمَسِيحِ، وَأَنَّهُمْ كَانُوا نَصَارَى. وَالظَّاهِرُ مِنَ السِّيَاقِ أَنَّ قَوْمَهُمْ كَانُوا مُشْرِكِينَ يَعْبُدُونَ الْأَصْنَامَ. قَالَ كَثِيرٌ مِنَ الْمُفَسِّرِينَ وَالْمُؤَرِّخِينَ وَغَيْرِهِمْ: كَانُوا فِي زَمَنِ مَلِكٍ يُقَالُ لَهُ: دِقْيَانُوسُ. وَكَانُوا مِنْ أَبْنَاءِ الْأَكَابِرِ. وَقِيلَ: مِنْ أَبْنَاءِ الْمُلُوكِ. وَاتَّفَقَ اجْتِمَاعُهُمْ فِي يَوْمِ عِيدٍ لِقَوْمِهِمْ فَرَأَوْا مَا يَتَعَاطَاهُ قَوْمُهُمْ، مِنَ السُّجُودِ لِلْأَصْنَامِ وَالتَّعْظِيمِ لِلْأَوْثَانِ، فَنَظَرُوا بِعَيْنِ الْبَصِيرَةِ، وَكَشَفَ اللَّهُ عَنْ قُلُوبِهِمْ حِجَابَ الْغَفْلَةِ، وَأَلْهَمَهُمْ رُشْدَهُمْ، فَعَلِمُوا أَنَّ قَوْمَهُمْ لَيْسُوا عَلَى شَيْءٍ، فَخَرَجُوا عَنْ دِينِهِمْ، وَانْتَمَوْا إِلَى عِبَادَةِ اللَّهِ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ. وَيُقَالُ: إِنَّ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ لَمَّا أَوْقَعَ اللَّهُ فِي نَفْسِهِ مَا هَدَاهُ إِلَيْهِ مِنَ التَّوْحِيدِ، انْحَازَ عَنِ
পৃষ্ঠা - ১০৭৫
ষ্ষ্
করত ৷ বহু তাফসীরকার ও ইতিহাসবিদ অভিমত প্রকাশ করেছেন যে, তারা বাদশাহ
দাকরানুমের সময়ের অভিজাত বংশীয় লোক ছিলেন ৷ কারো কারো অভিমত যে , তারা রাজপুত্র
ছিলেন ৷
ঘটনাচক্রে তারা সম্প্রদায়ের উৎসবের দিনে একত্রিত হয় ৷ তাদের সম্প্রদায়ের লোকেরা
সেখানে যে মুর্তিদেরকে সিজদা করছে এবং প্রতিমাগুলোকে সম্মান প্রদর্শন করছে, তা তারা
প্রত্যক্ষ করে ৷ তখন তারা গভীর মনোযোগের সাথে তা পর্যালোচনা করেন ৷ আল্লাহ তাআলা
তাদের অম্ভরের উদ৷ সীনতা ৷র পর্দা ৷ছিন্ন করে দেন এবং তাদের মনে সত্য ও হিদায়াদ্ধৃ৩ তর উন্মেষ
ঘটান ৷ ফলে তারা উপলব্ধি করেন যে, তাদের সম্প্রদায়ের এসব কাজকর্ম সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন ৷
যুবকগণ তাদের ওই ধম পরিত্যাগ করেন এবং এক অ ল্লা৷হর ইবাদতে আ ৷ত্মনিয়োগ করেন ৷
কেউ কেউ বলেন যে, যুবকদের প্রত্যেকের মনে অল্লহ্ তাআলা তা ৷ওহীদ ও হিদায়াতের
অনুভুতি ৩সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন ৷ তারপর তারা সকলেই লোকজনের সং সর্গ ত্যাগ করে এক
নিত্তনি এলাকায় এসে উপস্থিত হন ৷ সহীহ বুখারীতে এ রন্ যে একটি বিশুদ্ধ হাদীছ উদ্ধৃত
হয়েছে ৷ সেটি এই :
, : ,ষ্
রুহগুলাে সুবিন্যস্ত বাহিনী স্বরুপ ৷৩ তাদের মধ্যে যেগুলো পুর্ব পরিচিত সেগুলো বন্ধুত্বের
বন্ধনে আবদ্ধ হয় ৷ আর যারা পরস্পর অপরিচিত তাদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয় ৷ তখন
তারা একে অপরের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে ৷ প্রতেব্রুকে নিজ নিজ অবস্থান বর্ণনা করে ৷
তখন জানা যায় যে, ত ৷রা সবাই নিজ নিজ গোত্র ছেড়ে এসেছে এবং ওদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন
করে আপন দীন রক্ষার্থে পালিয়ে এসেছে ৷ ফিতনা, বিশৃৎখলা ও পাপাচারের বিন্তুতিকালে
এইভাবে সমাজ ত্যাগ করা শরীয়ত সম্মত ৷
আল্লাহ তা’আলা বলেন ব্লি
;) ,
০
আমি৫ তামার নিকট ওদের বৃত্তা ম্ভ সঠিকতারে বর্ণনা করছি ৷ ওরা ছিল কয়েকজন যুবক ৷
ওরা ওদের প্ৰতিপালকের প্রতি ঈমান এনেছিল এবং আমি ওদের সৎপথে চলার শক্তি বৃদ্ধি
করেছিলাম ৷ এবং আমি ওদের চিত্ত দৃঢ় করে দিলাম, ওরা যখন ওঠে দাড়াল তখন বলল
আমাদের প্রতিপালক আকাশরাজি ও পৃথিবীর প্রতিপালক আমরা কখনই তার পরিবর্তে অন্য
কে ন ইলাহকে আহ্বান করব না, যদি করে বলি তবে তা অত্যন্ত গর্হিত হবে ৷ আমাদের এই
النَّاسِ، وَاتَّفَقَ اجْتِمَاعُ هَؤُلَاءِ الْفِتْيَةِ فِي مَكَانٍ وَاحِدٍ، كَمَا صَحَّ فِي الْبُخَارِيِّ «الْأَرْوَاحُ جُنُودٌ مُجَنَّدَةٌ، فَمَا تَعَارَفَ مِنْهَا ائْتَلَفَ، وَمَا تَنَاكَرَ مِنْهَا اخْتَلَفَ» فَكُلٌّ مِنْهُمْ سَأَلَ الْآخَرَ عَنْ أَمْرِهِ وَعَنْ شَأْنِهِ، فَأَخْبَرَهُ بِمَا هُوَ عَلَيْهِ، وَاتَّفَقُوا عَلَى الِانْحِيَازِ عَنْ قَوْمِهِمْ، وَالتَّبَرِّي مِنْهُمْ، وَالْخُرُوجِ مِنْ بَيْنِ أَظْهُرِهِمْ، وَالْفِرَارِ بِدِينِهِمْ مِنْهُمْ، وَهُوَ الْمَشْرُوعُ حَالَ الْفِتَنِ وَظُهُورِ الشُّرُورِ. قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ نَبَأَهُمْ بِالْحَقِّ إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى وَرَبَطْنَا عَلَى قُلُوبِهِمْ إِذْ قَامُوا فَقَالُوا رَبُّنَا رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَنْ نَدْعُوَ مِنْ دُونِهِ إِلَهًا لَقَدْ قُلْنَا إِذًا شَطَطًا هَؤُلَاءِ قَوْمُنَا اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ آلِهَةً لَوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِمْ بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ} [الكهف: 13] أَيْ: بِدَلِيلٍ ظَاهِرٍ عَلَى مَا ذَهَبُوا إِلَيْهِ، وَصَارُوا مِنَ الْأَمْرِ عَلَيْهِ {فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَى عَلَى اللَّهِ كَذِبًا وَإِذِ اعْتَزَلْتُمُوهُمْ وَمَا يَعْبُدُونَ إِلَّا اللَّهَ} [الكهف: 15] أَيْ: وَإِذْ قَدْ فَارَقْتُمُوهُمْ فِي دِينِهِمْ وَتَبَرَّأْتُمْ مِمَّا يَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ، وَذَلِكَ لِأَنَّهُمْ كَانُوا يُشْرِكُونَ مَعَ اللَّهِ، كَمَا قَالَ الْخَلِيلُ: {إِنَّنِي بَرَاءٌ مِمَّا تَعْبُدُونَ إِلَّا الَّذِي فَطَرَنِي فَإِنَّهُ سَيَهْدِينِ} [الزخرف: 26] أَيْ: يُسْبِلْ عَلَيْكُمْ سِتْرَهُ، وَتَكُونُوا تَحْتَ حِفْظِهِ وَكَنَفِهِ، وَيَجْعَلْ عَاقِبَةَ
পৃষ্ঠা - ১০৭৬
ষ্ষ্
স্বজাতিগণ তার পরিবর্তে অনেক ইলাহ গ্রহণ করেছে ৷ এরা এ সকল ইলাহ সম্বন্ধে স্পষ্ট প্রমাণ
উপ তকরে না কেনা অর্থ ৎ তারা যে পথ অবলম্বন করেছে এবং যে অভিমত অনুসরণ
করেছে তার যথা র্থতা সম্পর্কে প্রকাশ্য দলীল উপন্থা পন করে না কেন?
যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করে তার চাইতে অধিক জ্যলিম আর কে? তোমরা
যখন তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হলে এবং ওরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইরাদত করে তাদের থেকে
অর্থাৎ দীনের প্রশ্নে তোমরা যখন তাদের থেকে পৃথক হয়ে গেলে এবং তারা আল্লাহ ব্যতীত
যেগুলোর উপাসনা করে সেগুলোকে ত্যাগ করলে ৷ কারণ তারাঅ আল্লাহর সাথে শরীক সাবম্ভে
করত ৷ যেমন হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ বলেছিলেন :
; গ্র ,! ,
;ল্গুন্পুধ্;ড়ু ব্লুং;ষ্ম্পো১র্দুা৷ ৰু৷ ট্রু,টুএ্ছুদ্বুষ্১ ণ্াব্লু; ং ;;া
তোমরা যেগুলোর পুজা কর তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই সম্পর্ক আছে
শুধু তারই সাথে যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন ৷ তিনিই আমাকে সৎপথ দেখারেন ৷ এ
যুবকরাও অনুরুপ বলেছিলেন ৷ (৪৩ যুখরুফ ২৬ ২৭ ) আয়্যাত্ণ্ তর ব্যাখ্যার কেউ কেউ বলেন
যে, দীনের প্রশ্নে তোমরা যেমন তোমাদের সম্প্রদায় থােক পৃথক হয়ে গিয়েছ দৈহিকভাবেও
তোমরা তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাও যাতে ওদের অনিষ্ট থেকে তামর৷ নিরাপদ
থাকতে পার ৷
ছুহুন্ফ্রাং
তখন তোমরা গুহায় আশ্রয় গ্রহণ কর ৷ তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্যে তার দয়া
বিস্তার করবেন এবং তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজ কর্মকে ফলপ্ৰসু করার ব্যবস্থা
করবেন ৷ অর্থ ৎ তার রহমতের পর্দা দ্বারা তোমাদেরকে ঢেকে দিবেন ৷ তোমরা তার নিরাপত্তা
ও আশ্রয়ে থাকবে ৷ এবং তিনি তোমাদের পরিণাম কল্যাণময় করে দিবেন ৷ যেমন হাদীছ
শরীফে এসেছে :
ষ্
০ এ) :
হে আল্লাহ ! সকল কর্মে আমাদেরকে কল্যাণময় পরিণতি দান করুন এবং দুনিয়ার লাঞ্চুনা
ও অড়াখিরাতের আমার থেকে আমাদেরকে রক্ষা করুন ৷
أَمْرِكُمْ إِلَى خَيْرٍ، كَمَا جَاءَ فِي الْحَدِيثِ: «اللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا، وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَمِنْ عَذَابِ الْآخِرَةِ» ثُمَّ ذَكَرَ تَعَالَى صِفَةَ الْغَارِ الَّذِي آوَوْا إِلَيْهِ، وَأَنَّ بَابَهُ مُوَجَّهٌ إِلَى نَحْوِ الشَّمَالِ، وَأَعْمَاقَهُ إِلَى جِهَةِ الْقِبْلَةِ، وَذَلِكَ أَنْفَعُ الْأَمَاكِنِ ; أَنْ يَكُونَ الْمَكَانُ قِبْلِيًّا، وَبَابُهُ نَحْوَ الشَّمَالِ، فَقَالَ: {وَتَرَى الشَّمْسَ إِذَا طَلَعَتْ تَزَاوَرُ} [الكهف: 17] وَقُرِئَ: (تَزْوَرُّ) {عَنْ كَهْفِهِمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَإِذَا غَرَبَتْ تَقْرِضُهُمْ ذَاتَ الشِّمَالِ} [الكهف: 17] فَأَخْبَرَ أَنَّ الشَّمْسَ، يَعْنِي فِي زَمَنِ الصَّيْفِ وَأَشْبَاهِهِ، تُشْرِقُ أَوَّلَ طُلُوعِهَا فِي الْغَارِ فِي جَانِبِهِ الْغَرْبِيِّ، ثُمَّ تَشْرَعُ فِي الْخُرُوجِ مِنْهُ قَلِيلًا قَلِيلًا، وَهُوَ ازْوِرَارُهَا ذَاتَ الْيَمِينِ فَتَرْتَفِعُ فِي جَوِّ السَّمَاءِ وَتَتَقَلَّصُ عَنْ بَابِ الْغَارِ، ثُمَّ إِذَا تَضَيَّفَتْ لِلْغُرُوبِ تَشْرَعُ فِي الدُّخُولِ فِيهِ مِنْ جِهَتِهِ الشَّرْقِيَّةِ قَلِيلًا قَلِيلًا إِلَى حِينِ الْغُرُوبِ، كَمَا هُوَ الْمُشَاهَدُ فِي مِثْلِ هَذَا الْمَكَانِ، وَالْحِكْمَةُ فِي دُخُولِ الشَّمْسِ إِلَيْهِ فِي بَعْضِ الْأَحْيَانِ أَنْ لَا يَفْسُدَ هَوَاؤُهُ {وَهُمْ فِي فَجْوَةٍ مِنْهُ ذَلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ} [الكهف: 17] أَيْ: بَقَاؤُهُمْ عَلَى هَذِهِ الصِّفَةِ دَهْرًا طَوِيلًا مِنَ السِّنِينَ، لَا يَأْكُلُونَ وَلَا يَشْرَبُونَ، وَلَا تَتَغَذَّى أَجْسَادُهُمْ فِي هَذِهِ الْمُدَّةِ الطَّوِيلَةِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ وَبُرْهَانِ قُدْرَتِهِ الْعَظِيمَةِ {مَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَنْ تَجِدَ لَهُ وَلِيًّا مُرْشِدًا - وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ} [الكهف: 17 - 18] قَالَ بَعْضُهُمْ: لِأَنَّ أَعْيُنَهُمْ مَفْتُوحَةٌ ; لِئَلَّا تَفْسُدَ بِطُولِ الْغَمْضِ
পৃষ্ঠা - ১০৭৭
ষ্ষ্
এরপর তারা যে গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন সে সম্পর্কে আল্লাহ তা’ আলা বলেন যে গুহাটি
উত্তরমুথী ছিল ৷ তার পশ্চিম দিকে চালু ছিল ৷ কিবলার দিকে ঢালু উত্তরযুখী স্থান অধিক
কল্যাণকর স্থান রুপে বিবেচিত হয়ে থাকে ৷
আল্লাহ তা ’আলা বলেন :
“;,; ;,দ্বু ৷ ৷ প্রুব্লু;প্লু
তুমি দেখতে পেতে, ওরা গুহার চত্বরে অবস্থিত ৷ সুর্য উদয়তালে ওদের গুহার ডান দিকে
হোল যায় এবং অস্তকালে ওদেরকে অতিক্রম করে বাম পার্শ্ব দিয়ে ৷ অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে সুর্য উদিত
হওয়ার সময় তাদের গুহার পশ্চিম দিকে আলো ছড়ায়, তারপর সুর্য যতই উপরে উঠতে থাকে,
ক্রমান্বয়ে ততই ঐ আলো গুহ৷ থেকে বেরিয়ে যেতে থাকে ৷ এদি এ হল সুয়ের ডান দিক দিয়ে
অতিক্রম করা ৷ অতঃপর সুর্য মধ্য আকাশে উথিত হয় এবং গুহ থেকে ঐ আলো বেরিয়ে যায় ৷
তারপর যখন অস্ত যেতে ওরু করে তখন পুর্ব পাশ দিয়ে অল্প অল্প করে আলো প্রবেশ করতে
থাকে ৷ অবশেষে সুর্য অস্ত যায় ৷ এ ধরনের স্থানে এরুপই দেখা যায় ৷ তাদের গুহায় মাঝে
মধ্যে সুর্যের আলো প্রবেশের এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল যাতে ঐ গুহার আবহাওয়া দুযিত না
হয় ; ; : : ; ,
ণ্#১ড্রু
ওরা ওহার প্রশস্ত চতুবে অবস্থিত ৷ এ সব আল্লাহর নিদর্শন ৷ অর্থ ৎ তাদের পান৷ ৷র না
করে, খাদ্য দ্রব্য গ্রহণ না করে শতশত রৎসরএ এঅরস্থায় বিদ্যমান থাক টা আল্লাহ তা আলার
নিদর্শনাদির অন্যতম এবং তার মহা ৷শক্তির প্রমাণ স্বরুপ ৷
! ৷ ; ; : ; ব্লু, ; : : ; ) ন্
আল্লাহ যাকে সৎপথে পরিচালিত করেন যে সৎপথ প্রাপ্ত এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন
তুমি কখনই তার কোন পথ প্রদর্শনকারী অভিভা ৷বক পাবে না ৷ তুমি মনে করতে তারা ঘুমম্ভ
অথচ তারা জাগ্রত ৷ এর ব্যাখ্যায় কেউ কেউ বলেন, তা এ জন্যে যে, তাদের চোখ খোলা
ছিল, যাতে সুদীর্ঘকাল পর্যন্ত বন্ধ থাকার ফলে চক্ষু নষ্ট হয়ে না যায় ৷
০
খ্া৷ ন্, ৷ ৷ ;,াটুা , স্পো ৷ ;াছু৷ প্টিব্লু১ড্রু
আমি ওদেরকে পার্শ্ব পরিবর্তন করাতড়াম ডানে, বামে-এর ব্যাখ্যার কেউ কেউ বলেন
রৎসরে একবার করে ত দেব পার্শ্ব পরিবতন করানো হত ৷ এ পাশ থেকে ও পাশে ফেরানো
হত ৷ হতে পারে রৎসরে একা ৷৷ধিকর ৷রও তা ঘটতে৷ ৷ আল্লাহই সম্যক অবগত ৷
ংণ্শ্প্এর্ন্তস্
{وَنُقَلِّبُهُمْ ذَاتَ الْيَمِينِ وَذَاتَ الشِّمَالِ} [الكهف: 18] قِيلَ: فِي كُلِّ عَامٍ يَتَحَوَّلُونَ مَرَّةً مِنْ جَنْبٍ إِلَى جَنْبٍ، وَيَحْتَمِلُ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ. فَاللَّهُ أَعْلَمُ. {وَكَلْبُهُمْ بَاسِطٌ ذِرَاعَيْهِ بِالْوَصِيدِ} [الكهف: 18] قَالَ شُعَيْبٌ الْجَبَائِيُّ: اسْمُ كَلْبِهِمْ حُمْرَانُ. وَقَالَ غَيْرُهُ: الْوَصِيدُ أُسْكُفَّةُ الْبَابِ. وَالْمُرَادُ أَنَّ كَلْبَهُمُ الَّذِي كَانَ مَعَهُمْ، وَصَحِبَهُمْ حَالَ انْفِرَادِهِمْ مِنْ قَوْمِهِمْ، لَزِمَهُمْ وَلَمْ يَدْخُلْ مَعَهُمْ فِي الْكَهْفِ، بَلْ رَبَضَ عَلَى بَابِهِ وَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى الْوَصِيدِ، وَهَذَا مِنْ جُمْلَةِ أَدَبِهِ وَمِنْ جُمْلَةِ مَا أُكْرِمُوا بِهِ ; فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ لَا تَدْخُلُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ، وَلَمَّا كَانَتِ التَّبَعِيَّةُ مُؤَثِّرَةً، حَتَّى فِي كَلْبِ هَؤُلَاءِ، صَارَ بَاقِيًا مَعَهُمْ بِبَقَائِهِمْ ; لِأَنَّ مَنْ أَحَبَّ قَوْمًا سَعِدَ بِهِمْ، فَإِذَا كَانَ هَذَا فِي حَقِّ كَلْبٍ فَمَا ظَنُّكَ بِمَنْ تَبِعَ أَهْلَ الْخَيْرِ وَهُوَ أَهْلٌ لِلْإِكْرَامِ. وَقَدْ ذَكَرَ كَثِيرٌ مِنَ الْقُصَّاصِ وَالْمُفَسِّرِينَ لِهَذَا الْكَلْبِ نَبَأً وَخَبَرًا طَوِيلًا، أَكْثَرُهُ مُتَلَقًّى مِنَ الْإِسْرَائِيلِيَّاتِ، وَكَثِيرٌ مِنْهَا كَذِبٌ، وَمِمَّا لَا فَائِدَةَ فِيهِ، كَاخْتِلَافِهِمْ فِي اسْمِهِ وَلَوْنِهِ.
وَأَمَّا اخْتِلَافُ الْعُلَمَاءِ فِي مَحَلَّةِ هَذَا الْكَهْفِ، فَقَالَ كَثِيرُونَ: هُوَ بِأَرْضِ أَيْلَةَ. وَقِيلَ: بِأَرْضِ نِينَوَى. وَقِيلَ: بِالْبَلْقَاءِ. وَقِيلَ: بِبِلَادِ الرُّومِ. وَهُوَ أَشْبَهُ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ. وَلَمَّا ذَكَرَ اللَّهُ تَعَالَى مَا هُوَ الْأَنْفَعُ مِنْ خَبَرِهِمْ وَالْأَهَمُّ مِنْ أَمْرِهِمْ، وَوَصَفَ حَالَهُمْ، حَتَّى كَأَنَّ السَّامِعَ رَاءٍ، وَالْمُخْبَرَ مُشَاهِدٌ لِصِفَةِ كَهْفِهِمْ، وَكَيْفِيَّتِهِمْ فِي ذَلِكَ الْكَهْفِ وَتَقَلُّبِهِمْ مِنْ جَنْبٍ إِلَى جَنْبٍ، وَأَنَّ كَلْبَهُمْ بَاسِطٌ
পৃষ্ঠা - ১০৭৮
ষ্ষ্
তাদের কুকুর ছিল সম্মুখের পা দুটো গুহার মুখের দিকে প্রসারিত করে ৷ শুআয়ব আল
জুবাই বলেন, তাদের কুকুরের নাম ছিল হামরান ৷ অন্য এক তাফসীরকার বলেন,াট্রু এে’প্রু অর্থ
দরজার চৌব ঠ ৷ অর্থ ৎ যুবকগণ যখন নিজ নিজ গোত্র থেকে একাকী বেরিয়ে এসেছিলেন
তখন যে কুকুরটি তাদের সাথে এসেছিল সেটি শেষ পর্যন্ত তাদের সাথে থেকে যায় ৷ এটি ওহার
মধ্যে প্রবেশ করেনি ৷ বরং দু হা ত গুহামুখে রেখে গুহার প্রবেশ পথে ন্ৱসেছিল ৷ এটি ঐ কুকুরের
অনুপম শিষ্টাচার এবং যুবকদের প্রতি সন্ত্রমবােধের নিদর্শন ৷ কারণ সাধারণত যে ঘরে কুকুর
থাকে সে ঘরে রহমতের ফিরিশতা প্রবেশ করেন না ৷ সাহচর্য ও আদ্ভুন্াভৈতব্রর স্বভাবতই একটা
প্রভাব থাকে ৷ তাই যুবকদের অনুসরণ করতে গিয়ে কুকুরটিও তাদের সাথে অমর হয়ে থাকে ৷
কারণ যে যাকে ভালবাসে সে তার সৌভাগ্যের অৎশীদ৷ ৷র হয় ৷ একটি কুকুরের ব্যাপারে যখন
এমন হল তখন সম্মানের পাত্র কোন পুণ্যবানের অনুসরণকারার :ক্ষত্রে কী হতে পারেত
সহজেই অনুমেয় ৷
বহু ধর্মীয় বক্তা ও তাফসীরকাব উক্ত কুকুর সম্পর্কে অনেক ম্পো চওড়৷ কাহিনীর উল্লেখ
করেছেন ৷ এগুলোর অধিক৷ ৎশই ইসরাঈলী বর্ণনা থেকে নেয়া এবং এর অধিকাৎশ নির্জলা
মিথ্যা ৷ এতে কোন ফায়দাও নেই ৷ যেমন কুকুরটির নাম ও রঙ বিষয়ে তাদের ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা ৷
এ গুহাটি কোথায় অবস্থিত, এ নিয়ে উলামায়ে কিরামের মধ্যে মতভেদ রয়েছে ৷ তাদের
অনেকে বলেন, এটি আয়লা অঞ্চলে অবস্থিত ৷ কেউ বলেন, এটির অবস্থান নিনােভা এলাকায় ৷
কারো মতে, কলকা অঞ্চলে এবং কারো মতে রােমকদের এলাকায় ৷ শেষ অভিমতটিই অধিক
যুক্তিসৎগত ৷
আল্লাহ তা’আলা তাদের কাহিনীর অধিক কল্যাণকর অংশটি এমন প্রাঞ্জলভাষায় বর্ণনা
করলেন এবং যেন শ্রবণকারী তা প্রত্যক্ষ করছে এবং নিজের চোখে তাদের গুহার অবস্থা, গুহার
মধ্যে তাদের অবস্থান, ওদের পার্শ্ব পরিবর্তন এবং তাদের গুহা মুখে হাত প্রসারিত করে উপরিষ্ট
কুকুর স্বচক্ষে দেখছে ৷ এরপর আল্লাহ তা’আলা বলেন :
¢ : fl :
তুমি যদি ওদেরকে তাকিয়ে দেখতে৩ তবে পিছনে ফিরে পালাতে এবং ওদের ভয়ে
আতৎকগ্রন্ত হয়ে পড়তে অর্থ ৎ ত ৷র৷ যে পর্যায়ে গিয়ে পৌছেছে এবং যে গুরুগন্তীর ও ভীতিকর
অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল তার জন্য ৷ সম্ভবত এ সম্বোধনটি সকল মানুষের জন্যে, শুধুমাত্র প্রিয় নবী
ছুট্রুব্লুব্লুঠু এে সুতরাং
এর পরে কিসে তোমাকে কর্মফল সম্বন্ধে অবিশ্বাসী করে? এ আয়াতে তােমাকে’ বলতে
সাধারণভাবে অবিশ্বাসী মানবদেরকে বুঝানো হয়েছে ৷ নবী করীম (সা) কে নয় ৷ কারণ , মানুষ
সাধারণত ভীতিকর দৃশ্য দেখলে পালিয়ে যায় ৷ এ জন্যেই আল্লাহ তা’আলা বলেছেন :
ব্লু ং ) ষ্ ’ :
এদ্বু
ذِرَاعَيْهِ بِالْوَصِيدِ. قَالَ: {لَوِ اطَّلَعْتَ عَلَيْهِمْ لَوَلَّيْتَ مِنْهُمْ فِرَارًا وَلَمُلِئْتَ مِنْهُمْ رُعْبًا} [الكهف: 18] أَيْ: لِمَا عَلَيْهِمْ مِنَ الْمَهَابَةِ وَالْجَلَالَةِ فِي أَمْرِهِمُ الَّذِي صَارُوا إِلَيْهِ، وَلَعَلَّ الْخِطَابَ هَاهُنَا لِجِنْسِ الْإِنْسَانِ الْمُخَاطَبِ، لَا لِخُصُوصِيَّةِ الرَّسُولِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَقَوْلِهِ: {فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِالدِّينِ} [التين: 7] . أَيْ: أَيُّهَا الْإِنْسَانُ ; وَذَلِكَ لِأَنَّ طَبِيعَةَ الْبَشَرِيَّةِ تَفِرُّ مِنْ رُؤْيَةِ الْأَشْيَاءِ الْمَهِيبَةِ غَالِبًا، وَلِهَذَا قَالَ: {لَوِ اطَّلَعْتَ عَلَيْهِمْ لَوَلَّيْتَ مِنْهُمْ فِرَارًا وَلَمُلِئْتَ مِنْهُمْ رُعْبًا} [الكهف: 18] ، وَدَلَّ عَلَى أَنَّ الْخَبَرَ لَيْسَ كَالْمُعَايَنَةِ، كَمَا جَاءَ فِي الْحَدِيثِ; لِأَنَّ الْخَبَرَ قَدْ حَصَلَ وَلَمْ يَحْصُلِ الْفِرَارُ وَلَا الرُّعْبُ. ثُمَّ ذَكَرَ تَعَالَى أَنَّهُ بَعَثَهُمْ مِنْ رَقْدَتِهِمْ بَعْدَ نَوْمِهِمْ بِثَلَاثِمِائَةِ سَنَةٍ وَتِسْعِ سِنِينَ، فَلَمَّا اسْتَيْقَظُوا، قَالَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ: {كَمْ لَبِثْتُمْ قَالُوا لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ قَالُوا رَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثْتُمْ فَابْعَثُوا أَحَدَكُمْ بِوَرِقِكُمْ هَذِهِ إِلَى الْمَدِينَةِ} [الكهف: 19] أَيْ: بِدَرَاهِمِكُمْ هَذِهِ، يَعْنِي الَّتِي مَعَهُمْ، إِلَى الْمَدِينَةِ. وَيُقَالُ، كَانَ اسْمُهَا دَفْسُوسَ. {فَلْيَنْظُرْ أَيُّهَا أَزْكَى طَعَامًا} [الكهف: 19] أَيْ: أَطْيَبَ مَالًا {فَلْيَأْتِكُمْ بِرِزْقٍ مِنْهُ} [الكهف: 19] أَيْ: بِطَعَامٍ تَأْكُلُونَهُ، وَهَذَا مِنْ زُهْدِهِمْ وَوَرَعِهِمْ {وَلْيَتَلَطَّفْ} [الكهف: 19] أَيْ: فِي دُخُولِهِ إِلَيْهَا {وَلَا يُشْعِرَنَّ بِكُمْ أَحَدًا إِنَّهُمْ إِنْ يَظْهَرُوا عَلَيْكُمْ يَرْجُمُوكُمْ أَوْ يُعِيدُوكُمْ فِي مِلَّتِهِمْ وَلَنْ تُفْلِحُوا إِذًا أَبَدًا} [الكهف: 19] أَيْ: إِنْ عُدْتُمْ فِي مِلَّتِهِمْ بَعْدَ إِذْ أَنْقَذَكُمُ اللَّهُ مِنْهَا ; وَهَذَا كُلُّهُ لِظَنِّهِمْ أَنَّهُمْ رَقَدُوا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ، وَلَمْ يَحْسَبُوا أَنَّهُمْ قَدْ رَقَدُوا أَزْيَدَ مِنْ ثَلَاثِمِائَةِ سَنَةٍ وَقَدْ تَبَدَّلَتِ الدُّوَلُ أَطْوَارًا عَدِيدَةً، وَتَغَيَّرَتِ الْبِلَادُ وَمَنْ عَلَيْهَا، وَذَهَبَ أُولَئِكَ الْقَرْنُ
পৃষ্ঠা - ১০৭৯
ষ্ষ্
আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২২৩
এতে বুঝা যায় যে, শোনা আর দেখা এক কথা নয় ৷ যেমন হাদীসেও এ বিষয়ে সমর্থন
রয়েছে ৷ কারণ, আলোচ্য ঘটনায় গুহাবাসীর ভীতিকর সংবাদ শুনে কেউ পালায়নি রা ভীতও
হয়নি
তারপর আল্লাহ তাআলা বলেন যে, তিনি তাদেরকে জাগ্রত করলেন তাদের ৩০৯ বছর
ফ্লিামগ্ন থাকার পর ৷ জাগ্রত হওয়ার পর তাদের একে অন্যকে বলল :
০ ’ণ্গ্লু : ,
র্টি<
ৰু
তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ? কেউ কেউ বলল একদিন অথবা এক দিনের কিছু
অংশ ৷ অপর কেউ বলল তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ তাশু তামাদের প্রতিপালকই ভাল
জানেন ৷ তখন তোমাদের একজনকে তোমাদের এই মুদ্রাসহু নগরে প্রেরণ কর ৷ অর্থাৎ তাদের
সাথে থাক রৌপ্য মুদ্রার দিকে ইঙ্গিত করে তা নিয়ে নগরে যাে ভ্র বলেছিল !
কথিত আছে যে, ওই নগরীর নাম ছিল দাফমুম ৷াঠুাট্রুট্রুাশু ভ্রৰুং১! é স্পো সে
গিয়ে দেখুক কোন খাদ্য উত্তম ৷ অর্থাৎ কোনটি উৎকৃষ্টমানের ৷ এ১র্পসা ন্দ্বু;া এ৯
ট্রুট্রুট্রুঅতঃপর তা থেকে যেন কিছু খাদ্য নিয়ে আসে তোমাদের জন্যে ৷ অর্থাৎ যা তোমরা
থেতে পারবে ৷ এটি ছিল তাদের সংযম ও নির্লোভ মনোভারের পবিচায়ক ৷ এ্যা ব্লু সে
যেন বিচক্ষণতার সাথে কাজ করে ৷ নগরে প্রবেশ করার সময়
৩ ’ : ’ : ’ : শ্ ৩ ’ ’ ’ :
ণ্র্ন্তম্রএ-গুশ্প্-ব্র০’র্শে০এে-শ্ৰুএ ’ ¥£;¢ ণ্এ’ র্দুষ্টুাণ্হ্নিশুট্টঢ়ঞ্চঠুস্টৰুণ্স্টঢ়
এবং কিছুতেই যেন৫ তামাদের সম্বন্ধে কাউকে কিছু টের পেতে নাদেয় ৷ ওরা যদি
তোমাদের বিষয় জানতে পারে তবে তোমাদেরকে প্রস্তরা ঘাতে হত্যা করবে অথবা তােমাদেরকে
ওদের ধর্মে ফিরিয়ে নিয়ে এবং সেক্ষেত্রে তোমরা কখনই সাফল্য লাভ করবে না
অর্থাৎ আল্লাহ তোমাদেরকে ওদের বাতিল ধর্ম থেকে উদ্ধার করার পর তোমরা যদি পুনরায়
ওদের মধ্যে ফিরে যাও তবে আ র৫ তোমাদের সাফল্য নেই ৷ তারা এ জাভীয় কখাবা৩া এ জন্য
বলেছিল যে, তারা মনে করেছিল৩ তারা একদিন, একদিনের কতকাত্শ কিৎবা তার চাইতে
কিঞ্চিতাধিক সময় ঢিদ্বোমগ্ন ছিল ৷৩ তারা যে ৩০০ বছরের অধিককাল ধরে নিদ্রামগ্ন ছিল এবং
ইতিমধ্যে যে রাষ্ট্রক্ষমতার বহুবার হাত বদল হয়েছে, নগর ও নপরবাসীর পরিবর্তন সাধিত
হয়েছে, তাদের প্রজন্মের লোকদের যে মৃত্যু হয়েছে, অন্য প্রজন্ম এসেছে এবং তারাও চলে
গিয়েছে, অতঃপর অন্য আরেক প্রজন্মের আবির্ভাব হয়েছে; তার কিছুই তারা তখনও তাচ করে
উঠতে পারেনি ৷ এজন্যে৩ তাদের একজন অর্থ ৎ তীবুসীস যখন নিজের পরিচয় গোপন রাখার
উদ্দেশ্যে ছদ্মবেশে গুহা থেকে বের হন এবং নগরে প্রবেশ করেন তখন তা তার নিকট
الَّذِينَ كَانُوا فِيهِمْ، وَجَاءَ غَيْرُهُمْ وَذَهَبُوا، وَجَاءَ غَيْرُهُمْ ; وَلِهَذَا لَمَّا خَرَجَ أَحَدُهُمْ، وَهُوَ تِيذُوسِيسُ فِيمَا قِيلَ، وَجَاءَ إِلَى الْمَدِينَةِ مُتَنَكِّرًا ; لِئَلَّا يَعْرِفَهُ أَحَدٌ مِنْ قَوْمِهِ فِيمَا يَحْسَبُهُ، تَنَكَّرَتْ لَهُ الْبِلَادُ وَاسْتَنْكَرَهُ مَنْ رَآهُ مِنْ أَهْلِهَا، وَاسْتَغْرَبُوا شَكْلَهُ وَصِفَتَهُ وَدَرَاهِمَهُ. فَيُقَالُ: إِنَّهُمْ حَمَلُوهُ إِلَى مُتَوَلِّيهِمْ، وَخَافُوا مِنْ أَمْرِهِ أَنْ يَكُونَ جَاسُوسًا، أَوْ تَكُونَ لَهُ صَوْلَةٌ يَخْشَوْنَ مِنْ مَضَرَّتِهَا، فَيُقَالُ: إِنَّهُ هَرَبَ مِنْهُمْ. وَيُقَالُ: بَلْ أَخْبَرَهُمْ خَبَرَهُ وَمَنْ مَعَهُ، وَمَا كَانَ مِنْ أَمْرِهِمْ، فَانْطَلَقُوا مَعَهُ لِيُرِيَهُمْ مَكَانَهُمْ، فَلَمَّا قَرُبُوا مِنَ الْكَهْفِ، دَخَلَ إِلَى إِخْوَانِهِ، فَأَخْبَرَهُمْ حَقِيقَةَ أَمْرِهِمْ، وَمِقْدَارَ مَا رَقَدُوا، فَعَلِمُوا أَنَّ هَذَا مِنْ قُدْرَةِ اللَّهِ. فَيُقَالُ: إِنَّهُمُ اسْتَمَرُّوا رَاقِدِينَ. وَيُقَالُ: بَلْ مَاتُوا بَعْدَ ذَلِكَ.
وَأَمَّا أَهْلُ الْبَلْدَةِ، فَيُقَالُ: إِنَّهُمْ لَمْ يَهْتَدُوا إِلَى مَوْضِعِهِمْ مِنَ الْغَارِ، وَعَمَّى اللَّهُ عَلَيْهِمْ أَمْرَهُمْ. وَيُقَالُ: لَمْ يَسْتَطِيعُوا دُخُولَهُ حِسًّا. وَيُقَالُ: مَهَابَةً لَهُمْ.
وَاخْتَلَفُوا فِي أَمْرِهِمْ ; فَقَائِلُونَ يَقُولُونَ: {ابْنُوا عَلَيْهِمْ بُنْيَانًا} [الكهف: 21] أَيْ: سُدُّوا عَلَيْهِمْ بَابَ الْكَهْفِ ; لِئَلَّا يَخْرُجُوا أَوْ لِئَلَّا يَصِلَ إِلَيْهِمْ مَا يُؤْذِيهِمْ، وَآخَرُونَ، وَهُمُ الْغَالِبُونَ عَلَى أَمْرِهِمْ قَالُوا: {لَنَتَّخِذَنَّ عَلَيْهِمْ مَسْجِدًا} [الكهف: 21] أَيْ: مَعْبَدًا يَكُونُ مُبَارَكًا لِمُجَاوَرَتِهِ هَؤُلَاءِ الصَّالِحِينَ. وَهَذَا كَانَ شَائِعًا
পৃষ্ঠা - ১০৮০
ষ্ষ্
অপরিচিত ঠেকে ৷ নগববাসীরা যেই তাকে দেখে অপরিচিত বোধ করে ৷ তার আকার আকৃতি
কথাবার্তা এবং ত ৷র মুদ্রা সবই নগরবাসীর নিকট অপরিচিত তও আশ্চর্যজনক ঠেকে ৷
কথিত আছে যে তার তাকে তাদের রাজার নিকট নিয়ে যায় এবং তারা তাকে গুপ্তচর
বলে সন্দেহ করে ৷ কেউ কেউ তাকে শক্তিশালী শত্রু মনে করেত তার ক্ষতিকর আক্রমণেরও
আশংকা করেছে ৷ কতক ঐতিহাসিকেরৰু মতে তিনি তখন তাদের ৷নকট থেকে পালিয়ে যান ৷
আর কতক ঐতিহাসিকের মতে তিনি নগরবাসীকেতার নিজের ও সাথীদের অবস্থার বিবরণ
দেন ৷ অতঃপর তারা তায় সাথে তাদের অবস্থান ক্ষেত্রের দিকে রওযানা হয় যাতে তিনি
তাদেরকে নিজেদের অবস্থানস্থল দেখিয়ে দেন ৷ নগরবাসী গুহার নিকট এসে পৌছার পর
তীযুসীস সর্বাগ্রেতারাসাথীদের নিকট প্রবেশ করেন ৷ তিনি নিজেদের প্রকৃত অবস্থা এবং নিদ্রার
মেয়াদ সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করেন ৷ তখন তারা উপলব্ধি করে নেয় যে মুলত এটি মহান
অ আল্লাহব নির্ধারিত একটি বিষয় ৷ কথিত আছে যে, এরপর তা,রা আবার নদ্রামপ্ন হয়ে পড়েন ৷
মতান্তরে এরপর তাদের ইন্তিকাল হয়ে যায় ৷
ঐ নগরবাসীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তারা ঐ গুহাটি খুজে পায়নি ৷ গুহাবাসীদের
অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে অনবহিত রেখে দেন ৷ কেউ কেউ বলেন যে,
গুহাবাসীদের ব্যাপারে তাদের মনে ভীতির সৃষ্টি হওয়ার দরুণ ওহায় প্রবেশ করতে পারেনি ৷
গুহাবাসীদের ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেয়া যায়, সে বিষয়ে নগরবাসীদের মধ্যে মতভেদ দেখা
দেয় ৷ তাদের একদল বলল fi£ £; স্পোা; !র্দুপ্রুছুট্রু৷ তাদের উপর সৌধ নির্মাণ করে দাও ৷
অর্থাৎ গুহামুখ বন্ধ করে দাও যাতে তারা সেখান থেকে বের হতে না পারে ৷ বা কেউ তাদেরকে
কষ্ট দেয়ার উদ্দেশ্যে তাদের নিকট যেতে না পারে ৷
অপর দল বলল, আর এদের মতই প্রবল ছিল আমরা
অবশ্যই ওদের উপর মসজিদ নির্মাণ করব ৷ অর্থাৎ ইবাদতর্খানা তৈরি করব ৷ এসকল পুণ্যবান
লোকদের পাশাপাশি থাকার কারণে তা বরকতময় হয়ে থাকবে ৷ পুর্ববর্তী উম্মতদের মধ্যে এরুপ
মসজিদ নির্মাণের রেওযাজ প্রচলিত ছিল ৷ আমাদের শরীয়তে এ বিষয়ে দিক নির্দেশনা হল, এ
হাদীস যা সহীহ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা) ইবশাদ করেন :
আল্লাহ তা’আলার লা নত ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের ওপর তারা তাদের নবীদের কবর
সমুহকে মসজিদে পরিণত করেছে ৷ ওরা যা করেছে রাসুলুল্লাহ (সা) তার উম্মতদেরকে তা না
করার জন্য সতর্ক করে দিয়েছেন ৷
আল্লাহ তাআলা বলেন,
فِيمَنْ كَانَ قَبْلَنَا، فَأَمَّا فِي شَرْعِنَا فَقَدْ ثَبَتَ فِي " الصَّحِيحَيْنِ " عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: «لَعَنَ اللَّهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى، اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ» يُحَذِّرُ مَا فَعَلُوا. وَأَمَّا قَوْلُهُ تَعَالَى: {وَكَذَلِكَ أَعْثَرْنَا عَلَيْهِمْ لِيَعْلَمُوا أَنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ وَأَنَّ السَّاعَةَ لَا رَيْبَ فِيهَا} [الكهف: 21] فَمَعْنَى (أَعْثَرْنَا) أَطْلَعَنَا عَلَى أَمْرِهِمُ النَّاسَ. قَالَ كَثِيرٌ مِنَ الْمُفَسِّرِينَ: لِيَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ الْمَعَادَ حَقٌّ، وَأَنَّ السَّاعَةَ لَا رَيْبَ فِيهَا، إِذَا عَلِمُوا أَنَّ هَؤُلَاءِ الْقَوْمَ رَقَدُوا أَزْيَدَ مِنْ ثَلَاثِمِائَةِ سَنَةٍ ثُمَّ قَامُوا، كَمَا كَانُوا مِنْ غَيْرِ تَغَيُّرٍ مِنْهُمْ، فَإِنَّ مَنْ أَبْقَاهُمْ كَمَا هُمْ قَادِرٌ عَلَى إِعَادَةِ الْأَبْدَانِ وَإِنْ أَكَلَتْهَا الدِّيدَانُ، وَعَلَى إِحْيَاءِ الْأَمْوَاتِ وَإِنْ صَارَتْ أَجْسَامُهُمْ وَعِظَامُهُمْ رُفَاتًا، وَهَذَا مِمَّا لَا يَشُكُّ فِيهِ الْمُؤْمِنُونَ {إِنَّمَا قَوْلُنَا لِشَيْءٍ إِذَا أَرَدْنَاهُ أَنْ نَقُولَ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ} [النحل: 40] . هَذَا وَيَحْتَمِلُ عَوْدُ الضَّمِيرِ فِي قَوْلِهِ: {لِيَعْلَمُوا} [الكهف: 21] إِلَى أَصْحَابِ الْكَهْفِ، إِذْ عِلْمُهُمْ بِذَلِكَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ أَبْلَغُ مِنْ عِلْمِ غَيْرِهِمْ بِهِمْ، وَيَحْتَمِلُ أَنْ يَعُودَ عَلَى الْجَمِيعِ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ. ثُمَّ قَالَ تَعَالَى: {سَيَقُولُونَ ثَلَاثَةٌ رَابِعُهُمْ كَلْبُهُمْ وَيَقُولُونَ خَمْسَةٌ سَادِسُهُمْ كَلْبُهُمْ رَجْمًا بِالْغَيْبِ وَيَقُولُونَ سَبْعَةٌ وَثَامِنُهُمْ كَلْبُهُمْ} [الكهف: 22] فَذَكَرَ اخْتِلَافَ النَّاسِ فِي كَمِّيَّتِهِمْ، فَحَكَى ثَلَاثَةَ أَقْوَالٍ وَضَعَّفَ الْأَوَّلَيْنِ، وَقَرَّرَ الثَّالِثَ، فَدَلَّ عَلَى أَنَّهُ الْحَقُّ ; إِذْ لَوْ قِيلَ غَيْرُ ذَلِكَ لَحَكَاهُ وَلَوْ لَمْ يَكُنْ هَذَا الثَّالِثُ هُوَ الصَّحِيحَ لَوَهَّاهُ، فَدَلَّ عَلَى مَا قُلْنَاهُ، وَلَمَّا كَانَ النِّزَاعُ فِي مِثْلِ هَذَا لَا طَائِلَ تَحْتَهُ وَلَا جَدْوَى عِنْدَهُ، أَرْشَدَ نَبِيَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِلَى الْأَدَبِ فِي مِثْلِ هَذَا الْحَالِ، إِذَا
পৃষ্ঠা - ১০৮১
ষ্ষ্
এবং আমি মানুষকে এভাবে তাদের বিষয় জানিয়ে দিলাম-যাতে তারা জ্ঞাত হয় যে,
আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য এবং কিয়ামতে কোন সন্দেহ নেই ৷ ১৫:২১
বহু তাফসীরকার বলেছেন যে, এর অর্থ হল যাতে লোকজন জানতে পারে যে, পুনরুথান
সত্য এবং কিয়ামত অনুষ্ঠানে কোন সন্দেহ নেই ৷ মানুষ যখন অবগত হবে যে, গুহাবাসিগণ
তিনশ বছরেরও অধিককাল ধরে দিদ্বোমগ্ন ছিল তারপর কোন প্রকারের ৰিকৃতি ছাড়া যে অবস্থায়
ছিলেন ঠিক যে অবন্থায়ই জাগ্রত হয়ে উঠেন ৷ তখন তারা উপলব্ধি করতে পারবে যে, মহান
সত্তা তাদেরকে কোন পরিবর্তন ছাড়া অক্ষুন্ন রাখার ক্ষমতা রাখেন, তিনি নিশ্চয়ই কীটদষ্ট ও
বিচুর্ণ অস্থি বিশিষ্ট মানবদেহকে মৃত্যুর পর পুনরুথিত করার ক্ষমতা রাখেন ৷ এটি এমন একটি
বিষয় যাতে ঈমানদারগণ কােনই সন্দেহ পোষণ করে না ৷
া
র্তার ব্যাপার শুধু এই, তিনি যখন কোন কিছুর ইচ্ছা করেন তিনি সেটিকে বলেন হও , ফলে
তা হয়ে যায় ৷ (৩৬ : ইয়াসীন : ৮ ২ )
অবশ্য আঘাতের ব্যাখ্যা এমনও হতে পারে যে, যাতে তারা জানতে পারে বলতে গুহা
বাসীগণকে বুঝানো হয়েছে ৷ কারণ তাদের নিজেদের সম্পর্কে তাদের অবগত হওয়াট৷ তাদের
সম্পর্কে অন্যের অবগত হওয়া অপেক্ষা ৷অধিকতর প্রভাব বিস্তারকারী ৷ আবার এমনও হতে পারে
যে, আয়াতে তারা জানতে পারে বলতে সকলকেই বুঝানো হয়েছে ৷ এরপর আল্লাহ তাআলা
বলেন০ ং
শ্ : fl fl : : fl ! fl¢ : fl ! ৩ : fl ! শ্ : fl ং !
৩ ! ’ : ৷ ’ :
কেউ বলবে ওরা ছিল তিনজন, ওদের চতুর্থটি ছিল ওদের কুকুর এবং কেউ বলে ওরা ছিল
পাচজন, ওদের ষষ্ঠটি ছিল ওদের কুকুর ৷ অজানা বিষয়ে অনুমানের উপর নির্ভর করে ৷ আবার
কেউ কেউ বলবে, ওরা ছিল সাতজন, ওদের অষ্টমটি ছিল ওদের কুকুর ৷ (সুরা কাহফ : ২২)
তাদের সংখ্যা সম্পর্কে মানুষের তিনটি অভিমতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে৷ প্রথম দুটো
অভিমত দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তৃতীয়টিকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে ৷ এতে
বুঝা যায় তৃতীয় অভিমতটিই যথার্থ ৷ এছাড়া অন্য কোন মত থাকলে তাও উল্লেখিত হতো ৷ এ
তৃতীয় মতটি যথার্থ না হলেত তাও দুর্বল বলে চিহ্নিত করা হতো ৷ তাই তৃতীয় মতটিই সঠিক !
এ জাতীয় বিষয়ে বিতর্কে যেহেতু কোন উপকারিতা নেই সেহেতু আল্লাহ তা আলা তার রাসুল
(স)-কে এই আদর শিক্ষা দিয়েছেন যে, মানুষ যখন এ জাতীয় বিষয়ে মতভেদ করবে তখন
তিনি যেন বলেন, আল্লাহই ভাল জানেন ৷ ’ এ জন্যেই আল্লাহ তাআলা বলেন, ৰু,ৰু ৰু
,ৰুাণ্ ¥ ঞেঢুট্রুঙুর্তিট্টৰুপ্রুর্ভু ণ্া;৷ “বল আমার প্রতিপালকই ওদের সংখ্যা ভাল
জানেন ৷ ওদের সংখ্যা অল্প কয়েকজনই জানে ৷ ঙু১া১ : ৷ট্রুৰু ৰু৷ ! ন্শ্রুর্দু ১ ,দুণ্ ১খ্ট্রু “সাধারণ
আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (২য় খণ্ড) ২৯-
ণোণোণো(হ্রা৷ব্রা৷৪গাে০ওোড়া
اخْتَلَفَ النَّاسُ فِيهِ أَنْ يَقُولَ: اللَّهُ أَعْلَمُ. وَلِهَذَا قَالَ: {قُلْ رَبِّي أَعْلَمُ بِعِدَّتِهِمْ} [الكهف: 22] وَقَوْلُهُ: {مَا يَعْلَمُهُمْ إِلَّا قَلِيلٌ} [الكهف: 22] أَيْ: مِنَ النَّاسِ {فَلَا تُمَارِ فِيهِمْ إِلَّا مِرَاءً ظَاهِرًا} [الكهف: 22] أَيْ سَهْلًا، وَلَا تَتَكَلَّفْ إِعْمَالَ الْجِدَالِ فِي مِثْلِ هَذَا الْحَالِ، وَلَا تَسْتَفْتِ فِي أَمْرِهِمْ أَحَدًا مِنَ الرِّجَالِ; وَلِهَذَا أَبْهَمَ تَعَالَى عِدَّتَهُمْ فِي أَوَّلِ الْقِصَّةِ فَقَالَ: {إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ} [الكهف: 13] وَلَوْ كَانَ فِي تَعْيِينِ عِدَّتِهِمْ كَبِيرُ فَائِدَةٍ لَذَكَرَهَا عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ. وَقَوْلُهُ تَعَالَى: {وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَلِكَ غَدًا إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ وَاذْكُرْ رَبَّكَ إِذَا نَسِيتَ وَقُلْ عَسَى أَنْ يَهْدِيَنِي رَبِّي لِأَقْرَبَ مِنْ هَذَا رَشَدًا} [الكهف: 23] أَدَبٌ عَظِيمٌ أَرْشَدَهُ اللَّهُ تَعَالَى إِلَيْهِ وَحَثَّ خَلْقَهُ عَلَيْهِ، وَهُوَ مَا إِذَا قَالَ أَحَدُهُمْ: إِنِّي سَأَفْعَلُ فِي الْمُسْتَقْبَلِ كَذَا. فَيُشْرَعُ لَهُ أَنْ يَقُولَ: إِنْ شَاءَ اللَّهُ. لِيَكُونَ ذَلِكَ تَحْقِيقًا لِعَزْمِهِ; لِأَنَّ الْعَبْدَ لَا يَعْلَمُ مَا فِي غَدٍ وَلَا يَدْرِي أَهَذَا الَّذِي عَزَمَ عَلَيْهِ مُقَدَّرٌ أَمْ لَا، وَلَيْسَ هَذَا الِاسْتِثْنَاءُ تَعْلِيقًا، وَإِنَّمَا هُوَ الْحَقِيقِيُّ، وَلِهَذَا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: إِنَّهُ يَصِحُّ إِلَى سَنَةٍ. وَلَكِنْ قَدْ يَكُونُ فِي بَعْضِ الْمَحَالِّ لِهَذَا وَلِهَذَا، كَمَا تَقَدَّمَ فِي قِصَّةِ سُلَيْمَانَ، عَلَيْهِ السَّلَامُ، حِينَ قَالَ: لَأَطُوفَنَّ اللَّيْلَةَ عَلَى تِسْعِينَ امْرَأَةً تَلِدُ كُلُّ امْرَأَةٍ مِنْهُنَّ غُلَامًا يُقَاتِلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ. فَقِيلَ لَهُ: قُلْ: إِنْ شَاءَ اللَّهُ. فَلَمْ يَقُلْ، فَطَافَ، فَلَمْ تَلِدْ مِنْهُنَّ إِلَّا امْرَأَةٌ وَاحِدَةٌ نِصْفَ إِنْسَانٍ. قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَوْ قَالَ: إِنْ شَاءَ اللَّهُ. لَمْ يَحْنَثْ، وَكَانَ دَرْكًا لِحَاجَتِهِ»
পৃষ্ঠা - ১০৮২
ষ্ষ্
আলোচনা ব্যতীত তুমি ওদের বিষয়ে বিতর্ক করবে না ৷” অর্থাৎ সহজ ও স্বাভাবিক আলোচনা
করুন ৷ এ জ ৷তীয় বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হবেন না ৷ আর তাদের সম্বন্ধে কোন মানুষকে
কিছু জিজ্ঞেস করবেন না ৷ এ কারণে শুরুতে আল্লাহ তা আলা তাদের সংখ্যা অস্পষ্ট রেখেছেন ৷
০ শ্ ; শ্ ! : ধ্ ; ;,
আল্লাহ তাআলা বলেছেন ণ্াব্লু ৷ ৷ব্লু;প্রু ৷ ৭াণ্ডু ণ্১ ৷ “ওরা ছিল কয়েকজন যুবক, ওরা
ওদের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান এনেছিল ৷” তাদের সং থ্যা বর্ণনা যদি সমধিক গুরুতৃপুর্ণ হত
তবে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সকল বিষয়ে অবগত মহান আল্লাহ তাআল৷ সুরার প্রারম্ভেই ওদের
সংখ্যার বিবরণ দিতেন ৷
আল্লাহ তা জানা বলেন, ছুএেট্রু ৷ ১৷ ৷ ৷া এ্যা ৷ঠুএ;এে ফ্লো ৷ গ্যে ট্রু,ব্লুছু:১৷ ,
ণ্এ৷ ৷ “কখনও তমি কোন বিষয়ে বলবে না, আমি এটি আগামীকাল কবর ” অ অল্লা৷হ ইচ্ছা করলে’
কথাটি না বলে ৷ এটি একটি উচ্চস্তরের শিষ্টাচ৷ ৷র যা আল্লাহ এ আয়াতে শিক্ষা দিয়েছেন এবং
আপন সৃষ্টিকুলকেও এ ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেন ৷ অর্থাৎ কেউ যদি বলতে চায় যে, অবিলম্বে
আমি এ কাজটি করব তবে তার জন্যে শরীয়তে র বিধান এই যে, সে ইনশাআল্লাহ বলবে ৷
যাতে এতে তার সৃদৃঢ় সৎক কল্প প্রকাশ পায় ৷ কারণ আগামীকাল কি হবে তা তো বান্দা জানে না ৷
সে এটাও জানে না যে, সে যে কা ৷জটি করার সৎকল্প কটিরেছে তা তার তাকদীরে আছে কিনা ৷
এই ইনশাআ ৷ল্লাহ শব্দটি শর্ত বলে গণ্য হবে না, বরৎএ তার দৃঢ় সৎকল্প বলেই গণ্য হবে ৷ এ
জন্যে হযরত ইবন আব্বাস (রা) বলেন, বাক্যে ইনশাঅহুল্লাহ শব্দটি এক বছর মেয়াদের মধ্যে
যুক্ত করা চলে ৷ তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এটি শীঘ্রত৷ জ্ঞাপক অর্থেও ব্যবহৃত হয় ৷ যেমন
ইতিপুর্বে হযরত সুলায়মান (আ) এর ঘটনায় আলোচিত হয়েছে ৷ তিনি বলেছিলেন, আজ রাতে
আমি ৭০ জন শ্রীর সাথে মিলিত হবে৷ ৷ তারা প্রত্যেকে একটি করে ছেলে সন্তান প্রসব করবে,
যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে ৷ তখন নেপথ্যে তাকে বলা হয়েছিল, ইনশাআল্লাহ বলুন!
তিনি তা বলেন নি ৷ অ৩ ংপর তিনি সহবাস করলেন ৷ তাতে মাত্র একজন শ্রী একটি
অসম্পুর্ণদেহী ছেলে প্রসর করেন ৷
এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন০ :
াব্লু
সে মহান সত্তার হাতে আমার প্রাণ তার শপথ, হযরত সুলায়মান (আ) যদি ইনশাআল্লাহ
বলতেন, তবে তার শপথ ভঙ্গ হত না এবং তার মনোবাছাও পুর্ণ হত ৷
আল্লাহ তাআলার বাণী ছু;ট্রু ;ঠু ৷টুা৷ ;া; , ংব্লুদ্বু ৰুা৷ব্লু “যদি ভুলে যাও তবে তোমার
প্রতিপালককে স্মরণ কর!” কারণ ভুলে যাওয়াটা কোন কোন সময় শয়তানের প্রভাবে হয়ে
থাকে ৷ তখন আল্লাহর স্মরণ অন্তর থেকে প্রভাব বিদুরিত করে দেয় ৷ ফলে যা ভুলে গিয়েছিল
তা স্মরণে আসে ৷
, fl
অত্ত্বল্লড়াহর বত্ত্বণী প্লে স্ এবষ্
বল সম্ভবত আমার প্রতিপালক আমাকে এটি অপেক্ষা সত্যের নিকটত র পথ নির্দেশ করবেন ৷”
وَقَوْلُهُ: {وَاذْكُرْ رَبَّكَ إِذَا نَسِيتَ} [الكهف: 24] وَذَلِكَ لِأَنَّ النِّسْيَانَ قَدْ يَكُونُ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَذِكْرُ اللَّهِ يَطْرُدُهُ عَنِ الْقَلْبِ، فَيَذْكُرُ مَا كَانَ قَدْ نَسِيَهُ. وَقَوْلُهُ: {وَقُلْ عَسَى أَنْ يَهْدِيَنِي رَبِّي لِأَقْرَبَ مِنْ هَذَا رَشَدًا} [الكهف: 24] أَيْ: إِذَا اشْتَبَهَ أَمْرٌ وَأَشْكَلَ حَالٌ وَالْتَبَسَ أَقْوَالُ النَّاسِ فِي شَيْءٍ، فَارْغَبْ إِلَى اللَّهِ يُيَسِّرْهُ لَكَ، وَيُسَهِّلْهُ عَلَيْكَ، ثُمَّ قَالَ: {وَلَبِثُوا فِي كَهْفِهِمْ ثَلَاثَ مِائَةٍ سِنِينَ وَازْدَادُوا تِسْعًا} [الكهف: 25] لَمَّا كَانَ فِي الْإِخْبَارِ بِطُولِ مُدَّةِ لُبْثِهِمْ فَائِدَةٌ عَظِيمَةٌ، ذَكَرَهَا تَعَالَى، وَهَذِهِ التِّسْعُ الْمَزِيدَةُ بِالْقَمَرِيَّةِ، وَهِيَ لِتَكْمِيلِ ثَلَاثِمِائَةٍ شَمْسِيَّةٍ، فَإِنَّ كُلَّ مِائَةٍ قَمَرِيَّةٍ تَنْقُصُ عَنِ الشَّمْسِيَّةِ ثَلَاثَ سِنِينَ {قُلِ اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثُوا} [الكهف: 26] أَيْ إِذَا سُئِلْتَ عَنْ مِثْلِ هَذَا، وَلَيْسَ عِنْدَكَ فِي ذَلِكَ نَقْلٌ، فَرُدَّ الْأَمْرَ فِي ذَلِكَ إِلَى اللَّهِ، عَزَّ وَجَلَّ {لَهُ غَيْبُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ} [الكهف: 26] أَيْ: هُوَ الْعَالِمُ بِالْغَيْبِ، فَلَا يُطْلِعُ عَلَيْهِ إِلَّا مَنْ شَاءَ مِنْ خَلْقِهِ {أَبْصِرْ بِهِ وَأَسْمِعْ} [الكهف: 26] يَعْنِي أَنَّهُ يَضَعُ الْأَشْيَاءَ فِي مَحَالِّهَا لِعِلْمِهِ التَّامِّ بِخَلْقِهِ، وَبِمَا يَسْتَحِقُّونَهُ، ثُمَّ قَالَ: {مَا لَهُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا يُشْرِكُ فِي حُكْمِهِ أَحَدًا} [الكهف: 26] أَيْ: بَلْ هُوَ الْمُنْفَرِدُ بِالْمُلْكِ وَالْمُتَصَرِّفُ فِيهِ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ.